বছরের পরিক্রমায় প্রতি বছরই একবার একুশে ফেব্রুয়ারী আসে আবার চলে যায়। কিন্তু এই মহান একুশের চেতনা কি আমরা আমাদের প্রত্যাহিক জীবনে কাজে লাগাতে পেরেছি? ভাষা শহীদেরা যে ভাষার জন্য নি:শেষে প্রাণ বিসর্জন করে গেছেন, সেই ভাষার মর্যাদা কি আমরা রাখতে পেরেছি?
চলুন না অন্তত আজকের এই দিনে একটু শুদ্ধ করে কথা বলি, একটু সঠিক বানানে বাংলা লিখি।
এই ধরনের আরোও কিছু পোস্ট:
No related posts.
{ 12 comments… read them below or add one }
সাংস্কৃতির আগ্রাসন নামে একটা কথা আমাদের মাঝে এখন বহুল প্রবলিত। এই বিষয়ে গুলোতে আমার মতামত লিখতে গেলে সব সময় দেখেছি তা অনেক বিশাল আকার হয়ে যায়।মন্তব্য আকারে যা শোভন নয়, পোষ্ট আকারে শোভন। হাসান ভাইয়ের এই ব্লগটাকে পোষ্ট আকারে এগুলো লিখা যায় কিনা আমার কাছে তা অস্পষ্ট। ছোট আকারে লিখার চেষ্টা থেকেই যদি বলি, এই প্রবল বিশ্বায়নের যুগে সাংস্কৃতির আগ্রাসন থেকে মুক্তির কথাটা বলাটা বোকামী এবং সরিয়ে রাখাটা নিজেদের পিছিয়ে রাখা। তবে কি এগুলোকে মেনে নেবো? আমি এই বিষয়টিরও পক্ষে নয়। আমার কথায় যদি বলি আমি পৃথিবীর সকল ভালো কে গ্রহণ করব পুরোপুরি বাংলাদেশী থেকে। অপরের সাংস্কৃতিকে গ্রহণ করতে গিয়ে নিজের প্রকৃত জাতীয়বোধ যারা ভুলে গিয়ে বিজাতীয় নেশায় মাতে তাদের আমি ঘৃণা করি। অন্যের সাংস্কৃতির ভালোটুকু যেভাবে নিজের মাঝে গ্রহণ করব তার থেকে সামান্য বেশী হলেও নিজের সাংস্কৃতিকে অন্যের কাছে পরিচিত করে তুলব।
একটা বিষয় না শেয়ার করে আর থাকতে পারলাম না।আমার জন্য দিনটা আরো একটা কারনে স্পেশাল।কারনটি হল আজ এই অধমের শুভ জন্মদিন।সকালে ফুল দিয়ে এসে গেলাম পুরান ঢাকায়।সেখানে ফ্রেন্ডরা মিলে খাওয়া দাওয়া আর কেক কেটে এই এলাম।শুভ লগ্নে সবার প্রতি শুভেচ্ছা আর এক রাশ ভালোবাসা রইল।ভাল থাকুন সবাই।
শুভ জন্মদিন… আগামী ১০০ বছরের জন্য শুভ কামনা রইল।
মাত্র আসলাম শহিদ মিনার থেকে। অনুভুতি ভাষায় প্রকাশের বাইরে।
”একটি ঘোষনা- TODAY IS INTERNATIONAL MOTHER LANGUAGE DAY”
ভাই, সত্যি এটা আমার কথা না……….. এটা আমাদের “ডিজিটাল নোয়াখালী”র এক ক্ষমতাসীন দলের নেতার কথা……………………..
ভাষা শহীদদের প্রতি রইলো আমার চির কৃতজ্ঞতা। তবে আজকে আমি শহিদ মিনারে যেতে পারিনি। সে জন্য খারাপ লাগছে।
শহীদদেরকে সম্মান জানাতে শহীদ মিনারে যেতে হয় না, আপনি মনে মনেই তাদেরকে তাদের প্রাপ্য সম্মান দিন, তাতেই তাদের আত্মত্যাগ সফল হবে।
ভাষা শহীদের জন্য রইল চির কৃতজ্ঞতা।
কিন্তু এভাবে এর কত কাল আমরা তাদের ত্যাগের প্রতিদান দেব?
আগেই দেখেছি, ভাষায় প্রকাশের অযোগ্য।
শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে আসুন বাসায় গিয়ে হিন্দি চ্যানেল দেখি, আজ তো ছুটির দিন অফিসে যেতে হবে না।
ভাইয়া বিদেশী চ্যনাল দেখতে ক্ষতি নেই কিন্তু এগুলোর প্রতি আসক্ততা আমাদের মাতৃভাভাষাকে সত্যিই ক্ষুন্ন করছে।
একদম মনের কথা বলেছেন রাইফুর ভাই।এ মাস এলে বুদ্ধিজীবিদের ভাষার প্রতি দরদ দেখলে হাসি পায়।সবার প্রতি একটাই অনুরোধ অপ্রয়োজনে ইংরেজী ব্যবহার করে বাংলিশ ভাষা বানাবেন না।অনেকেই অধিক স্মার্টনেস প্রমানের জন্য প্রতি লাইনে লাইনে ইংরেজী শব্দ ব্যাবহার করে।আবার ফারুকি জেনারেশনের পোলাপাইন আজকাল মামা,হালা ইত্যাদি নিম্নস্তরের শব্দ ব্যাবহার করে একজন আরেকজনের সাথে কথা বলে এটাও শোভনীয় নয়।আর রেডিও টেলিভিশনে বাংলা শব্দগুলোকে যেভাবে উচ্চারনে করা হয় তা অনৈতিক।সবাই যেন শুদ্ধ ভাবে নিজের মাতৃভাষায় কথা বলি এই কামনা রইল।