বাঙ্গালী একটি অসাধারণ জাতি!
বিশেষ বিশেষ স্থানে আবেগপ্রবণ হয়ে যায়। যেমন ধরুন, বাংলাদেশ বনাম পাকিস্থানের ক্রিকেট ম্যাচ হচ্ছে, একদল হুংকার দেয় যে তারা বাংলাদেশের সমর্থক। কারন পাকিস্থান ৭১ সালে এদেশের মানুষের উপর অত্যাচার করেছে। অথচ তারাই দেখা যায়, ৩৬৪ দিন আফ্রিদি আফ্রিদি বলে চেঁচায়।
ইংরেজী শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিতে বলা হলে বলে সকল ক্ষেত্রে বাংলার প্রচলন শুরু করার কথা। অথচ এরাই বাংলায় “পার” আর “পাড়” মধ্যের উচ্চারণ পাথর্ক্য জানে না। আর নরসুন্দরকে বলে আকষর্ণীয় পুরুষ মডেল। “মন চায়”-কে বলে “মঞ্চায়”।
তেমনই আমাদের এক বাঙ্গালী ভাই হলেন মো: আবুল কালাম আজাদ, উনি সামহোয়ারইনের ব্লগার। সম্প্রতি তিনি একটি পোষ্টে গুগল চলবে ডালে ডালে, আমরা চলবো পাতায় পাতায় এডসেন্সের টেকনোলজিতে ফাঁক খুঁজে পেয়ে সঙ্গীসাথী জোগাড়ে নেমেছেন যাতে মাসে ১০০ ডলার পযর্ন্ত কামাতে পারেন।
তার টেকনোলজির নাম বাঁশ টেকনোলজি, যদিও তিনি লিখেছেন বাশ টেকনোলজিতে। কি এই বাঁশ টেকনোলজি?
কি? কি?? কি???
চলুন তার কথাতেই জানা যাক, বাঁশ টেকনোলজি কি?
সবার উদ্দেশ্যে কইতাছি। আমরা মাছে ভাতে বাঙালী। যেখানে সিস্টেম আছে, সেই খানে সিস্টেমের ব্রেকও আছে। যারা এই দুঃসাহসীক অভিযানে অংশগ্রহন করতে চান তারা আমার নাম্বারে ********** যোগাযোগ করুন। কারণ ১৯৭১ সালে বাঙ্গালীর হাতে কিন্তু অস্ত্র ছিলনা। ছিল বাশ। আমরা লাগলে গুগলের সাথে বাশ টেকনোলজি লাগাবো।
বুঝলেন এবার দেশপ্রেম কি জিনিস? গুগলের বিরুদ্ধে তিনি মুক্তিযুদ্ধে নামছেন। বাশ হাতে তিনি গুগলকে প্রতিহত করবেন! ওয়াও!
আমি ভুল করে তাকে একটু জ্ঞান দিতে গিয়েছিলাম, ফলাফল হল নিন্মরুপ:
কি করা লাগবে সেটা আমি বুঝবো। না জেনে কোন ফন্দি করিনি। যারা এব্যাপারে কম বুঝেন তারা আইসেন না। গুগলের থ্রেটের এত্ত ভয়? গুগল ভয় দেখায়, আর আপনি শিশু করেন। এত্ত ভয় থাকলে আপনাকে এইখানে আসতে কইছে কে? ভাগেন মিয়া। যাইয়া লেপের নিচে ঢোকেন।
উনি যতদূর সম্ভব বলতে চেয়েছেন আমি নাকি গুগলের ভয়ে হিসু করি, যদিও লিখেছেন শিশু করি! এই কে কোথায় আছিস আমাকে ধর!
জ্বি ভাই, আমি প্রত্যেকদিনই হিসু করি, তবে গুগলের ভয়ে নয়, প্রকৃতির প্রয়োজনে। কিন্তু আপনি যে পাতায় পাতায় বাদঁরের মতো চলার কথা বলেছেন তা কিসের প্রয়োজনে? ডারউনের মতবাদ প্রমাণের জন্যে!
{ 15 comments… read them below or add one }
প্রথম আলো ও সামহোয়্যার এ আগের মত ভাল পরিবেশ নেই। ওখানে কাজের কথার চেয়ে বাজে কথাবার্তা বেশি হয়। তাই আর ওসব ব্লগে যেতে মন চায় না। আপনার ব্লগেই বেশি আসা হয়। হাসান ভাই, কতগুলো বাজে লোকের কারণে আপনি প্রভাবিত হবেন না। এটা আপনার কাছে আপনার একজন শুভাকাঙ্খীর request. ওরা তো এটাই চায় যে আপনি ওদেরকে গুরুত্ব দেন। আপনাকে ভালবেসেই কথাগুলো বলা। আমার কমেন্ট এ আবার কিছু মনে করবেন না।
আচ্ছা হাসান ভাই abconlineservices.com এর কি হয়েছে জানেন ?
আমার মতে কোথাকার কোন আবুলের পোস্ট আমাদের পড়ার কি দরকার।
যদিও এটা আপনার ব্লগ তারপরও আমি বলব যে পোষ্টটা তুলে নেন।
Its a highly request to You. Because We love your blog.
দুই লা্ইন লিখেই যদি এই ব্লগের পাতায় আবুলের স্হান হয় এবং
আবুলের সামু পোষ্টে সর্বাধিক মন্তব্য পাওয়া যায় আর আমরা আপনার ব্লগে লিখা জমা দেবার সাহস পাইনা।
আসলে লোকজনের উপকার নিজে গিয়ে করতে নেই।
আমার মতে আপনার ওখানে ওই ছাগলের ব্লগে কমেন্ট করাটাই ভূল ছিল।
আসলে যারা এডসেন্স থেকে সত্যিকারে ইনকাম করতে চায় তারা কেউই ওইসব লেখার ফাঁদে পা দিবে না।
যারা সত্যিকারে ইনকাম করতে চায় তারা আপনার মত ব্লগারের কল্যানে এখন তা অনেকটাই বুঝে গেছে।
আমার মন্তব্য আপনার খারাপ লাগলে আমি আন্তরিকভাকে দু:খিত।
আবুল কালাম ভাইয়ের ব্লগের লিংক টা দিতে পারেন ? একটু পড়ে আসতাম।
পোষ্টের ভেতরেই তার ব্লগের লিংক দেয়া আছে
যা ই বলুননা কেন হাসান ভাই বাশ টেকনোলজিতে আবুল কালাম আজাদ ভাই যে ছবিটা ব্যবহার করেছেন ওনার পোস্টে তা আসলে মারাত্মক হাস্যকর। হা হা হা……
লেখাটা পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেল।প্রথমে ভেবেছিলাম অতিথি পোষ্ট পরে দেখি আমাদের সেই পরিচিত হাসান ভাইয়ের লেখা।এই ধরনের লেখা হাসান ভাই তার ব্লগে লিখবেন আমার চিন্তার বাহিরে ছিল।বিনীত অনুরোধ করছি অতি সত্বর এই ধরনের জঘন্য লেখা, ব্যক্তিগত আক্রস এই সুন্দর একটা ব্লগে জুড়ে দেবেন না।এর বেশি কিছু বলার নেই।দঃখিত…
আমি আপনার কথায় একমত। আপনার কমেন্ট অনেক ভাল লাগল।
আপনার কমেন্ট অনেক ভাল লাগল।
লেখাটি যে আমি কেবল ব্যক্তিগত আক্রোশ ঝাড়তেই লিখেছি, তা না। আমি কিছুটা কৌতুকের আশ্রয় নিয়েছি, সেটা বোধ হয় আপনার চোখে পড়েনি। এটা আমার ব্যক্তিগত ব্লগ, তাই আমার ব্যক্তিগত অনুভূতিটুকু লিখতে চেয়েছি।
এখানে না লিখে সামহোয়ারইনে লিখতে পারতাম, ওখানে আরও বেশি আলোচনা হতো, ওখানে আরও বেশি গালমন্দ হত। সেটা কি ভাল দেখাতো?
ভাল-খারাপ মিলেই তো মানুষ। দেখুন, আমি কোনো মহাপুরুষ না। আমি আনন্দ, সুখ, দু:খ, রাগ, ক্ষোভের উর্ব্ধে নই।
লেখাটি সত্যিই জঘন্য হয়েছে?
হাসান ভাই, আমি মন্তব্যটা যে কতটুকু আবেগ আর শ্রদ্ধাবোধের জায়গা থেকে লিখেছি তা বোধ হয় ধরতে পারেন নি।এই ব্লগের সবাই আপনাকে কী পরিমান শ্রদ্ধা করে তা আপনার জানা নেই।যাই হোক, আপনার ব্যাক্তিগত ব্লগে অযাচিত মন্তব্য করায় ব্লগের সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।সামনে নিজেকে শুধরে নেবার প্রতিশ্রতি রইল…
হা হা মজা পাইলাম।……..:)
উনি নিজেই কবে বাঁশ খায় আল্লাই জানে ।
হাসান ভাই ওরে এই মন্তব্যটা করে দিয়ে এলাম দেখেন তো আপনি বুঝেন কিনা বুঝনে মনে কিছু নিয়েন না।
“ভাইজান এটা শুধু যদি নিজের লেখার মন্তব্য বাড়ানোর জন্য লিথে থাকেন তবে ঠিক আছে। আর যদি তা না হয়। তবে বিয়ে করতে চাইলে দাদা নানা রা একটা গল্প করত আপনি সেটা জানেন কিনা জানিনা। না জানলে শুনুন তারপর বুঝতে পারবেন আমি কি বলছি। “
হাসান ভাই,
আমাদের এলাকায় একটা কথা আছে “কুয়ার ব্যাঙ”।
মানে কুয়ার ব্যাঙ মনে করে সারা পৃথিবীতে মনে হয় এই টুকুই পানি আছে।
আবুল কালাম আজাদ ভাইয়ের অবস্থাও তাই হয়েছে।