![[অতিথি পোস্ট] ব্যাকলিঙ্ক, প্রয়োজনীয়তা কতোটুকু এবং ভাবনাচিন্তা কতোদূর](http://juhbn.s3.amazonaws.com/wp-content/uploads/2010/01/backlink1.jpg)
সবকিছুর বেলাতেই প্রয়োজনীয়তা বুঝে পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ। ওয়েবসাইট কিম্বা ব্লগের ক্ষেত্রেও ভিন্ন নীতি হওয়া উচিৎ নয়। অনেক ব্লগার আছেন যারা আপন মনেই ডায়রী লেখার মতো করে নিজের ভাবনাচিন্তার কথা লেখেন, কেউ বা গানের ব্লগ বানিয়েছেন, কেউ কেউ সিনেমা/নাটক/সফটওয়্যার ডাউনলোডের ব্লগ বানিয়েছেন, টেকি ব্লগাররাও আছেন। বিভিন্ন ধরনের ব্লগ এবং সেই অন্যযায়ী নির্ভর করে ব্যাকলিঙ্ক ও পেজর্যাঙ্কের প্রয়োজনীয়তা। ভেবে দেখুন দেখি, যিনি একান্তই তার নিজের ভাবনাচিন্তার প্রকাশ করছেন ডায়রী লেখার মতো, তার কি অনেক ব্যাকলিঙ্ক প্রয়োজন আছে? তাকে হয়তো এইসব ব্যাপারে চিন্তাই করতে হবেনা কারন তার সব লেখাই তার নিজের বলে লেখাগুলি সার্চ ইঞ্জিনের ভাষায় ‘ইউনিক’। তার লেখার মধ্যে বিতর্কিত কোনো বিষয় কিম্বা অত্যন্ত জনপ্রিয় কোনো বিষয় থাকলে অন্যান্য অনেক ওয়েবসাইট/ব্লগ থেকে তিনি ব্যাকলিঙ্ক এমনিতেই পেয়ে যেতে পারেন। তার অজান্তেই তার পেজর্যাঙ্ক বেড়ে চলবে, তিনি হয়তো তা জানতেও পারবেন না, কিম্বা অনেকদিন পরে জানতে পেরে মনে মনে খুশীই হবেন।
কিন্তু, অন্যান্য যেসব ধরনের ব্লগ, যেমন গান/সিনেমা/নাটক/সফটওয়্যার রিভিউ বা ডাউনলোড ইত্যাদির ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সামান্য আলাদা। বিষয়টি নিয়ে প্রচুর ব্লগার/ওয়েবমাস্টার প্রতিদিন নতুন নতুন সাইট বানাচ্ছেন। প্রতিযোগিতা সেখানে বেশি হয়ে যায়। টেকিদের ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার। দারুন প্রতিযোগিতা। সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজে (SERP) এক নম্বরে থাকার লড়াই লেগেই থাকে। টেকিরা যদিও বা ইউনিক লেখা লিখতে পারেন, গান/সিনেমা/নাটক/সফটওয়্যারের ব্লগে কিই বা এমন ইউনিক লিখবেন? অত্যন্ত কঠিন হয় এইসব পাতায় ইউনিক লেখা। প্রত্যেকটি গান নিজে শুনতে হবে, প্রত্যেকটি সিনেমা নিজে দেখতে হবে, তবেই রিভিউ লেখা সম্ভব হবে। আর সফটওয়্যার? বিভিন্ন সফটওয়্যারের নাম ধরে ধরে ডাউনলোড লিঙ্ক দিয়ে দেওয়া যতো সহজ, তার রিভিউ লেখা অতো সহজ হয়না। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে যেসব ব্লগের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বেশি, সেখানেই ব্যাকলিঙ্কের প্রয়োজনীয়তাও বেশি হয়ে পড়ছে। অনেক সময়েই দেখা যায়, অন্যদের আগেই একটি পোস্ট প্রকাশ করার তাড়ায় নিজের কিছু ইউনিক লেখারই সময় পাননা অনেকে। ফলে দেখা যায় যে পোস্টের লেখায় পড়ে রয়েছে গান/সিনেমার নাম, অভিনেতা/অভিনেত্রীদের নাম, সঙ্গীতকারের নাম ইত্যাদি, কিন্তু এই একই নামধাম উপস্থিত অন্য হাজার হাজার ব্লগে। তাড়াহুড়োয় ইউনিক কিছু লেখাই হলোনা, ফলে পরে মন খারাপ, প্রথম পাতায় স্থান হলোনা বলে। তখন মন চলে যায় বিভিন্ন ফোরামে, নেটওয়ার্কিং সাইটে গিয়ে লিঙ্ক দেওয়ার দৌড়ের দিকে।
প্রতিযোগিতার এই দৌড়ে প্রথমের দিকে স্থান পেয়ে যায় কারা? যারা বিনোদন বানিজ্যের কিছু ব্যাক্তিদের চেনেন, যারা গানের এলবাম কিম্বা সিনেমা রিলিজের আগেই সেই খবর পাচ্ছেন, যারা ছবির প্রিমিয়ার দেখার সুযোগ পাচ্ছেন, তারা অনেকটাই সময় পাচ্ছেন নিজেরা ঘরে বসে ইউনিক একটা রিভিউ লেখার। অনেক টেকি’রা আছেন যারা সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার কোম্পানীর সাথে যোগাযোগ রেখে চলেন, তারাও সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার রিলিজের আগেই খবর পান এবং রিভিউ লিখতে পারেন। (আমার কাছেও অনেক কোম্পানীর রিপ্রেজেন্টেটিভরা ইমেইল করেন রিভিউ লিখে দেওয়ার জন্য, বদলে তারা আমাকে তাদের সফটওয়্যারের ফ্রি লাইসেন্স দিতে চান)।
এর পরে ব্যাক্তিগত পর্যায়ের ব্লগাররা সেইসব লেখা দেখে তাড়াহুড়ো করে নিজেদের মতো করে ওই একই ভাষা সামান্য বদলে পোস্টে প্রকাশ করে দিচ্ছেন। লেখাটি হয়ে রইলো আধা ইউনিক আধা কপি করা। আর ব্যাকলিঙ্ক পাচ্ছে ওইসব ওয়েবমাস্টাররা যারা অন্যদের আগে সব লেখার সুযোগ পেয়েছিলেন। সুতরাং এই প্রথম সারির ওয়েবমাস্টার যদি না হতে পারেন, তাহলে গান/সিনেমা/সফটওয়্যারের ব্লগ বানানোর আগে দশবার ভেবে ব্লগিং শুরু করাই ভাল। ব্যাকলিঙ্ক পাওয়ার প্রচলিত টিপস অনুযায়ী প্রচুর অন্য ফোরামে আর ব্লগে মন্তব্য রেখে আসলেও আপনি একাই তা করছেন না, তাইনা? সুতরাং প্রতিযোগিতা সেখানেও! এতো পরিশ্রমের পরে বদলে কতোটুকু আপনি পুরষ্কার পান?
তবুও অনেকটাই সাফল্য পেতে পারেন, অন্যদের থেকে বাড়তি কিছুটা! তবে এর জন্য বাড়তি কষ্টও করতে হবে। ইউনিক কিছু করতে পারবেন। পাঠকও পাবেন বাড়তি। সব রিভিউ লিখে লিখেই করতে হবে তার কি কোনো মানে আছে নাকি? আজকাল মোবাইল ফোনে সুন্দর ভিডিও চিত্র করা যায়, উপযুক্ত ব্যবহার করুন সেটার! বাড়িতে বসে নিজেই ইন্টারভিউ দেওয়ার মতো করে রিভিউ রেকর্ড করুন, ইউটিউবে আপলোড করে দিন। এর পরেই দেখুন কেমন সাড়া মেলে। বাংলায় অভূতপূর্ব ব্যাপার এবং ইউনিক ব্যাপার হবে সেটা। কয়জন ব্লগার নিজেই ভিডিও বানিয়ে গান/সিনেমার ব্যাপারে এইভাবে রিভিউ দিতে পারেন? প্রতিযোগিতা এখানে কম। ইউটিউবে কি দেখেননি, অনেকেই ঘরের মধ্যে, টেবিলে বসে কিম্বা বাড়ির ছাদে হাঁটতে হাঁটতে ভিডিও রেকর্ড করে ফেলছে এবং আপলোড করে দিচ্ছে? সেইসব চ্যানেলের গ্রাহকসংখ্যা দেখেছেন?
টেকি ব্লগারদের সুবিধা আছে এই ব্যাপারে। লেখা নিজের হলে তার মান যেমন হয় উন্নত, তেমনি সকলের আগে লেখা প্রকাশের তাড়া থাকেনা, লেখার ধরন অন্যদের থেকে আলাদা হলেই অনেক ভালো হয়। ব্যাকলিঙ্ক আপনা হতেই আসে অনেক। এইসব ব্লগে প্রয়োজন পাঠকের প্রশ্নের উত্তর নিয়ে হাজির থাকা, সর্বদা তাদের সাথে যোগাযোগ রেখে চলা। এতেই অনেক অনেক জনপ্রিয়তার সৃষ্টি হয়। ব্যাঙের ছাতার মতো লাখ লাখ ব্লগ, টেকিদের ভক্তরা তাদের পাতায় লিঙ্ক করেই ফেলে। ব্লগে একটি Digg/Twitter/Facebook সাবমিট বোতাম রাখলে আরোই ভালো হয়। অনেকেই শর্ট লিঙ্ক দিয়ে ট্যুইটারে স্বয়ংক্রিয় ট্যুইট করেন, ফেসবুকেও তা করা যায়! ব্যবহার করুন সেটা। টেকি ব্লগাররাও ভিডিওর মাধ্যমে নিজেদের ইউটিউব দ্বারা ব্লগ/ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তা বাড়াতে পারবেন। এর জন্য আলাদা করে ভিডিও ক্যামেরা কিনতে হচ্ছেনা, মোবাইলের ক্যামেরা দিয়েই শুরু করে দিন। যেন আপনি ক্লাশে পড়াচ্ছেন, এইভাবে রেকর্ড করুন এবং ব্লগেও ওই ভিডিওর কপি এমবেড করে দেবেন। ইউটিউব চ্যানেলেই ভিডিওর বিবরনে ব্লগ পোস্টের লিঙ্ক দেবেন। এর পরে দেখুন ব্যাকলিঙ্ক কোথা কোথা থেকে উপচে পড়ে।
এইভাবে আপনি আপনার কাজ করে যাবেন, অন্যরা তাদের নিজেদের তাগিদেই আপনার দিকে লিঙ্ক পাঠাবে। পরিশ্রম সার্থক হবে, মজাও পাবেন, আপনার মূল্যবান সময়ের সঠিক পারিশ্রমিক পাবেন অনেক দিক দিয়ে। এইভাবে একটু ভিন্ন উপায় অবলম্বন করলেই আপনিও হয়ে উঠতে পারবেন নামীদামী ব্লগার, অন্যত্র গিয়ে আর মন্তব্য ছেড়ে আসার ভাবনা ভাবতেই হবেনা আর।
আমি একেবারেই বলছিনা যে অন্যদের ব্লগে/ফোরামে মন্তব্য করবেন না! অবশ্যই তা করবেন, সকলের সাথেই যোগাযোগ রেখে চলবেন। আমি বলছি যে নিজের কাজের মান উচ্চ থেকে উচ্চতর করুন, তাতে অন্যরাই আগ্রহী হবেন আপনার দিকে লিঙ্ক করতে, যার অর্থ আপনার জন্য মূল্যবান ব্যাকলিঙ্ক। আপনি আপনার কাজের মধ্যেই থেকে নিজের ব্লগের উন্নতি করতে করতেই ব্যাকলিঙ্ক পাবেন, আলাদা ভাবে কষ্ট করতে হবেনা, সময় বের করে রোজ dofollow ফোরামে/ব্লগে গিয়ে মন্তব্য রেখে আসার চিন্তাই করতে হবেনা যদি নিজের ব্লগ’কে নানাভাবে ইউনিক করে তুলতে পারেন।
উপরে ইউটিউবের একটি আইডিয়া আমি দিয়েছি, ভিডিও মার্কেটিং/পাবলিসিটি আজকাল অনেক চলছে, বাঙালী ব্লগাররা খুব একটা এর লাভ তুলতে পারেননি এখনও। শুরু করুন, চেষ্টা করতে করতেই হবে। নিজের হাতে উপস্থিত ইলেক্ট্রনিক গেজেটকেই কাজে লাগিয়ে এই কাজে লেগে পড়তে পারেন। অবসরে বসে এমন আরো উপায় ভেবে বের করুন, কাজে লাগান সেইসবকে।
অসীম সম্ভাবনাময় এই ইন্টারনেটে ‘ইউনিক’ কথার মানে শুধুই এই নয় যে আপনার লেখার ডুপ্লিকেট কপি আর কোথাও নেই। অন্য অনেক উপায়েই ইউনিক হওয়া যায়। শেষ করার আগে আরেকটি জরুরী কথা বলে শেষ করতে চাই। এই ইউনিক কথা রেশ ধরেই এই প্রসঙ্গে আসছি, অনেক বাঙালী ব্লগারদের মধ্যে প্রবণতা আছে যে তারা একই লেখা বিভিন্ন ব্লগে প্রকাশিত করেন। তাদের নিজেদেরই লেখা, তারা নিজেরাই টেকনিক্যালি ডুপ্লিকেট করে ফেলেন। তারা অনেকেই ভাবেন যে মূল লেখার মালিক যেহেতু তারাই, তাই ডুপ্লিকেট কেন হবে!
লেখার মালিক আপনিই, সেই বিষয়ে কথা নয়, কথা হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিনের রোবট এইটা বুঝবেনা যে লেখক একজনই। রোবট মানুষ নয়, তাই সে মানুষ দেখবেনা, দেখবে লেখাটি। রোবট হুবুহু লেখা পেলে সেটিকে ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট হিসেবেই ধরে নেবে। অল্প দুই চারটি শব্দ পরিবর্তন করে দিলেও লাভ হবেনা, গুগল রোবটের algorithm সম্বন্ধে যাদের ধারনা নেই, তারা শিউড়ে উঠবেন, ৭০-৭৫% বেশি লেখা হুবুহু পেলেই সেটাকে ডুপ্লিকেট ধরে নেবে রোবট। আমার অনুরোধ, নিজের লেখাকে নিজেই ডুপ্লিকেট বানিয়ে ফেলবেন না। যদি অন্যান্য ব্লগ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনেক পাঠকের কাছে লেখা পৌছে দিতেই হয়, তাহলে বড়জোর প্রথম প্যারাগ্রাফ কপি করে বাকিটা মূল লেখার দিকে লিঙ্ক করে দিন (আবারও ব্যাকলিঙ্ক)।
এ ধরনের আরও কিছু পোষ্ট:
- [অতিথি পোস্ট] পোস্ট রিভিশন: ডেটাবেজের অতিরিক্ত মাথাব্যথা – ঝেঁড়ে ফেলুন সব জঞ্জাল
- [অতিথি পোষ্ট] Guest Article হতে পারে আপনার ব্লগের ট্রাফিকের অন্যতম উৎস
- [অতিথি পোষ্ট] “তাতে কী?” পোস্ট প্রকাশ করার আগে পোস্টের কার্যকারিতা যাচাইয়ের মোক্ষম উপায়
- [অতিথি পোষ্ট] নতুন ব্লগের ঠিকানা সাবমিট করুন সার্চ ইঞ্জিনসমূহে
- [অতিথি পোষ্ট] স্পন্সর্ড পোস্ট লিখতে যেসব বিষয়ে লক্ষ্য রাখা জরুরি
- [অতিথি পোষ্ট] স্পন্সর্ড পোস্টও হতে পারে আয়ের আরেক উৎস
- [অতিথি পোষ্ট] অবশেষে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আড্ডা সফল : গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসমূহ
- [অতিথি পোষ্ট] ব্লগিং করে টাকা আয়ের প্রথম শর্ত : অভ্যাস বদলে ফেলুন
{ 21 টি মন্তব্য… নিচের মন্তব্যগুলো পড়ুন অথবা মন্তব্য করুন }
থাকতেও পারে, এই ব্যাপারে হাসান ভালো করে বলতে পারবেন মনে হয়
.-= রিয়া এর সর্বশেষ পোষ্ট >> বিনামূল্যে প্রচুর ব্যাকলিঙ্ক যেভাবে পাওয়া যায় =-.
আপু আমি আপনার সাথে সম্পূর্ন একমত। কোয়ালিটি কন্টেন্ট লিখতে পারলে ব্যকলিংক কারো কাছ থেকে ধার করে আনতে হয় না…………এমনিতেই এসে যায়।
.-= Shamim এর সর্বশেষ পোষ্ট >> Mostly Used Textile Chemical In a Textile Industry-Part 1 =-.
এ প্লাস দিলাম।
অনেক সুন্দর লেখা হয়েছে।
একদমে পড়ে নিছি। আমার সমস্যা হয়নি।
তবে পয়েন্ট আকারে দিলে লেখাটা পড়তে আরো মজা লাগত।
লেখাটি অনেক গুরুত্বপুর্ণ তাই অনেকেই এমনিতেই বুকমার্ক করবে।
আপনার ২টি লেখাই ভাল লাগল। আশা কিন্তু বাড়িয়ে চলেছেন।
তাই অনেক ছোট ছোট কিন্তু গুরুত্বপুর্ন বিষয়ে পোষ্ট দিবেন আশা করছি.
.-= কবীর এর সর্বশেষ পোষ্ট >> Free Technique to get more visitor by using Email Newsletter Subscription =-.
অনেকগুলো বিষয় পুরোপুরি জানতাম না। এখন কিছুটা জানলাম।
কাজের পোস্ট।ভালই লিখেছেন।
.-= EBRAHIM SHAH এর সর্বশেষ পোষ্ট >> Electrical current divider rule =-.
দারুন পোষ্ট। বিস্তারিত আলোচনা, ভালো লাগলো।
সার্চ ইঙ্গিন অপটিমাইজেশন এর ক্ষেত্রে আমি যে ব্যাপারগুলো গুরুত্ত দেই-
ইউনিক কন্টেন্ট——————————- ৭৫% গুরুত্ত
কীওয়ার্ড ইন কন্টেন্ট টাইটেল——————— ১০% গুরুত্ত
কীওয়ার্ড ইন ইউ আর এল———————- ০৫% গুরুত্ত
অন্যান্য অন-পেইজ অপটিমাইজেশন—————- ০৫% গুরুত্ত
ব্যাক লিংক/অফ-পেইজ অপটিমাইজেশন————- ০৫% গুরুত্ত
কিছুদিন আগে গুগল সার্চ ভেরিএবল এলগরিদম এর উপর একটা লেখা প্রকাশ করেছিলাম।
http://electronicworkshop.net/seo-tips/200-seo-factors-google%e2%80%99s-search-algorithm-variables
@হাসান ভাই,
আমি যতদুর দেখেছি ওয়ার্ডপ্রেস এ পোষ্ট টাইটেল/পোষ্ট হেডলাইন ই পেইজ টাইটেল হিসেবে দেখায়। কিন্তু এই পোষ্ট এ ২ টা ২ রক ম একটা বাংলা আরেকটা ইংলিশ। সোর্স কোড এ ও দেখলাম হেড এ টাইটেল ট্যাগ ২টা । একটু বিস্তারিত বলবেন কি কিভাবে এটা করা যায়।
.-= M. R. SOHEL এর সর্বশেষ পোষ্ট >> How to Donate to Haiti earthquake victims: Don’t donate to scammers =-.
All in One SEO Pack – এই প্লাগইন দিয়ে করা হয়েছে সম্ভবত।
.-= আরাফাত রহমান এর সর্বশেষ পোষ্ট >> How to Fix NetBeans jdkhome error =-.
খুব ভালো সোহেল! আপনি লক্ষ্য করেছেন বাংলা/ইংরাজীর ব্যাপারটা। আরাফত ঠিকই ধরেছেন, এসইও প্লাগ-ইন দিয়েই হয়।
.-= রিয়া এর সর্বশেষ পোষ্ট >> মটোরোলা শ্যাডো কি পরবর্তী গুগল নেক্সাস টু? =-.
আমিও All in One SEO Pack ব্যাবহার করি কিন্তু টেকনিক টা কি?
দুই তিন লাইনে বিস্তারিত বললে বুঝতে পারতাম।
.-= M. R. SOHEL এর সর্বশেষ পোষ্ট >> How to Donate to Haiti earthquake victims: Don’t donate to scammers =-.
All in SEO plugin ব্যবহার করলে title, meta description and meta keywords বসানোর সুবিধা পাওয়া যায়।
এখন সাধারণ নিয়মে আর্টিকেলের টাইটেলটি বাংলায় লেখা হয়েছে এবং তার ইংরেজি ভার্সনটি All in SEO এর title অপশনে বসানো হয়েছে।
I got the point. And who are not clear yet read this one
http://www.shoutmeloud.com/optimize-post-title-for-readers-and-search-engine.html
.-= M. R. SOHEL এর সর্বশেষ পোষ্ট >> How to Donate to Haiti earthquake victims: Don’t donate to scammers =-.
ঝাক্কাস একটা পোস্ট। খুব সুন্দর এবং সহজ ভাষায় খুব সুন্দর ব্যাখ্যা।
ধন্যবাদ আপনাকে
.-= Nazir Hossain এর সর্বশেষ পোষ্ট >> Check Your Institutes Tier 4 Status =-.
কিছু বিষয়ে পরিস্কার ধারনা পাওয়ার মত একটি পোষ্ট। তবে লেখাগুলো এত ধারাবাহিক না করে টাইটেল দিয়ে পয়েন্ট আকারে লিখতে আরো সহজ হবে পরিস্কার ধারনা পাওয়ার।
.-= Rajibul এর সর্বশেষ পোষ্ট >> How to use excel page setup sheet =-.
পয়েন্ট আকারে দিতে গেলে লেখা আরো ছোট করতে হবে আমাকে। নইলে বুঝিয়ে লিখতে গেলে অনুচ্ছেদ ভাগ করতে হবে। কোনটা হলে সুবিধা হয় বলুন?
.-= রিয়া এর সর্বশেষ পোষ্ট >> মটোরোলা শ্যাডো কি পরবর্তী গুগল নেক্সাস টু? =-.
ভালো লাগলো।অনেক কিছু জানতে পারলাম।
পোস্টা টা খুবই কাজের, বিশেষ করে যারা এই বিষয়ে হাতে খড়ি নিচ্ছে তারা শুরুতেই একটা ব্যাপক ধারনা পাবে। তবে আমার রিয়ার প্রতি অনুরোধ যদি পোস্টের লেংথ কিছুটা ছোট করে ২ পর্বে দেয়া যায় তাহলে আইলসা ব্লগারদের সুবিধা হয়
.-= blues এর সর্বশেষ পোষ্ট >> Study in Japan: SISF Foundation Scholarship 2010 =-.
আপনি আইলসা ?
.-= জাহিদ এর সর্বশেষ পোষ্ট >> Free RapidShare/MegaUpload premium account. =-.
এইটা ঠিক দুই/তিন ভাগে লেখার মতো কিছু ছিলোনা। আমি বলবো যে এই ব্লগে যারা নিয়মিত, একবারে পড়ে শেষ করতে না পারলে বুকমার্ক করে রাখুন লেখা, এতে সুবিধা এই যে আগের ভাগে কি ছিলো সেটা আবার পড়তে হলে আগের লেখা খুঁজতে হবেনা তালিকা থেকে।
.-= রিয়া এর সর্বশেষ পোষ্ট >> মটোরোলা শ্যাডো কি পরবর্তী গুগল নেক্সাস টু? =-.
হুম বেকলিঙ্ক এর ব্যাপারে কিছু ইউনিক আইডিয়া পেলাম।
সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোর প্রতি অনেক চেষ্টা করেও কেন জানি আগ্রহ জন্মাতে পারি না।বিশেষ করে টুইটার।তাই হাসান ভাই বা ব্লগের অন্য কোন ব্লগারের প্রতি অনুরোধ রইল টুইটার বিষয়ক একটা পোষ্ট দিতে।বিশেষ করে রিয়া আপু যেটা বললেন,”অনেকেই শর্ট লিঙ্ক দিয়ে ট্যুইটারে স্বয়ংক্রিয় ট্যুইট করেন, ফেসবুকেও তা করা যায়! ব্যবহার করুন সেটা।”-এই বিষয়টি আজকাল কমন একটা ব্যাপার হয়ে গেছে যা বেশ কিছু পাঠক এনে দেয়।অন্তত এই বিষয়টি নিয়ে টিপস চাচ্ছি।
ভাল লাগল অনেক অনেক সুন্দর হয়েছে লেখাটা লেখাটা পয়েন্ট/বুলেটের সাহায্যে একটু ভেঙ্গে নিলে পড়তে আরাম পেতাম।যাই হোক… তবে একটা বিষয়ঃ নিজের লেখা অন্য ফোরামে পোষ্ট করে দেওয়াতে আমি দোষের কিছু বা এতে কোন সমস্যার কিছু দেখছি না।এর জন্য যা করতে হবে তা হল নিজের লেখাটা প্রকাশ হওয়ার পর গুগলেকে/অন্য সার্চ ইঞ্জিনকে সময় দিতে হবে আপনার সদ্য প্রকাশিত লেখাটা ক্রল হওয়ার জন্য।তাই নিজের লেখা প্রকাশের কমপক্ষে ৭ দিন পর তা অন্য ফোরামে নিজের লেখার আসল লিঙ্ক সহ পোষ্ট করে আসুন।এতে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ভ্যালু না থাকলেও প্রচুর পাঠক পাওয়া যায়।আমি যেমন চেষ্টা করছি আমার ব্লগের কিছু লেখা, রিলেভেন্ট একটা চাইনিজ ফোরামে গিয়ে গুগল ট্রান্সলেটর দিয়ে ট্রান্সলেট করে তা সেখানে মূল লিঙ্ক সহ পোষ্ট করে দেওয়ার।আর যারা সফটওয়্যার/গানের ডাউনলোড লিঙ্ক সহ সাইট বানাতে চান তাদের প্রতি কপিরাইট ভাঙ্গার বিষয়টি ভেবে দেখবার বিনীত অনুরোধ রইল।বিনা নোটিশে আপনার সাইটটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।