[অতিথি পোষ্ট] অবশেষে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আড্ডা সফল : গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসমূহ

লিখেছেন আমিনুল ইসলাম সজীব তারিখ August 3, 2009 · 11 comments

বিভাগ অতিথি পোষ্ট, ইন্টারনেটে আয়ের কৌশল, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন

এটি এই ব্লগের ১০০তম পোস্ট। :)

হাসান ভাইয়ের সঙ্গে প্রথম যোগাযোগ হয় প্রথম আলো ব্লগে। মূলতঃ অ্যাডসেন্সে চেক পেয়েছেন দেখেই যোগাযোগটা করেছিলাম। তারপর কীভাবে কোত্থেকে যেন উনার ইমেইল আইডি জোগাড় করি। তারপর জি-টকে পরিচয় পর্ব শেষ হয়। হাসান ভাইয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন কথাবার্তা চলার পর বুঝতে পারলাম অত্যন্ত সাপোর্টিভ এবং হেল্পফুল একজন মানুষ তিনি — যেমনটা সচরাচর দেখা যায় না। ব্লগিং করে টাকা আয় করছেন অথচ কোনো দম্ভ নেই, ভাব নিচ্ছেন না, এটা বাংলাদেশে এক কথায় দুর্লভ। আশা করি অনেকেই একমত হবেন।

গত শুক্রবার অবশেষে হাসান ভাইয়ের সঙ্গে মুখোমুখি আলোচনার সুযোগ হলো। তার নিজ হাতে তৈরি স্লাইড দেখলাম এবং অত্যন্ত সাজানো-গোছানো কথাবার্তা শুনলাম। হাসান ভাই সারাক্ষণ বলে বেড়ান উনি নাকি ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে জানেন না। এই মিথ্যা বলার জন্য হাসান ভাইকে এই ব্লগ থেকে ব্যান করা উচিৎ। ;) যারা আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন, তাদের তো বলার দরকারই নেই, তবে যারা যেতে পারেননি, তাদের বলছি, হাসান ভাইয়ের এই কথাটা পুরোপুরি মিথ্যা। ব্লগিং করে টাকা আয় করার প্রথম শর্ত এবং এর জন্য করণীয় বিভিন্ন ধাপগুলো হাসান ভাই এত সহজভাবে বর্ণনা করলেন যেন প্রফেশনাল লেকচারার। মোট কথা, হাসান ভাই সত্যিই গুছিয়ে এবং বুঝিয়ে কথা বলতে পারেন।

যাই হোক, যারা আড্ডায় গিয়েছেন বা যারা যাননি, তাদের সবার জন্য পান্থ বিহোস ভাইয়ের পাশাপাশি আমিও আরো একবার সেদিনের আড্ডার গুরুত্বপূর্ণ কিছু পয়েন্ট তুলে ধরার চেষ্টা করবো। সেই সঙ্গে (মাতব্বরি করে) আমি নিজে থেকে কিছু পয়েন্ট যুক্ত করারও চেষ্টা করবো।

ব্লগিং

ব্লগিং কেন করছেন? এটা হচ্ছে আপনার প্রথম প্রশ্ন। আপনি যদি বলেন টাকা আয়ের উদ্দেশ্যে ব্লগিং করছেন, তাহলে আপনাকে ব্লগিংকে একটি ব্যবসা হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। ব্যবসার উদ্দেশ্যে যেমন সময়, টাকা, শ্রম খরচ করেন এবং পরিকল্পনা মোতাবেক অগ্রসর হয়ে থাকেন, ঠিক তেমনি ব্লগিংকেও সিরিয়াসলি নিতে হবে। আর বৃক্ষরোপনের আগে ভাবা উচিৎ আপনার কী বৃক্ষ দরকার। হ্যাঁ, আমি বিষয় নির্বাচনের কথা বলছি। ব্লগিং জগতে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আপনার বিষয়। এক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ব্লগের উপর নির্ভরশীল না হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

ডোমেইন

হাসান ভাই সেদিন বললেন, “ডোমেইন কিনতে ৭০০ টাকা খুব বেশি লাগলেও………”। আমার কাছে কিন্তু একটি ডোমেইনের জন্য, ইন্টারনেটে নিজের অথবা নিজের ব্র্যান্ডের একটি নির্দিষ্ট নামের জন্য ৭০০ টাকা বেশি নয় বরং অত্যন্ত কম মনে হয়েছে। (আর কিছু বলার দরকার নেই বোধহয়।)
তবে হোস্টিংয়ের জন্য প্রথমেই তেমন টাকা খরচ করার পরামর্শ দিচ্ছিনা। যদিও ব্লগার ডট কম আমার অত্যন্ত অপছন্দ, আমি প্রাথমিক ব্লগারদেরকে ব্লগার ডট কমেই হোস্ট করার পরামর্শ দিবো। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, আপনার দু’চার মাসের ব্লগিং অভিজ্ঞতাই আপনাকে বলে দেবে এ কাজে আপনি কতোটা উন্নতি করতে পারবেন। তখন যদি পরিস্থিতি অনুকূলে মনে হয়, হোস্টিং কিনে নেবেন। নিজস্ব হোস্টিংয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করতে ভুল করবেন না যেন। আর চিন্তার কোনো কারণ নেই, ওয়ার্ডপ্রেস খুব সহজেই আপনার ব্লগার ডট কমে হোস্ট করা প্রতিটি পোস্ট Fetch করতে পারে বা ইমপোর্ট করতে পারে। এছাড়াও আপনার সাইট/ব্লগের ঠিকানা একই থাকবে। অপটিমাইজেশন বা মার্কেটিংয়েরও কোনো ক্ষতি হবে না।

অবশ্য আপনি চাইলে পুরনো ডোমেইনও কিনতে পারেন যদি অপটিমাইজেশনের কার্যক্রম এগিয়ে রাখতে চান।

তবে yourname.blogspot.com জাতীয় সাব-ডোমেইনের অপটিমাইজেশন এবং মার্কেটিং করা মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। অতএব, কথা না বলে ডোমেইন কিনুন। সময় না থাকলে ব্লগ পরে তৈরি করুন, ডোমেইন কিনে রাখতে সমস্যা কোথায়?

ওয়ার্ডপ্রেস

মামার বাড়িতে বসে ব্লগিং করতে চাইলে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করুন। আর যদি সারাদিন কোড নিয়ে খাটাখাটনি করতে চান, তাহলে আজীবন ব্লগার ডট কমেই পড়ে থাকতে পারেন। কেউ না করবে না।

ওয়ার্ডপ্রেস অত্যন্ত দ্রুত এবং সহজতম উপায়ে আপনার ব্লগের ডিজাইন, মেইনটেন্যান্স, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ইত্যাদি করে দিতে পারে। এছাড়াও প্রচুর সংখ্যক বিভিন্ন প্লাগইন আপনাকে প্রফেশনাল ব্লগ তৈরির ক্ষমতা দিতে পারে। আর ব্লগিংয়ে সাফল্য পাবার জন্য ব্লগের ডিজাইন আকর্ষণীয় করা কতোটা জরুরি, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

পোস্ট

পোস্ট নিয়ে হাসান ভাই অনেক গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে ধরেছেন। আপনার পোস্টই আপনার ব্লগের সব। এর দ্বারাই আপনাকে সফলতা অর্জন করতে হবে। তাই পোস্ট লেখার সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন এবং কিছু নিয়ম মেনে চলুন। যেমনঃ

  • শিরোনাম যতোটা সম্ভব আকর্ষণীয় করে তোলার চেষ্টা করুন। এছাড়াও আপনি যে বিষয়ে পোস্ট লিখতে যাচ্ছেন, সে বিষয়ে যদি আপনি সার্চ করতেন, তাহলে কী কিওয়ার্ড ব্যবহার করতেন তা খুঁজে বের করুন এবং ঠিক সেভাবেই পোস্টের শিরোনাম নির্ধারণ করুন।
  • পোস্টকে যথাসম্ভব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করুন। বুলেট পয়েন্ট, নাম্বারিং, ছবি এবং একাধিক প্যারাগ্রাফ ব্যবহার করুন। সহজ ও সুন্দর ভাষায় লিখুন। পাঠকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করুন। অর্থাৎ পাঠক যেন মনে করে আপনি তাদের সঙ্গে কথা বলছেন। কোনো সমস্যার সমাধান দিচ্ছেন।
  • ব্লগের মূল বিষয়, বিভাগ এবং ট্যাগের উপর খেয়াল রেখে পোস্ট লিখুন। মাঝে মাঝে অফটপিক পোস্ট করতে পারেন, তবে তা পোস্টের শিরোনামে উল্লেখিত থাকতে হবে।
  • পোস্ট লিখে সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশ করে দিবেন না। লিখতে লিখতে নিশ্চয়ই আপনি ক্লান্ত? পোস্ট লিখে বসে বসে এক কাপ চা খান। কিংবা রাতে শোবার আগে পোস্টটি লিখুন এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে আরেকবার রিভিশন দিন। তারপর পোস্ট প্রকাশ করুন। যথাসম্ভব ভুল-ভ্রান্তি থেকে মুক্ত রাখুন আপনার পোস্টগুলোকে।
  • পাঠকদের মন্তব্যের দিকে লক্ষ্য রাখুন। আগের পোস্টের মন্তব্যগুলোর দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নিন কোনো পাঠক নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে সাহায্য চেয়েছেন কি না। সবার কথা মাথায় রেখে তারপর পোস্ট করুন। উল্লেখ্য, এক্ষেত্রে হাসান ভাইয়ের এই ব্লগটিকে উদাহরণ দেখানো যেতে পারে। যদিও তিনি এই ব্লগ থেকে আয় করতে পারছেন না, তবুও আমি এই ব্লগকে highly-SEO and reader-friendly হিসেবে দেখছি।
  • প্রাপ্ত মন্তব্যের উত্তর দিন। সহজ এবং ভদ্র ভাষা ব্যবহার করুন। চমৎকার ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তুলুন। চেষ্টা করুন মন্তব্যের ঘরে যতোটা সম্ভব ব্যক্তিগতভাবে কথা বলার। পাঠক আপনাকে একজন চমৎকার এবং ভদ্র মানুষ হিসেবে পেলে তারা আপনার ব্লগে বারবার আসতে উৎসাহ বোধ করবেন।

মার্কেটিং

  • টুইটার, ফেসবুক ইত্যাদি ইন্টারনেট মার্কেটিং টুল ব্যবহার করে আপনার ব্লগকে প্রতিনিয়ত বিশ্বের কাছে আপডেটেড রাখুন।
  • যতোটা সম্ভব নিয়মিত পোস্ট করুন এবং সেগুলো বিভিন্ন সোশাল কিংবা লিঙ্ক শেয়ারিং সাইটে তুলে দিন।
  • ব্যক্তিগতভাবে আমি টুইটারের একজন অন্ধ ভক্ত। আমার সাইটের অধিকাংশ ভিজিটর আসেন টুইটার থেকে। সুতরাং, আমি টুইটারকে ব্লগ মার্কেটিংয়ের একটি শক্তিশালী মাধ্যম বলে দাবি করবো।

অপটিমাইজেশন

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন নিয়ে হাসান ভাই বরাবরই এই ব্লগে লিখে আসছেন। মূলত সেগুলোর উপরই বিস্তারিত কথা বলেছেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আড্ডায়। তাই এই বিষয়ে আর কিছু বলছি না। যদি তবুও জানার আগ্রহ থাকে, এই পোস্ট থেকে দেখে নিন।

Focus the World

খারাপ লাগলেও কিছু করার নেই। টাকা আনতে হলে বিশ্বকে টার্গেট অডিয়েন্স নির্বাচিত করতে হবে। আর সেজন্য জানতে হবে ভালো ইংরেজি। ব্যয় করতে হবে ইংরেজিতে প্রচুর সময়। এ সংক্রান্ত পূর্বে প্রকাশিত একটি পোস্ট সাহায্য করবে বলে আশা করি।

THE BIG THING — MONEY!!!

টাকা! এই টাকার জন্যই এতকিছু। তবে অনেকেই মনে করেন অ্যাডসেন্স আয়ের একমাত্র পথ। এটি একটি চরম ভুল ধারণা। আপনার কাজ হচ্ছে একটি ব্লগ সাইটকে জনপ্রিয় করে তোলা। টাকা আসার অশেষ পথসমূহের মধ্যে কিছু হলোঃ

  • অ্যাডসেন্স জাতীয় কস্ট-পার-ক্লিক অ্যাডভার্টাইজিং।
  • অ্যাফিলিয়েট অ্যাডভার্টাইজিং। যেহেতু আপনার সাইট বা ব্লগ এখন জনপ্রিয়, আপনার প্রদত্ত অ্যাফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করে পাঠক নির্ধারিত কাজ (পণ্য ক্রয়, রেজিস্ট্রেশন ইত্যাদি) করবেনই।
  • প্রোডাক্ট রিভিউ। যদিও এই মার্কেটপ্লেস বর্তমানে খুব একটা জনপ্রিয় নয়, তবে আপনার ব্লগে যখন প্রচুর সংখ্যক পাঠক থাকবেন, তখন বিজ্ঞাপনদাতারা সরাসরি আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন রিভিউ লিখে দেয়ার জন্য। এভাবে রিভিউ লিখেও প্রচুর আয় করতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে ব্লগ মার্কেটিংয়ের উপর জোর দিতে হবে যাতে আপনার ব্লগ বিজ্ঞাপনদাতাদের চোখে পড়ে।
  • ডাইরেক্ট অ্যাডভার্টাইজিং। ব্যানার, সাইডবার ব্যানার, কিংবা লিংক অ্যাডভার্টাইজিংকে বলা হয় ডাইরেক্ট অ্যাডভার্টাইজিং। বিভিন্ন তৃতীয়-পক্ষ কোম্পানী আছে যারা আপনার হয়ে বিজ্ঞাপনদাতা খুঁজে দিবে। তবে আমার মতে নিজের ব্লগের জন্য বিজ্ঞাপনের পৃষ্ঠা রাখাই শ্রেয়। এতে চুক্তি হবে আপনার ও বিজ্ঞাপনদাতার মধ্যে। কোনো তৃতীয়পক্ষের প্রয়োজনই নেই।
  • এবং আরো বেশ কিছু উপায় যা ভবিষ্যতে আপনি নিজেই আবিষ্কার করবেন।

সবশেষে হাসান ভাইকে অনুরোধ করবো দেশ ত্যাগের আগে আরেকবার এমন একটি আয়োজন করতে। আর সেটা যেন অবশ্যই কোনো শুক্রবার হয়। হাসান ভাইয়ের এই নিঃস্বার্থ উদ্যোগ প্রচুর বাঙ্গালিকে পথ দেখাচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ব্যক্তিগতভাবে আমার বাসায় কম্পিউটার না থাকায় অ্যাডসেন্সে আমি খুব একটা ভালো করতে পারছি না। অ্যাডসেন্সে সফলতা পাবার অন্যতম মূলমন্ত্র, লেগে থাকতে হবে। পিসি না থাকায় আমার পক্ষে লেগে থাকাটা সম্ভব হয় না। তাই…. :(

হাসান ভাইয়ের মন্তব্য আশা করছি। আর সেইসঙ্গে গুছিয়ে বলতে না পারার মিথ্যা কথাটা বলার জন্য হাসান ভাইকে এই ব্লগ থেকে কতদিনের জন্য ব্যান করা যায় সেই বিষয়ে মতামত চাচ্ছি। ;)

এ ধরনের আরও কিছু পোষ্ট:

মন্তব্য করার আগে অনুগ্রহ করে এই ওয়েবসাইট ব্যবহারের নীতিমালাগুলো দেখে নিন এবং বাংলা ভাষায় মন্তব্য করুন। কেবলমাত্র ইমটিকন দিয়ে কিংবা ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশিত নাও হতে পারে।

{ 11 টি মন্তব্য… নিচের মন্তব্যগুলো পড়ুন অথবা মন্তব্য করুন }

1 mamun October 2, 2009 at 12:34 pm

অতিথি মানুষতো একেবারে ঘরের মানুষের মতই পোস্ট লিখলেন।অসাধারন

Reply

2 Farid Ahmed August 15, 2009 at 6:14 pm

Hasan vai
Dhaka’r baire thakar karone mobile theke likhsi,tai Bangla likhte parsina.
Niche Blogging ki jinish?Eta niye jodi bistarito 1 ta Article likhen?
Allah Hafez
.-= Farid Ahmed এর সর্বশেষ পোষ্ট >> BLACKBERRY 9700 WITH LATEST APPLICATIONS =-.

Reply

3 কামরুল হাসান August 4, 2009 at 11:04 am

সজিব ভাইকে ধণ্যবাদ তার সুন্দর পোেস্টর জন্য। এই সাইটটি আসলেই ব্লগারদের জন্য দারুন আকষর্নীয় এবং শিক্ষানীয় সাইট। ধীরে ধীরে এর resource সমৃদ্ধ হচেছ।

Reply

4 Shamim August 4, 2009 at 9:57 am

হাসান ভাই আবার দেখা করলে মন্দ হয় না। চলুন না আবার একটা আড্ডা হয়ে যাক।

Reply

5 জিন্নাত উল হাসান August 3, 2009 at 8:50 pm

পোষ্টটির প্রথম দু’প্যারার আমার সম্বন্ধে সুনাম /বদনাম বাদ দিলে, পোষ্টটি ফাটাফাটি হয়েছে। এজন্য সজীব একটা ধন্যবাদের দাবীদার।

ডোমেইন নিয়ে আমার মত হল, কারও কারও কাছে ডোমেইনের দাম অনেক লাগতে পারে। কিন্তু ইন্টারনেটে নিজের একটা পরিচয়ের জন্য প্রতিদিন মাত্র দু’টাকা খুব একটা বড় খরচ বলে মনে হয় না।

ব্লগস্পট বনাম ওর্য়াডপ্রেস
আমি চোখ বন্ধ করে ওর্য়াডপ্রেসের দলে। ডোমেইনের সাথে ব্লগস্পট একটি অস্থায়ী সমাধান। দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা ভাবনা করলে যেকোন ব্লগারের ডোমেইন এবং হোস্টিং থাকা একান্ত জরুরি।

সজীব যেমন টুইটারের অন্ধ ভক্ত, টুইটারে আমার রয়েছে তেমনি অরুচি। প্রতিটি বিষয়ই সজীব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছে, তাই আমার আবার আলোচনা নিস্প্রয়োজন।

পরিশেষে, আরেকটি পোষ্টে মন্তব্য করেছিলাম – আমি আপাতত ঢাকার বাইরে, যদি সময় পাই, যাবার আগে আরেকবার সবার সাথে দেখা করার ইচ্ছে আছে। তবে সেটা কোন তারিখে করতে পারব, তা এখনই বলতে পারছি না।

Reply

6 tintob August 4, 2009 at 1:08 am

হাসান ভাই, কেমন আছেন?
ভাই, নিজের হোস্টে ওয়ার্ডপ্রেস আপলোড করার পর ডাটাবেজ কীভাবে ক্রিয়েট করতে হয় তা যদি একটু ডিটেইলস লিখেন তাহলে খুব ভালো হয়।

Reply

7 শুভ্র চৌধুরী August 4, 2009 at 2:47 am

যদি আনুমতি দেন তো নীলফামারীতে(আনুমান করে) গিয়ে আপনার সাথে দেখা করি আশি। কারন আমরা ঢাকায় যেতে পারিনি সেকথা এর আগে আপনাকে জানিয়েছিলাম। আপনাকে ধন্যবাদ।

Reply

8 জিন্নাত উল হাসান August 4, 2009 at 5:40 am

আমি আসলে সৈয়দপুরে আছি… আপনি দেখা করতে পারেন। আমি হয়তো আগামী পরশু ঢাকায় চলে যাবো।

Reply

9 rawhasan August 3, 2009 at 12:25 pm

ব্লগার একটা ফালতু প্লাটফর্ম। একবার যদি টেমপ্লেট পরিবর্তন করা দরকার হয়, তখন বোঝা যায় ব্লগার কি জিনিস! এর একমাত্র প্লাস-পয়েন্ট হলো – এতে বিজ্ঞাপন ব্যবহার করা যায়। তাই ফ্রিতে প্রফেশনাল ব্লগ চাইলে ব্লগারের দিকে ঝুঁকা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না।

কিন্তু প্রফেশনাল ব্লগ চাইলে ডোমেইন এবং হোস্টিং কেনা ছাড়া কোন বিকল্প নেই। প্রথমে ফ্রি ব্লগের পেছনে শ্রম দিয়ে সাইটটাকে জনপ্রিয় করলে পরে আফসোস করতে হয় যে সেলফ-হোস্টেড ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ হলে কতটা সুবিধা পাওয়া যেতো।

অফ টপিকঃ ইমেইল সাবস্ক্রিপশনে বোধ হয় কোন ঝামেলা হচ্ছে। নতুন পোষ্টের কোন খোঁজ পাচ্ছি না।

Reply

10 tintob August 3, 2009 at 7:50 am

সজিবকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আড্ডার বিষয়গুলো এতো সুন্দর করে গুছিয়ে লেখার জন্য।
হাসান ভাইকে যদিও ব্যান করা দরকার এই মিথ্যার জন্য কিন্তু আমরাই তো সমস্যায় পড়বো উনি ব্যান হলে… :( । তারচে’ এক কাজ করি, আপাতত উপনাকে ব্যান না করে, আমরা আর একটু পন্ডিত হয়ে নিই, তারপর উনাকে আজীবন ব্যান করা হবে এরকম কথা বললে… ;) । কী বলেন?

ব্লগার দিয়ে যদিও আমার ব্লগ শুরু কিন্তু হাসান ভাইয়ের পোস্ট পড়ে ওয়ার্ডপ্রেসে শিখে দেখি এরচে’ সহজ আর কিছু হতে পারে না। এখন তাই ওয়ার্ডপ্রেস-এ-ই সময় দিচ্ছি।
ধন্যবাদ আবারও।

Reply

11 Lasik Reviews August 3, 2009 at 5:54 am

সজিব ভাই ! প্রথমে বলি আপনার লেখার হাত ভাল, পাশাপাশি কবিতা চর্চা করতে ভুলবেন না। লেখাটিতে শেখার অনেক কিছু আছে। ডোমেইন বিষয়ক কথা গুলো গুরুত্বপূর্ণ। যদিও আমি, ব্লগারের সাব ডোমেইনে অনেক বেশি সফল। নিজস্ব ডোমেইনের সাইটটিতে ভিসিটর তেমন নেই। হয়ত সে-কারণে ব্লগার-কে সেরা প্লাটফর্ম বলে মনে হয়। তা ছাড়া, ব্লগার না-হলে ওয়েব সাইটের খুটিনাটি অনেক বিষয় অজানা থেকে যেত। কারণ, ব্লগারে কাজ করতে গিয়ে ঠেকায় পড়ে অনেক শিখেছি। নিয়মিত বলতে আমি এখন দিনে ৪ থেকে ৫ টা পোস্ট দেওয়ার পক্ষে। কেননা, যত বেশি পোস্ট তত বেশি ভিসিটর। আর, যাদের আমার মতো ইংরেজিতে সমস্যা তারা ‘টিউটোরিয়ার’ নিয়ে ব্লগিং করতে পারেন। এতে বর্ণনা নিয়ে তেমন মাথা ঘামাতে হয় না। টুইটার থেকে ভাল ভিসিটর আসে, কিন্তু ফেইস বুক ফাউ মনে হয়। তা ছাড়া, stumbleupon থেকে ভাল ভিসিটর পাওয়া যায়। যেমন আমি কালকে একদিনে ওখান থেকে ২০০ মতো ভিসিটর পেয়েছি। পোস্টের পরে pingoat বা pingomatic ব্যবহার করে ping করা খুব অভ্যাস। তবে off-page অপটিমাইজেশন নিয়ে একটু সমস্যা আছে, লিংক বিল্ডিং নিয়ে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়।

Reply

র্পূববতী পোষ্ট:

পরবর্তী পোষ্ট: