অনস্বীকার্য একটি প্রসঙ্গ যা কম বেশি আমাদের সবাইকেই ভাবনার মধ্যে রাখে সর্বক্ষণ, কিভাবে ব্লগার হিসেবে সফল হবো। এখন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের অনেকটা অংশ ব্লগ বানিয়েছেন এবং সফল হতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। চতুর্দিকে নানা মতামত পড়তে পড়তে পাঠক বিচলিত, পরামর্শ মতো সবকিছু করার পরেও কেন আয় বাড়ছেনা! এর কারন কি? কি করলে আয় বাড়বে? প্রত্যহ এমন প্রচুর ইমেইল আসে যারা খুঁজছেন সাফল্যের বিশেষ কোনো ফরমূলা।
বিষয়টি ক্রমশ জটিল হয়ে পড়েছে তার কারন আগেকার দিনে ব্লগারদের যা ভাবতে হয়নি আজকের ব্লগারদের সেইসব ভাবতে হচ্ছে। ব্লগারের সংখ্যা বেড়েছে, সেইসাথে বেড়েছে টেকনিক্যাল বিষয়ে চিন্তাভাবনা। ব্লগের ডিজাইন, সার্চ ইঞ্জিনে উচ্চ থেকে উচ্চতর স্থান পাওয়ার দৌড়, ব্লগের বিষয়বস্তু ইত্যাদি ভাবনায় আজকের ব্লগার রীতিমতো জর্জরিত, ফলে ব্লগিং মাথায় উঠেছে।
সাফল্যের চাবিকাঠি, সহজ কথায়।
অকারন জটিলতা এড়িয়ে চলুন
একটি ব্লগ খুলেছেন? প্রথমে কিছুদিন ব্লগে লিখুন, অন্ততপক্ষে ১-৩ মাস তো বটেই! মনে করুন নিজের একটি বাড়ি বানিয়েছেন ইন্টারনেটে, আগে সেখানে থাকতে শুরু করুন, একটু গুছিয়ে নিয়ে নাহয় পরে টেকনিক্যাল দিক নিয়ে ভাববেন? ততোদিনে গুগল/বিং/ইয়াহু আপনাকে চিনে যাবে ইন্টারনেটে তাদের পাড়ায় নতুন প্রতিবেশী এসেছে!
সার্চ ইঞ্জিনগুলিকে একটু সময় দিন
ইন্টারনেটে ব্লগ পাড়ায় নতুন এসেছেন, এলাকার নামীদামী যারা, তাদেরকে একটু সময় দিন আপনাকে চেনার। গুগল/বিং/ইয়াহু ইত্যাদি সার্চ ইঞ্জিনকে ভড়িয়ে দিন আপনার লেখা দিয়ে, ওরা শীঘ্রই আপনাকে চিনে নেবে! ব্লগ পাড়ায় ভালো একজন প্রতিবেশী এসেছে দেখলে সার্চ ইঞ্জিনগুলো আপনার কথা অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দেবে, সেটাই তাদের কাজ, তাদের পেশা! এই নিয়ে আপনি ভাবছেন কেন?
অন্য ভালো প্রতিবেশীদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করুন
ব্লগ পাড়ায় নতুন এসেছেন, গুছিয়ে বসেছেন, এবারে অন্যান্য মান্যগণ্য ব্লগারদের সাথে আলাপ করুন, তাদের ব্লগ বাড়িতে যান, তাদেরকেও আমন্ত্রণ করে আসুন। আর হ্যাঁ, ফিরে আসার আগে তাদেরকে সঠিক মান্যতা দিয়ে আসুন মন্তব্যের আকারে। সম্মান দিলে নিজের অসম্মান হয়না, বরং তাতে সুসম্পর্ক তৈরী হয় এবং সুন্দর যোগাযোগ স্থাপন হয়। নিজেকে এগিয়ে দিন, অন্যেরাও এগিয়ে আসবে। এইভাবে সকলের মাঝে একজন হয়ে উঠুন।
সাধারন জনতার সাথে মিশে যান
শুধুই কি গন্যমান্যদের সঙ্গেই আলাপ সারবেন? নাঃ, বাকিদেরকেও ভুলে যাবেন না যেন! উপর মহলে যোগাযোগ রাখতে গিয়ে সাধারন জনতার থেকে দূরে সরে গেলে সমস্যা হবে কারন তারাই আপনাকে দেবে ব্যাকলিঙ্ক। ভিআইপি’দের ব্যাকলিঙ্ক পেতে সময় লাগবে, তার আগে সাধারন জনতার মধ্যে অন্যান্য ব্লগারদের মাঝে নিজেকে ছড়িয়ে দিন। অনেক বন্ধু পাবেন।
অনেক তো লিখলাম, এর পরে কি?
বেশ কিছুদিন লেখা হয়ে গেলে তখন একটা সময় আসবে নিজেই দেখতে পাবেন যে ব্লগে কিছু সুবিধা যুক্ত করতে মন চাইবে, পাঠকও কিছু সুবিধা দাবী করতে পারেন। নিজের পছন্দের নয়, পাঠকের প্রয়োজনের সুবিধাগুলি যুক্ত করুন ব্লগে। এইভাবে পাঠককে উৎসাহিত করুন আপনার ব্লগ বাড়ির বিভিন্ন দিক চিনে নিতে, সাহায্য করুন তাকে বিভিন্ন ইউজেট দিয়ে। এতে ধীরে ধীরে আপনার ব্লগে পাঠকের উপস্থিতির সময় বাড়বে; time on site বাড়বে, pageviews per user বাড়বে এবং সেইসাথে bounce rate কমবে।
৩ মাস লেখা হয়ে গেল, SEO’র কথা বলছেন না কেন?
এতোদিন লিখতে লিখতে আপনি প্রচুর কন্টেন্ট তৈরী করে ফেলেছেন, হয়তো খেয়াল করেই দেখেননি যে আপনার অজান্তে সার্চ ইঞ্জিন আপনাকে অনেকাংশেই অন্যদের থেকে এগিয়ে নিয়ে রেখেছে! SEO না করেই অর্দ্ধেকটা পথ অতিক্রান্ত করে ফেলেছেন। আর বাকিটা? ওই যে, এতোদিন অন্যান্য নামীদামীদের ব্লগে গেলেন, অনেক কিছু পড়লেন, মন্তব্যও করে এলেন, শিখেছেন না অনেক কিছু? সেইসবেরই খানিকটা প্রয়োগ করতে শুরু করুন এবার, উপযুক্ত সময় এটাই। তবে হ্যাঁ, মনে রাখবেন যে সব জ্ঞান একসঙ্গে প্রয়োগ না করাই শ্রেয়; আর, অতি সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট সেকথাও মাথায় রাখবেন। জ্ঞান প্রয়োগ করুন, ধাপে ধাপে যেমন স্কুলে অ-আ-ক-খ শেখায়; কোনো কিছুর অতিরিক্ত মাত্রায় প্রয়োগ করবেন না।
ব্লগ ডিজাইনের কি হবে?
এই সময়েই আগে/পরে করে ব্লগ ডিজাইনের দিকেও নজর দিন। এতোদিনে নিশ্চয় একটা আভাস পেয়েছেন আপনার ব্লগে কেমন সাড়া পাচ্ছেন, যদি মনে করেন চালিয়ে যেতে পারবেন, বিষয়বস্তু বদলাতে হবেনা, তখন ভালো প্রফেশনাল চেহারার ব্লগ ডিজাইন বেছে নিন। দেখতে হবে মনোরম, লোড হবে তাড়াতাড়ি, এমন থিম নেবেন। রঙের ব্যাপারে সাবধান, চোখে লাগার মতো রঙ নেবেন না, এতে পাঠকের চোখের উপরে চাপ ফেলা হবে। কমপিউটারের সামনে বসা প্রতিটি ইউজার আজকে স্বাস্থ্যজনিত কারনে ভুগছে, এর উপরে বাড়তি চাপ না বাড়ানোই ভালো।
হোমপেজ কেমন হলে ভালো হয়?
হোমপেজে ছবি কম রাখুন, পোস্টের সারাংশ রাখুন, তারও অতিরিক্ত অংশগুলি সহজে খুঁজে পাওয়ার জন্য উইজেট রাখুন বুদ্ধি করে, আর্কাইভে যেন পুরোনো লেখা উপরে থাকে এবং সাম্প্রতিক লেখা নিচের দিকে থাকে। কেন? কারন হোমপেজে সাম্প্রতিক সব লেখার সারাংশ তো রাখছেনই? এছাড়াও রখুন পাঠকদের পছন্দের শীর্ষস্থানীয় কিছু লেখার লিঙ্ক। আপনি ব্লগ এডমিন হলেও আপনার হোমপেজকে দেখুন পাঠকের নজর দিয়ে, কি চান, সাজান সেইভাবে।
ট্র্যাকিং করবো না?
হ্যাঁ নিশ্চয় করবেন! তবে সেটা ঘটা করে হোমপেজে দেখানোর প্রয়োজন নেই। আপনার ব্লগের পারফরম্যান্স রিপোর্ট কি পাঠক জানতে আসে? নিশ্চয় তা নয়? তাহলে এইসব তাকে দেখানোর যুক্তি নেই। নিঃশব্দে নিরিবিলিতে ব্লগ এডমিনরা নিজেরা নিজেদের ব্লগের ট্র্যাকিং করুন।
ব্লগ ডিরেক্টরী, কমিউনিটি ব্লগের লিঙ্ক দেবোনা?
সত্যিই কি এর প্রয়োজন আছে, ভেবে দেখুন? আপনি যদি অন্যান্য ব্লগে অন্য কিছু লেখেন, তবে লিঙ্ক দিতেও পারেন। সেক্ষেত্রে ব্লগরোল ব্যবহার করুন, টেক্সট লিঙ্ক দিন। ছবি দিয়ে বড় ব্লগ সাইটের লিঙ্ক করে দিয়ে তাদের সাইটের বিজ্ঞাপন দিতে চান নাকি? কেনই বা তা করবেন? আপনি আপনার ব্লগকে জনপ্রিয় করতে চাইছেন নাকি অন্য বড় সাইটের প্রচারণা চালাবেন? ব্লগ ডিরেক্টরীতে নিবন্ধন করলে তাদের একটি লিঙ্ক স্থাপন করতে হয়, তাই একগুচ্ছ ডিরেক্টরীতে নিবন্ধন করে সাইডবার ভরিয়ে ডাইরেক্টরী লিঙ্ক দেখাবেন না বেশি। এইসব দেখতে কেউ আগ্রহী নয়।
লক্ষ্য করুন
শেষ ৫’টি ধাপ পার হতে গিয়ে আপনার প্রথম ১-৩ মাসে যে লেখার অভ্যাস জারি ছিল সেটা কমে গেলোনা তো? তাই হয়ে থাকলে বুঝবেন আপনি প্রয়োজনের চাইতে বেশী গতিতে এগোচ্ছেন এবং অবিলম্বে নিজের গতি সীমিত করুন। মনে রাখবেন, যেটাকে জনপ্রিয় করতে এতোকিছু, সেটাই যেন মূল্য হারিয়ে না ফেলে।
সবকিছু ঠিকই এগোচ্ছে, তাহলে কি অন্য বিষয়ে আরেকটি ব্লগ লিখতে পারি?
বাড়তি আরো ব্লগ তখনই শুরু করবেন যখন নিশ্চিত হবেন যে এতোদিন ধরে পরিশ্রম করে বানানো ব্লগের অবহেলা হবেনা। আপনার হাতে বাড়তি সময় থাকলে এবং ইতিমধ্যেই চলতে থাকা ব্লগের উপরে নেতিবাচক প্রভাব না পড়লে নতুন বিষয়ে নতুন ব্লগ শুরু করতে পারেন। নতুন ব্লগের ক্ষেত্রে উপরের সব ধাপের শর্টকাট নেবেন না যেন! সব জেনে ফেলেছেন জাতীয় আত্মতুষ্টি অত্যন্ত ক্ষতিকারক প্রমানিত হতে পারে সে বিষয়ে সাবধান।
উপরে ১-৩ মাস লেখার ব্যাপারে উল্লেখ করেছি, সময়সীমাটা আপেক্ষিক। যারা প্রচুর লিখতে পারেন, দিনে ৪/৫’টা পোস্ট লেখেন তাদের মাসে ১২০-১৫০ পোস্ট হয়ে যাবে - তারা ১ মাস লিখলেই হবে। অন্যদিকে যারা দিনে ১’টি পোস্ট লেখেন তাদের মাসে ৩০’টি পোস্ট হবে, তারা ৩ মাস লেখাই ভালো। ভালো মানের ১০০’টি পোস্ট লিখতে পারার অর্থ আপনি পারবেন চালিয়ে যেতে। ‘ভালো মানের’ বলতে বোঝাতে চেয়েছি সবটাই নিজের মস্তিষ্কপ্রসূত লেখা, অন্যখান থেকে কপি নয় একটুও, কারো লেখার প্রত্যুত্তরে লেখা পোস্ট নয়, ইচ্ছাকৃতভাবে গরুর রচনা লেখার মতো করে লেখার আয়তন বাড়িয়ে চলা নয় ইত্যাদি।
উপরের সব ধাপ ধৈর্য ধরে পার করতে পারলে দেখবেন অল্প কয়েকমাসের মধ্যে আপনার পাঠকসংখ্যা বেড়েছে অনেক, সার্চ ইঞ্জিনেও স্থান পেয়েছেন উপরের দিকেই এবং বলাই বাহুল্য, আয়ও হবে ভালোই (যদি ইংরাজী বা অন্য ভাষায় সাইট হয়)। এক কথায় আয় বাড়ানোর টিপ – পাঠক যা চাইছেন, সবটা তাকে দেবেন না। সাফল্য অনেকেই মাপেন বিজ্ঞাপনের আয় দিয়ে, কিন্তু যেসব সাইটে বিজ্ঞাপন নেই সেইসব সাইটের সাফল্য মাপা যায় জনপ্রিয়তা দিয়ে।
শেষ কথা – আপনি সফল হলে তার ক্রেডিট দেবেন পাঠকদের, তার কারন একজন ব্লগার যতোই পরিশ্রম করুন না কেন তাকে সফল করে তোলেন পাঠকরাই! সুতরাং পাঠকদের ক্রেডিট দিন মুক্ত মনে, তারাই আপনাকে জনপ্রিয়তার শিখরে নিয়ে যাবে।
এই ধরনের আরোও কিছু পোস্ট:
- গুগল এডসেন্সে সফলতার জন্য একাধিক টিপস – ডিজিটালপয়েন্ট ফোরাম থেকে তুলে নেয়া
- ওয়েবসাইট আর বাউন্স রেট নিয়ে কিছু কথা – জেনে রাখা ভাল
- [অতিথি পোষ্ট - প্রথম স্থান বিজয়ী - আদনান] আমি কেন সফল ব্লগার হতে চাই?
- [অতিথি পোষ্ট - দ্বিতীয় স্থান বিজয়ী - শামীম] আমি কেন সফল ব্লগার হতে চাই?
- [অতিথি পোষ্ট - তৃতীয় স্থান বিজয়ী - রাফিউর] আমি কেন সফল ব্লগার হতে চাই?
- [অতিথি পোষ্ট - তৃতীয় স্থান বিজয়ী - রুম্মা] আমি কেন সফল ব্লগার হতে চাই
- [অতিথি পোষ্ট - তৃতীয় স্থান বিজয়ী - রাজু] আমি কেন সফল ব্লগার হতে চাই ?
- টাইমের চোখে গত শতাব্দীর সেরা প্রযুক্তি ব্যর্থতার লিষ্ট
{ 40 comments… read them below or add one }
ভালো লাগলো
ভাল লিখেছেন আপনাকে ধন্যবাদ ভাই
ভাই, আমিও আপনার blog এর একটি content
আমার একটা ব্লগ আছে যার ঠিকানা হল http://gsmsolutionforum.blogspot.com আপু একটু বলবেন কি কোথায় আমার ব্লগের সমস্যা ? কারণ আমি এই ব্লগের জন্যে অনেক বার চেস্টা করেও Adsense Approve করতে পারছিনা। কিন্তু প্রতিদিন গড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ ভিজিটর আসে এই সাইটে,বেশির ভাগ google search engine থেকে।
রিয়া আপু,
খুবই চমৎকার। আমার মতো যারা নতুন ব্লগার আছে তাদের জন্য খুবই হেল্পফুল একটা পোস্ট। আবারো ধন্যবাদ।
আপনার হার্ডড্রাইভের প্রবলেম টা এক্সপ্লেইন করবেন?
আমার 80GB SATA ড্রাইভ দুটি, তার একটি সামান্য আওয়ার করছিল কমপিউটার চালালে। খুবই অল্প আওয়াজ, কান পাতলে তবেই শোনা যাবে। আওয়াজ শুরু হওয়ার পরে বুঝতে পারিনি কি হয়েছে। রিস্টার্ট দিতেই বার বার বলছে ড্রাইভ এরর। কেবল খুলে দিলে অন্য ড্রাইভ দিয়ে বুট হচ্ছে। কেবল লাগালেই আর চলেনা কমপিউটার। DOS স্ক্রিন দেখিয়ে ড্রাইভ এরর বলে থেমে যায়।
ড্রাইভ ইরর মেসেজটা জানান।
সম্ভাব্য প্রবলেম: ড্রাইভের শুরুরদিকে উইক সেক্টর আছে যার কারণে হেড সেক্টরটি রিড করতে গিয়ে ফেইল হয়ে শব্দের সৃষ্টি করছে।
অথবা রিড/রাইট হেডটি ভেঙে গেছে অথবা উইক হয়ে গেছে।
বি.দ্র.: এইগুলো সম্ভাব্য প্রবলেম – আপনার প্রবলেম বিশ্লেষনের উপর বলেছি।
এক্টাক্ট প্রবলেম বুঝা যাবে ডায়াগনোস করার পর।
রিয়া আপু আপনার এই পোষ্ট টি আরো অনেক আগে লিখা উচিত ছিল। তবুো ধন্যবাদ।
আমি বাংলা ব্লগিং করছি মাত্র ১ বছর ৪ মাস হয়েছে, শুরুতে আমি নিজের মতোই হাবিজাবি লিখতাম; পরে পাঠকদের প্রশ্নের উত্তরে অল্প কিছু টিপস/ট্রিকস লিখেছি। বাংলা ব্লগ জগতে পাঠকদের প্রয়োজন বুঝতে আমার বেশ কিছুটা সময় লেগেছে। তাই এই দেরী।
রিয়া আপুকে থন্যবাদ দেয়ার মত ভাষা আমার জানা নাই। আমি ব্লগিং নিয়ে অনেক ঘাটাঘাটি করি, কিন্তু মনের মত থীম খুজে না পাবার কারনে আজ আমার ব্লগটিকে ভাল করে রুপ দিতে পারি নাই। তাই, আমি প্রায় ব্লগিং ছেড়ে দেয়ার চিন্তু ভাবনা করছিলাম। কারন, এখন আমি ফ্রিলান্স কাজ নিয়ে এটতাই ব্যস্ত হয়েগেছি যে আমার ব্লগটির দিকে নজর দেয়ার মত সময় পাইনা। তার উপর আর একদিকে থীম তো পছন্দই হচ্ছে না। কি যে করি ভাবতেই পাচ্ছি না। এমতাবস্থায়, আপনা পোষ্টটি আমাকে নতুন করে পথ দেখালো। যদিও কতদূর এগুতো পারবো তা এখনো বুঝতে পাচ্ছিনা। তার পরেও আপনার এই পোষ্টটিকে আমি আমার অনুপ্রেরণা হিসাবে গ্রহন করলাম। তবে আপু আপনার কাছে আমার একটা চাওয়া – আপনি কি আমাকে ভাল কোন থীমের ঠিকানা দিতে পারবেন। যদি আপনার পক্ষে সম্ভভ হয় তবে।
ভাল থাকবনে।
শাওন, ব্লগিংয় চালিয়ে যাওয়া এবং সফলতার ক্ষেত্রে থীম একটি খুবই ছোট্ট বিষয়। এজন্য নিজের ব্লগিং বন্ধ করে দিতে হবে – এটার কোনো মানে হয় না।
এখানে কিছু সুন্দর ফ্রি থীম পাবেন
http://bn.jinnatulhasan.com/2009/09/1451
http://bn.jinnatulhasan.com/2009/11/2280
চমৎকার পোস্ট। অনেক কিছুই জানা গেল। ভবিষতে কাজে লাগবে। ধন্যবাদ।
আপনার এই পোষ্টের কথাগুলো আমার নিরেট সত্য কথা মনে বলো ব্লগিং এর ক্ষেত্রে।
রিয়ার এই পোষ্টটি যেকোনো ব্লগারের জন্য সঠিক দিকর্নিদেশনা হতে পারে।
ধন্যবাদ রিয়া আপু। আজকে অনেক কিছু শিখতে পারলাম। তবে আমি মনে করি ৩০০ টি যেন তেন পোস্টের বদলে ১০০ টি ভালো মানের পোস্টিই যথেস্ট।
ঠিক ধরেছেন, আমিও সেটাই বলতে চেয়েছি।
রিয়া, একটি ইমেইল পাঠিয়েছি, সময়মতো উত্তর দেবেন।
ধন্যবাদ।
উত্তর পাঠিয়েছি গতকাল রাতে
পোস্টটিতে ব্লগিঙের ধারাবাহিকতার বেপারটা ভাল লেগেছে, অনেকেই কনটেন্টের চেয়ে থিমের দিকে নজর দিতে গিয়ে বেশি সময় নস্ট করে -এ বেপারটা নজর দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমি নিজেও ডিজাইনের দিকে মন দিতে গিয়ে ব্লগিং থেকে অনেক দুরে সরি গিয়েছিলাম। একই লেখা বিভিন্ন সা্ইটে দিতে গিয়ে আমার সাইটটির প্যাজ রেঙ্কও দেরিতে এসেছিলো।
সাফল্য আমার একেবারেই এলও না, আমি ছাড়া কেউ পড়ে না। ভাগ্যিস। নয়ত বানান ব্যকরণ নিয়ে চুল ছিড়তে হোতো।
ধন্যবাদ রিয়া আপুকে সুন্দর একটি পোস্টের জন্য। অনেক গোছানো লেখা।
আদনান ভাইয়ের সাথে আমিও একমত। Facebook fan page ওনেক উপকারী। যদিও আমার Fan তুলনামুলক কম কিন্ত আজকাল ভালোই সারা পাচ্ছি। পাঠকরা Facebook এ বিভিন্ন প্রশ্ন করছে এবং আমি যথা সম্ভব চেষ্টা করছি তাদের জবাব দিতে।
সেদিন হাসান ভাই আমাকে বলছিল আদনান ভাইয়ের Facebook Fan এর সংখ্যা।
সবার কাছেই আমার একটা অনুরোধ (বিশেষ করে রিয়া আপুর কাছে) আমার ব্লগটার ছোট খাট একটা রিভিও অথবা সমালোচনা দিলে খুব খুশি হব ( মন্তব্যের ঘরে উওর আকার দিলেও চলবে)
মনে মনে বাংলা নব্বষ্র উপলক্ষে হাসান ভাই এর কাছে একটি পোস্ট আশা করেছিলাম।
সবাইকে নব্বষের শুভেচ্ছা।
আপনি এই পাতায় ব্লগের ঠিকানা দিয়ে রিভিউ অনুরোধ নথিভুক্ত করুন – http://bn.jinnatulhasan.com/2010/04/3764
আপু আপনি তো ব্লগিং এর আপাদ মস্তক পুরোটাই তুলে ধরলেন, মনে হয় অল্প কিছু শিখতে পেরেছি।
আচ্ছা আপু আপনি তিন মাস বলতে কি বোঝালেন ব্লগের পোষ্ট সংখ্যা ১০০ তে পৌছানো নাকি ব্লগিং এর অভিগ্যতা বারানো।
ওই ব্যাপারটা আপেক্ষিক, পোস্টের মধ্যেই সামান্য কিছুটা বলেছি এই ব্যাপারে। মূল অর্থ হচ্ছে অনেকগুলি পোস্ট যখন লেখা হয়ে যাবে ততোদিনে লেখার ঝোক বাড়বে, মানে কন্টেন্ট তৈরীর পথ খুলে যাবে আপনার। ১০০’টা পোস্ট কিম্বা ৩ মাস এইসব কথা আসলে লিখতে পারার অভ্যাস গড়ে ওঠাকেই বোঝায়।
সবাইকে নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমার নতুন বছর শুরু হলো একটা হার্ড ডিস্ক খারাপ হয়ে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ ডেটা হারিয়েছি, মনটা তাই খুব খারাপ
সবাই ভালো থাকবেন, নতুন বছর সকলের জন্য হোক আরো উজ্জ্বল।
আপু আপনার হার্ডডিস্ক দেখতে পারলে ভাল হোত।যাই হোক আমার কিছু পরামর্শ।প্রথমে আপনি Hard Disk Sentinal দিয়ে অন্য কম্পিউটারে আপনার হার্ডডিস্ক লাগিয়ে চেক করে নিন এর হেলথ কতো।যদি ০% ও হেলথ দেখায় আর সাথে অনেক Bad Sector থাকে তাহলে চিন্তার কিছু নেই।আপনি ওয়ারেজ সাইট থেকে HDD Regenerator নামের ফাটাফাটি, অনন্য অসাধারন সফটওয়্যারটা দিয়ে একদম কোমায় চলে যাওয়া হার্ডডিস্ক কেও ঠিক করে ফলতে পারবেন।আর আপনার হার্ডডিস্কের পার্টিশন ভেঙ্গে গেলেও সব ডাটা ফরত পাওয়া সম্ভব।একটু কষ্ট করে Easy Recovery Professional জোগাড় করে নিন।আরেকটা ফাটাফাটি সফটওয়্যার।এটা দিয়ে যে গত ১০ বছরে কতো ডাটা ফেরত পেয়েছি তার হিসেব নাই।আর যদি একদমই হার্ডডিস্ক ডিটেক্ট করতে না পারে আর আপনার ডাটাগুলো অনেক বেশি মূল্যবান হয় তাহলে প্রফেশনাল ডাটা রিকভারি প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করুন।তারা হার্ডডিস্ক খুলে ফেলে সেই ম্যাগনেটিক চাকতি থেকে ডাটা বের করে আনতে পারে যদিও অনেক ব্যায়বহুল।এ কারনে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো হার্ডডিস্ক ফেলে দেওয়ার সময় কয়েক টুকরো করে যাতে আর কোন অপশন না থাকে।যাই হোক, রিপ্লাই দিয়েন…
Adnan: আমি কমপিউটার চালাতে গেলেই বলে Secondary Master Hard Disk error এখন সেই হার্ড ডিস্কের তার খুলে দিয়ে চালিয়ে রেখেছি, আজকে আর করবোনা, পরে দেখবো। HDD’কে এখন 6.2GB দেখাচ্ছে। ভাবছি এটাকে Slave বানিয়ে চালিয়ে দেখবো কিছু করা যায় কিনা। প্রায় 40GB ভিডিও আছে, সেইগুলো ফেরত পেলেও ভালো হতো, ১১ ঘন্টার মতো HD ভিডিও। আজকের নববর্ষের দিনে আর ভাবতে ইচ্ছে করছেনা।
কিছুদিন আগে আমার ১ টেরাবাইটের হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেছে। ওটাতে আমার লন্ডনের সব ছবি, প্রচুর গান, সিনেমা, ইংরেজি টিভি সিরিয়াল(exam – simpsons, friends, californikation) সব শেষ হয়ে গেছে। পুরোনো হার্ডডিস্ক ফেরত দিয়ে নতুন পেয়েছি, কিন্তু ডেটা সব শেষ।
বুঝেন তাহলে আমার কি কষ্ট! ফেসবুক ছাড়া আমার আর কোনো ছবি আমার হাতে নেই। এমনিতেই ছবি তুলি না, যা তুলছিলাম, তাও গেছে।
তারপরেও নববর্ষের শুভেচ্ছা
শিট…হাসান ভাই, এরপর থেকে নিয়মিত Hard Disk Sentinel সফটওয়্যারটা দিয়ে হার্ডডিস্কের হেলথ দেখতে পারেন।ব্যাড সেক্টর পড়লে (হাজার লক্ষ কোটি যাই হোক) HDD Regenerator দিয়ে একবার পরীক্ষা করেই দেখবেন অবাক হয়ে যাবেন।আমি এটা দিয়ে এমনো হার্ডডিস্ক ঠিক করেছি যা শুধু বুটিং এর সময় দেখাতো, উইন্ডোজ লোড হোত না।হেলথ থিল ০% কারন কয়েক শত ব্যাড সেক্টর ছিল।পড়ে এটা দিয়ে হেলথ ১০০% এ ফিরিয়ে আনতে পারছি, সেই হার্ডডিস্ক বহাল তবীয়তে চলছে…আর ডাটা ডিলিট/ ফরম্যাট হয়ে গেলে Easy Recovery Professional এর চেয়ে উপকারী বন্ধু কিছুই নাই।
আমার যা গেছে তার অধিকাংশই ফেরত পেয়ে যাবো, একটু কষ্ট করতে হবে। যাসব পাবোনা তার মধ্যে আছে বিভিন্ন দেশে ঘুরে ঘুরে রেকর্ড করা সব হাই ডেফিনিশান ভিডিও। গুরুত্বপূর্ণ যা গেছে তার মধ্যে প্রচুর কন্টেন্ট ছিল যা আমি লিখেছিলাম এবং আপনাদের সামনে ধীরে ধীরে উপস্থাপনা করার পরিকল্পনা ছিল। ওটাই সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে, আমাকে সেইসব আবার মনে করে লিখতে হবে।
আশ্চর্য ব্যাপার হচ্ছে, আমার একটা 30GB HDD আছে ঢাকা থেকে কিনেছিলাম ২০০০ সালে, সেটা এখনোও সুন্দর চলছে। সাথে একটা কীবোর্ড কিনেছিলাম, সেটাও এখনো চলছে।
আপু অনেক ভাল লাগল লেখাটা পড়ে। অনেক কিছু জানতে পারলাম । আপনার একটা কথা আমার অনেক ভাল লেগেছে তা হলো.”‘ভালো মানের’ বলতে বোঝাতে চেয়েছি সবটাই নিজের মস্তিষ্কপ্রসূত লেখা”। আমরা যা আছে তাই আমার একমাত্র সম্বল, তা দিয়েই আমাকে এগুতে হবে আগামী পথ।আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন আমদের সাথেই থাকবেন।
এক কথায় অসাধারণ একটা পোস্ট।
Noor vi, porer kotha ti ki hoty pare?
অনেক ভাল লাগল।আপনার, হাসান ভাইয়ের লেখার স্টাইল, চিন্তা ভাবনার বিশালতা সবসময় আমাকে মুগ্ধ করে।কথায় বলে “Practice Makes a Man Perfect” দেখা যাক কবে নিজের লেখার মান আপনাদের ধারে কাছে নিয়ে যেতে পারি…
যাই হোক আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে একটা পয়েন্ট যোগ করতে চাই, যেটা নিয়ে আমার ভবিষ্যতে লিখবার ইচ্ছে আছে তা হোল ব্লগিং করার সময় প্রথমেই মাথায় রাখা উচিত হবে ব্লগ জনপ্রিয় করার পর আপনার আয়ের সোর্স কি হবে? নিজেকে শুধু এ্যাডসেন্সের জালে বন্দি করে না রেখে বিকল্প অনেক কিছু নিয়ে ভাবতে পারেন।প্রাইভেট এ্যাড, এফিলিয়েট মার্কেটিং, ইবুক পাবলিশিং সহ আরো অনেক উৎস থেকে আয় হতে পারে।এ বিষয়টি যদিও প্রাথমিক ভাবে মাথায় রাখা একান্তই আবশ্যকিয় নয় কিন্তু আমার অভিমত আগে থেকে পরিকল্পনা করে লেখায় হাত দিলে লক্ষ্যে পৌছানো সহজ হয়।
আরেকটি মহা গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার হোল Social Networking সাইটগুলোতে নিজের অবস্থান পাকা করা।একটা ফেসবুক ফ্যান পেইজের Widget আমার জনপ্রিয়তাকে আকাশে তুলে দিয়েছে।আমার ব্লগে ঠিক এই মুহূর্তে 1144 জন ফেসবুক ফ্যান।প্রতি ৬-৯ দিনে ১০০ জন করে ফ্যান বাড়ছে।এটা আমার ব্লগের ট্রাফিকের জন্য ও অনেক উপকারি কেননা যখনই আমি নতুন লেখা লিখছি তখনই তার Short Description সেই ফ্যান পেইজে এ্যাড করছি যার ফলে তা ১১৪৪ জন ফ্যানের News Feed এ চলে যাচ্ছে, ফলে সেখান থেকেও আমার অনেক পাঠক পাচ্ছি।আর মাঝে মাঝে একটা Update মেসেজ দিয়ে হাজার হাজার পাঠকের সাথে নিজের পরিকল্পনাগুলো শেয়ার করা যাচ্ছে।
অন্যদিকে আমি একটু ব্যাতিক্রম ধর্মী Niche নিয়ে কাজ করছি বলে ফেসবুকে সেই Niche এর জন্য আমি একজন Expert হিসেবে মর্যাদা পাচ্ছি।অনেকে আমার সাথে যোগাযোগ করে সাহায্য চাচ্ছে ফলে আমি পাঠকের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে পারছি।এছাড়া আজকাল Social Networking সাইগুলোতে অনেক Advertiser বা বড় বড় কোম্পানির অফিশিয়াল পেইজ থাকে, যার ফলে তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরী হচ্ছে।
তাই ব্লগে লিখতে লিখতে আলস্য এসে গেলে Social Site গুলোতে (অন্তত ফেসবুকে ফ্যান পেইজ খোলার মাধ্যমে) নিজেকে মেলে ধরতে পারেন।আপনার সাথে ৪-৫ হাজার এর বিশাল ফ্যানগোষ্ঠি যোগ হলে আপনার ট্রাফিক যেমন তড় তড় করে বেড়ে যাবে তেমনি আয়ের অনেক অনেক মাধ্যম নিয়ে Experiment করার সুযোগ পাবেন।রিয়া আপুকে ধন্যবাদ সুন্দর লেখা উপহার দেবার জন্য।
আদনান ভাই ফেসবুক থেকে আপনার সাফল্য দেখে আমিও গত কাল থেকে এ বিসয়ে মনোযোগ দেয়া শুরু করেছি , দেখা যাক কি হয়।
ফেসবুকে ফ্যানপেজ খোলার আগে কিভাবে ফ্যানপেজের প্রচার করবেন, সেদিকটাও ভেবে নেবেন। ফ্যানপেজ খুললেই যে লোকজন আপনার সাইটের ফ্যান হয়ে যাবে কিংবা নিয়মিত বন্ধুদের আমন্ত্রন জানাবেন, তাতে কোনো লাভ হবে না।
বন্ধুবান্ধবীদের ফ্যান বানানো আর অপরিচিত লোকজনকে ফ্যান বানানোর মধ্যে অনেক ফারাক আছে – বিষয়গুলো ভেবে নেবেন।
শুভ কামনা রইল।
ফ্যানপেইজের প্রচার করা অনেক সহজ। আমার নিজের উদাহরন দিলেই বিষয়টা সহজ হবে। আমি ব্লগিং করছি Hotel Management এর উপর।এখন কারা আমার ব্লগের ফ্যান হবে? মেডিকেল/ডাক্তারি পড়ুয়া কেউ? অবশ্যই না।তবে কারা? হুম তারাই হবে যারা এই বিষয়টা নিয়ে পড়ালেখা করে/বিভিন্ন হোটেল, মোটেল রেস্তোরায় জব করে বা জব খুজছে তারা। অন্যদিকে এখন বিভিন্ন ভাল ভাল ইউনিভার্সিটির আলাদা আলাদা School এর উপর ভিত্তি করে আজকাল ফ্যান পেইজ/গ্রুপ খোলা হয়।তাই আমি যদি বেছে বেছে Hotel School/Hotel Job Search পেইজ গুলোতে নিজের লিঙ্ক রেখে আসি, প্রতিদিন ২০-৩০ জনকে আমন্ত্রন জানাই তাহলেই খুব সহজে নিজের জায়গা করে নেওয়া সম্ভব।আমি যতদূর জানি প্রতি ঘন্টায় ৪০ টার মতো মেসেজ/ফ্রন্ড রিকোয়েষ্ট পাঠানো যায়।আরেকটা টিপস অতি অবশ্যই নিজে ২টা আলাদা একাউন্ট খুলে নিবেন।তারপর নিজের সেই ২টা একাউন্টকেই এ্যাডমিন রাখবেন।যে কোন সময় নিজের মূল একাউন্ট ডিলিটেড হতে পারে।তাই এই ব্যাবস্থা।।
Adnan ভাই আপনি কোন Widget টা ব্যবহার করেছেন দয়া করে যদি লিংকটা দিতেন আমিও চেষ্টা করে দেখতাম ।সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা
আপি খুব ভালো লিখেছেন ।ব্লগিং এর পুরো সারাংশ তুলে ধরছেন ।ধন্যবাদ