
গতদিনের আড্ডায় যারা ছিলেন কিংবা আড্ডার স্লাইডটি নেড়েচেড়ে দেখেছেন, তারা দেখবেন এই শিরোনামটিই আড্ডার প্রথম বিষয় ছিল। শিরোনামটি নিজের যদিও পুরো বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করে দিচ্ছে, তবুও চেষ্টা করব আমি আমার কারনগুলোকে তুলে ধরতে।
পোষ্টটির টাইটেলে ইচ্ছে করে নাটকীয়তা আনার চেষ্টা করা হয়েছে। আসলে প্রতিটি কাজের পেছনে কোনো না কোনো যুক্তি থাকে। গাছ থেকে আপেল পড়লো আর নিউটন মাধ্যার্কাষণ যুক্তি বানিয়ে ফেলল। আমি তো ভাই ওর ধারের কাছেও না – তাই যদি আমার পাশে এটম বোমাও পড়ে তবুও তার পেছনে কোনো যুক্তি দাঁড় করাতে পারবো না। খুব বেশি হলে ব্লগিংয়ের পেছনের যুক্তিগুলো তুলে ধরতে পারি।
শখ, ইচ্ছে, খায়েশ
সামহোয়ারইন ব্লগেই আমার ব্লগিং জীবনের হাতে খড়ি। প্রথমদিকে দেখতাম যখন আমার হাতে খড়ি চলছে, ততদিনে ইন্টারনেটের জগতে একেকজন ব্লগার পাকাপোক্ত ব্লগার হয়ে গিয়েছে। তার মধ্যে একজন হলেন সাদিক আলম ভাই – মাঝে মাঝে ওনার ধর্মীয় এবং আধ্যাত্মীক ব্লগটি ঘুরে ফিরে দেখতাম। যদিও উচ্চমর্গীয় চিন্তার বিষয়গুলো কিছুই বুঝতাম না। তবুও তার পাঠকদের মন্তব্য, আলোচনার ধরনগুলো আমাকে আকৃষ্ঠ করতো। স্বপ্ন দেখতাম আমারও অমনি একটা ওয়েবসাইট থাকবে … আর সেই চিন্তা থেকেই আমিও ব্লগস্পটে খুলি আমার প্রথম ব্লগ।
এরপর পরিচয় আরেক সেলিব্রেটি ব্লগারের সাথে পরিচয় হয় – তার নাম রাগিব হাসান। উনি ছিলেন আমার চোখে জীবন্ত বিস্ময়। উনার লেখার বিষয় আর স্ট্যাইল আমার কাছে ছিল অনুপ্রেরনার উৎস। ওনার দেখাদেখি আমার নিজ ডোমেইনে ওয়েবসাইটের খায়েশ হল – আর কিনে ফেললাম www.hasan-online.com।
এভাবেই মূলত শখ আর ইচ্ছে থেকে ব্লগিং জীবনের সূচনা।
নিজেকে তুলে ধরা
আমি সবসময় একটা কথা বলতে পছন্দ করি – তা হলো ওয়েবসাইট হল ইন্টারনেটে পাসপোর্টের মতো। এটি সারা বিশ্বে আপনার পরিচয় বহন করবে। আমি সামান্য ব্যবসায়ীই হোন আর সার্চ ইঞ্জিন কনসালটেন্ট হউন – প্রতিটি ক্ষেত্রে আপনি আপনার উদ্দেশ্য এবং জীবিকার সন্ধানে ওয়েবসাইটকে ব্যবহার করতে পারবেন। অন্য সবার মতো ইন্টারনেটে স্থায়ী স্থান করে নিতে আমিও ওয়েবসাইটের শুরু করি।
আমার ইংরেজি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ব্লগের মাধ্যমে কেবল আমি ওই বিষয়েই লিখি না বরং ওটার উদ্দেশ্য হল আমার সম্ভাব্য কাষ্টমারদের কাছে আমার দক্ষতার পরিচয় করে দেয়া। ওয়েবসাইটটি অনেকটা আমার Portfolio হিসেবে কাজ করে। এভাবেই আমি বেশ কয়েকটি SEO বিষয়ক freelance কাজের সুযোগ পেয়েছি।

নেশা
গুগল, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, প্রযুক্তি, মোবাইল – এসবগুলোই আমার নেশা। এই বিষয়গুলো যেহেতু নিয়মিত পড়াই হয়, তখন লিখে রাখার অভ্যাসটাও গড়ে উঠেছে। আমার প্রিয় বিষয়গুলো আমি অন্যদের সাথেও শেয়ার করতে চাই। জ্ঞান শেয়ারের সবচেয়ে বড় উপকার হল এতে করে আরোও বেশি জানা যায়। ধরুন আপনি কাউকে কোনো বিষয়ে অবহিত করছেন, হঠাৎ করে তার মনে কোনো প্রশ্ন জাগলো যার সম্বন্ধে আপনি আগে শুনেননি। তখন তাকে বোঝানোর জন্য আপনি সেই বিষয়ে পড়াশুনা করবেন। ফলে আপনার ওই বিষয়টিও জানা হয়ে যাবে।
বাড়তি আয়
ওয়েবসাইট বানান আর ব্লগই বানান, সময় যেহেতু ব্যয় করছেনই – তাহলে যদি এর জন্য পয়সা পান তাহলে ক্ষতি কি? এই যুক্তিকে কাজে লাগিয়েই মূলত আমার ইন্টারনেটে আয়ের শুরু। আর ততদিনে জেনে গিয়েছিলাম যে ইন্টারনেটে ব্লগিং করে মানুষ কোটিপতি হয়ে গিয়েছে। এমনকি অনেকের বয়স ২০ বছরের নিচে। প্রথম দিকে আয়ের অংকটি উল্লেখ্য করার মতো কিছুই ছিল না – বরং বহু চড়াই-উৎড়াই পেড়িয়ে আজকে কেবল এডসেন্স থেকেই আমার মাসিক গড় আয় ১৫০ থেকে ২০০ পাউন্ড। গত জুলাই মাসে, কোনোরূপ ব্লগিং, অপটিমাইজেশন ছাড়াই এসেছে ১৫৭ পাউন্ড আর আগে মাসে ছিল সবোর্চ্চ ৪০২ পাউন্ড। টাকা কামানোটাও একটা নেশা – আল্লাহর দুনিয়ায় সবারই টাকা দরকার। তাই প্রতিমাসে হাতে কিছু পয়সা এলে বরং হাত খরচটা অন্তত চলে যায়। আর ছাত্রদের তো হাজারটা খরচ!
আসলে নিজের মধ্যে কোনো স্পৃহা কাজ না করলে কোনো কাজেই সফলতা পাওয়া সম্ভব নয়। তাই নিজের জন্য মোটিভেশনগুলো খুঁজে বের করুন। দেখবেন কাজে সফলতা পাওয়া সহজ হয়ে যাবে।
সবার জন্য রইল অনেক শুভ কামনা।
এ ধরনের আরও কিছু পোষ্ট:
- [অতিথি পোষ্ট - দ্বিতীয় স্থান বিজয়ী - শামীম] আমি কেন সফল ব্লগার হতে চাই?
- [অতিথি পোষ্ট - তৃতীয় স্থান বিজয়ী - রুম্মা] আমি কেন সফল ব্লগার হতে চাই
- ভিডিও ব্লগিং এবং আপনাদের মতামত
- ইন্টারনেটে আয় নিয়ে একজন গৃহবধুর কিছু প্রশ্ন উত্তর
- আরেকটি ব্লগিং আড্ডা কিংবা…
- আমি কেন ব্লগিংয়ের জন্য ওর্য়াডপ্রেস ব্যবহার করি ~ ওয়ার্ডপ্রেসই সেরা ব্লগিং প্লাটর্ফম
- [অতিথি পোষ্ট] ব্লগিং করে টাকা আয়ের প্রথম শর্ত : অভ্যাস বদলে ফেলুন
- আপনি কি অলস না অস্থির?
{ 25 comments… read them below or add one }
হাসান ভাই,,,
এখন লিখতে তেমন কষ্ট হচ্ছেনা। ইউনিজয়-এ অভ্যাস হয়ে গেছে।
হাসান ভাই আমি মনে করি ওয়েবসাইট দেখাটা অনেক গুরূত্বপূণ। কারণ আমি যদি না দেখি তবে আমি শিখবো কি করে? জানবো কি করে কেউ আমার চেয়ে ভালো কাজ করছে।অথবা আমারটা আরো উন্নত করতে হবে কিনা হবে না। আমি নতুন কোন ওয়েবসাইটে ঢুকলে ভালো করে খেয়াল করার চেষ্টা করি কি কি ভালো হয়েছে,,,,,কি কি ভালো হয়নি…
তবে কপি–পেষ্ট করাটা উচিত না। কপি–পেষ্ট করালে শেখা যায় না….
হাসান ভাই …..প্লিজ মন্তব্য করবেন….
আমি অনুপ্রেরনাতে বিশ্বাসী – তাই কোনো ওয়েবসাইটের কোনো সুবিধা ভাল লাগলে সেটা থেকে অনুপ্রেরনা নিয়ে আরোও ভাল কিছু করা উচিত।
ধন্যবাদ।
তাও ভালো অবশেষে আমার প্রশ্নটা চোখে তো পড়েছে।সেজন্যই ধন্যবাদ।পরে সময় করে উত্তর দিলেই হবে।
আমি ইতিমধ্যেই আপনার প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। কষ্ট করে দেখে নিন
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
আপনার ব্লগস্পটের ঠিকানা ভুল। ঠিক করে দিন লিংকটা…
কথাটা রুমাকে বলেছি।
ওয়েবসাইটের এড্রেস ঠিক করে দিলাম।
সব ছেলেগুলো কি মজা করে আপনার সব পরামর্শ নিয়ে নিলো..ইশ।i wish i could.যাই হোক আশা করছি আপনার ব্লগ পরেই সেই দুধের সাধ ঘোলে মিটাবো।কিন্তু হাসান ভাইয়া ওয়েবসাইট নিয়ে প্রশ্ন উত্তর নামের পোস্টে আমি আপনাকে আমার কিছু সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলাম ।আজও উত্তর পেলাম না।এখন পর্যন্ত আমি আপনার ব্লগে কোনো মেয়ে ব্লগার কে প্রশ্ন করতে দেখিনি।তাই একজন আগ্রহি মেয়েব্লগারের উত্তর কিন্তু সবার আগে দেয়া উচিত,তাই না? just kidding .ভালো থাকবেন…।
ওহ..দারুন লাগছে পোস্ট গুলো…আপনার সব পোস্টগুলোই অসাধারন।
আপনি যে মেয়ে কিংবা আপনার নিক যে মেয়েলী এটা কখনোও আমার মাথায় আসেনি। আর অন্য পেশায় ছেলে মেয়ের ভূমিকা আলাদা হতে পারে – আমরা যে পেশায় আছি তাতে কোনো পার্থক্য নেই। তবে আইটিতে মেয়েরা এগিয়ে আসলেও ব্লগিংয়ে (অনলাইন আয়ে) মেয়েরা অনেক পেছনে এটা বলতে পারি। আর আমার আড্ডায় তো সবাইকে আসতে অনুরোধ করেছিলাম।
সময়ে অভাবে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারি না। আর কিছুদিন পরে প্রশ্নগুলো চাপা পড়ে যায়। এজন্য দু:খিত।
আমার লেখা আপনাকে অনুপ্রাণিত করেছে জেনে ভালো লাগলো। গবেষণাগত ব্যস্ততার কারণে আমি এবছর ব্লগিং এ সময় দিতে পারছি না। তবে ইনশাল্লাহ, এমাসের পরে আমার পিএইচডি শেষ হয়ে যাবে, তখন আরো লিখতে পারবো।
ব্লগিং আমার কাছে অনেকটা “যেমন ইচ্ছে লেখার আমার কবিতার খাতা”। পত্রপত্রিকা কিংবা বই লেখার সাথে পার্থক্য হলো পাঠকের ফিডব্যাক, যা পোস্ট দেয়ার সাথে সাথে পাওয়া যায়।
ব্লগের আরেকটা ব্যাপার হলো পাঠকের মনোযোগ ধরে রাখা। অনেকটা স্কুল কলেজের ক্লাসের মতো — অনেক সময় এমন বিরক্তিকর স্যারের ক্লাস পড়তো, ১০-১৫ মিনিটের মাথাতেই অধিকাংশ ছাত্র ঘুমিয়ে পড়ার দশা হতো। সেরকম ব্লগের লেখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হলো পাঠকের মনোযোগ আকর্ষণ করা ও ধরে রাখা। (ইংরেজি টার্মটা মনে পড়ছেনা … বাউন্স রেইট? ব্লগের ক্ষেত্রে পাঠক চাইলেই দ্রুত অন্য বিষয়ে বা সাইটে চলে যেতে পারেন এক ক্লিকে, বই বা পত্রিকাতে সেরকম হয় কম)।
আপনার লেখার আরেকটা ভালো দিক হলো সব কিছু সহজ করে লেখা। কারিগরী বিষয়গুলোকে গুছিয়ে উপস্থাপন করাটা সহজ কাজ নয়। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ও অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে আপনার পোস্টগুলো মাঝে মাঝেই দেখি — অনেক সহজ করে লেখা, আর এতে করে পাঠকদের উপকার হবে অনেক।
বাংলাদেশে ইদানিং পত্রপত্রিকায় “ইন্টারনেটে টাকা কামানোর উপায় শেখার কোর্স” জাতীয় ভাওতাবাজী দেখি। আশা করি পাঠকেরা হুজুগের বশে ওগুলোতে না ভুলে আপনার এই তথ্যপূর্ণ পোস্ট ও সিরিজগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়বে। অনলাইনে আয় করা বাংলাদেশের তরুণদের জন্য একটা বড় সুযোগ। ঠিক মতো কাজ করতে পারলে, আর মাসে কেউ ২০০ ডলার পেলেও সেটা বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে অনেক।
@রাগিব ভাই, আমার ব্লগে আপনার মন্তব্য পড়েছে – এতে আমি সত্যিই খুব আনন্দিত। আপনার পিএইচডি’র জন্য রইল শুভ কামনা।
আমি সবাইকেই বলি আমি গুছিয়ে লিখতে পারি না। ছোটরা যেমন বড়দের হাতের লেখা ধরে লিখতে চেষ্টা করে, আমিও আপনার লেখার স্টাইল ফলো করতে চেষ্টা করতাম। কিন্তু জ্ঞানের পার্থক্য বলে একটা কথা আছে! ওটা নিয়ে নাই বা বললাম।
এই মুর্হুতে আমি বাংলাদেশে আছি, এবং বুঝতে পারছি এখানে ইন্টারনেট ব্যবহার করাটা কত কঠিন। তবুও ছেলেরা কিছু একটা করতে অনেক চেষ্টা করছে। আমি আমার এই ব্লগের মধ্য দিয়ে এদেশের ব্লগারদের মধ্য থেকে ইন্টারনেটে আয় নিয়ে ভুল ধারনাগুলো মুছে দিতে আপ্রান চেষ্টা চালাচ্ছি।
আশা করি সফল হবো, আর আমার এই প্রচেষ্টায় আপনাকে সাথে পাব।
মন্তব্যের জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।
“এই মুর্হুতে আমি বাংলাদেশে আছি, এবং বুঝতে পারছি এখানে ইন্টারনেট ব্যবহার করাটা কত কঠিন। তবুও ছেলেরা কিছু একটা করতে অনেক চেষ্টা করছে। আমি আমার এই ব্লগের মধ্য দিয়ে এদেশের ব্লগারদের মধ্য থেকে ইন্টারনেটে আয় নিয়ে ভুল ধারনাগুলো মুছে দিতে আপ্রান চেষ্টা চালাচ্ছি। ” it is the ultimate truth for BD. people are dieing and crying for web money.But only a few are making a living out of it. I think the problem is people are not interested in studying. Most of us think usual and do usual. But there is no place for a usual fact. think out of box and be a millionaire. Download and read, download and read and then do what you wanna do. I am sure you gonna make big cash. And try to read blogs regularly. Never forget Google is our friend. Just google about your topic and start reading.
.-= Romel এর সর্বশেষ পোষ্ট >> Get Hidden Backlinks | Method Exposed!!! =-.
ধন্যবাদ,আশা করি ডোমেইন সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান শীঘ্রই জানাবেন।
হাসান ভাই ব্লগের যোগাযোগ অংশটা কাজ করছে না।404 error দেখাচ্ছে
আপনার কথা শুনে এইমাত্র ট্রাই করলাম, ঠিকমতোই কাজ করছে … দয়া করে আবার চেষ্টা করুন।
ধন্যবাদ
সম্ভবত আপনি এখনো দেশে আছেন।তাই আপনি যেখানে বলবেন আমি সেখানে এসে আপনার সাথে দেখা করতে পারব।এরপর আপনার ব্যাস্ততা কমলে আপনি আপনার সময়-সুযোগ বুঝে ডোমেইন কিনে দেবার চেষ্টা করবেন।দয়াকরে আপনি আমাকে এই উপকারটুকু করবেন কি?আশা করি উত্তর দিবেন।
মন্তব্যের বাকি অংশটুকু মুছে দিলাম, যা হয়েছে ভুলে যান। এই নিয়ে আমার কোনো ক্ষোভ নেই।
ভাইয়া আপনি যেমন অনুপ্রেরনা হিসেবে সাদিক আলম ভাইয়া আর রাগিব হাসান ভাইয়ার কথা বলেছেন তেমন আমি আমার অনুপেরনা হিসেবে আপনার কথা বলব।
আসলে আমি আপনার এই ব্লগ থেকে যা যা শিখছি তা অসাধারন। আমি যদি কখন ও ভাল ব্লাগার হতে পারি আমার সাইটে আপনার নাম ইন্শ্শালাহ থাকবে।
আপনার আড্ডায় যোগ দেবার ইচ্ছা ছিল । কিন্তু আব্বুর জন্য পারলাম না।ভবিষ্যতে দেখা হবে।
আর অড্ডায় বিষয়গুলো বিস্তারিত লেখার জন্য ধন্যবাদ।
হাসান ভাই ! যখন কবিতা লিখতাম, তখন আমার প্রচুর পড়ালেখা হত; এবং যত পড়তাম ততো মনে হত, আমার লেখা বোধহয় কবিতা হয়ে ওঠেনি। তারপর নিজেই ‘ভাঁজপত্র’ নামক সাহিত্যের ছোট কাগজ বের করতাম, তখনও নিজের লেখাকে অখাদ্য মনে হত। এরপর ব্লগ, এখানেও পড়তে হয় প্রচুর। ভালই লাগে। ব্লগিংকেও কবিতার মতো মনে হয়। মজার বিষয় হচ্ছে নেটে বসে যেখানে হাজার হাজার ছেলে মেয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, সে-খানে আমরা শিখছি, শেখাচ্ছি ও সামান্য ইনকামও করছি। আপনি আমার সে-দিক থেকে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। আপনার অনেক ওয়েব সাইটের নাম জানি না, পারলে জানাবেন- কেমন? আপনার ওয়েব সাইট নিয়ে কিছু ব্যাখ্যা বিশ্লষণ করার দরকার আছে। ভাল থাকবেন।
আমি কেন ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেই না, তা আড্ডাতে ব্যাখ্যা করেছি। আসলে ওয়েবসাইটের ঠিকানা দিলে কেউ কেউ অনুপ্রেরনার নামে পুরো ওয়েবসাইটই কপি করে ফেলে।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
আপনার এই কথার সাথে একমত। কারন তাকে এগুতে হবে তার নিজ গতিতে। তাহলে সে সাফল্য পাবে। ধন্যবাদ ।।
আমার খুব ইচ্ছে ছিল আড্ডায় যোগ দেওয়া। কিন্তু ভাগ্নের বিয়ের জন্য যাওয়া হয়নি। রাজশাহী থেকে ঢাকা খুব বেশী দুরুত্ব নয়। এখন বগ্ল পড়ে দুধের সাধ ঘোলে মিটাতে হচ্ছে এই আর কি। ভবিষৎ এই রকম আড্ডা হলে জানাবেন।
চিন্তা করবেন না … আশা করি স্লাইডের সবগুলো বিষয় নিয়েই একে একে বিস্তারিত লিখব। এই লেখাটি স্লাইডের প্রথম বিষয় ছিল।
ধন্যবাদ।
হাসান ভাই,গতকাল আপনাকে ডোমেইন কেনা সম্পর্কিত(ক্রেডিট কার্ড নেই) একটা ইমেইল করেছিলাম।ব্যাস্ততার জন্য বোধহয় রিপ্লাই করতে পারেননি।আপনি সময় করে আমার সাথে কি একটু যোগাযোগ করবেন?আমার ইমেইল অ্যাড্রেস:aoyon@in.com
ইচ্ছে করেই উত্তর দেই নি। আমি আসলে ক্রেডিট কার্ডের কোনো স্থায়ী সমাধান খুঁজছি। তাই নিজে কোনো সমাধান পাবার আগে আপনাকে কোনো সমাধান দিতে পারছি না।
আশা করি শীঘ্রই কোনো উত্তর দিতে পারব। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
{ 1 trackback }