
ইন্টারনেটে বিভিন্ন সাইটে ঘোরাঘুরি করলে প্রায়শই এক ধরনের বিজ্ঞাপন দেখতে পাওয়া যায়, একজন মা ঘরে বসে সার্ভে করেই হাজার টাকা হাজার কামিয়ে ফেলেছে। আপনার কথা জানি না, আমার তো ভীষণ মেজাজ গরম হয়। কারণ এইসব বিজ্ঞাপনগুলোই ভুয়া।
ওইসব বিজ্ঞাপনে ক্লিক করেই নাকি ফ্রিতে সব রহস্য জানতে পাওয়া যায়। আসলে ক্লিক করেছেন তো মরেছেন, একের পর এক ইমেইল, নিউজলেটার, এফিলিয়েট লিংক পাঠিয়ে আপনার ইমেইল একাউন্টের বারোটা বাজিয়ে দেবে। সব ইমেইলেই আপনাকে বলবে এটা কিনুন, সেটা কিনুন, এখানে সাইনআপ করুন, এখানে ক্লিক করুন।
আমি সবসময়ই এইসবের বিপক্ষে। তাই হয়তো মনে হতে পারে এদের সাথে আমার শত্রুতা আছে। আসলেই কি তাই? না, আমার কোনো শত্রুতা নেই, কারণ আমি এধরনের যতগুলো কেইস দেখেছি, সবগুলোই ভুয়া। চোখ বন্ধ করেই বলে দিতে পারি এইসব ধান্ধায় ভুয়া। আপনাদের হয়তো মনে আছে ডিকাপোর কথা, কিভাবে প্রমাণ করেছিলাম তাদের পুরো ধান্ধাই ভুয়া।
যাহোক, দু’দিন আগে পেরেজ হিলটনের গসিপ ওয়েবসাইটে ঘুরোঘুরি করছিলাম, সেখানে দেখি এমনই একটি বিজ্ঞাপন – যাতে বলা হয়েছে একজন গৃহিনী মা ঘরে বসে সার্ভেতে অংশগ্রহন করে এক মাসেই ৩,৪০০ পাউন্ড কামিয়ে ফেলেছেন। ওয়াও!
জানি, এগুলো ভুয়া। তারপরেও মহিলার (!) কাহিনী জানতে খুব ইচ্ছে করলো। ওয়েবসাইটে গেলাম। একপেজের সেলসপেজ। প্রতিটি লিংকই আপনাকে সাইনআপ ফরমেই দিকে নিয়ে যাবে। পাতার প্রথমেই ৮ সপ্তাহের একটি বাচ্চার সাথে একজন হাস্যোজ্জ্বল মহিলার ছবি। সুখী পরিবার!
বামদিকে একটি চেকের ছবি। ছবির আঙ্গুল আর মহিলার আঙ্গুল এক মনে হলো না। যাহোক, সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো চেকটি গুগলের চেক! গুগল আবার কবে থেকে সার্ভে করা শুরু করল। আমি তো জানি না, আপনি কি কিছু জানেন?
বিশ্বাস করতে পারেন, ওরা আয়ের প্রমাণস্বরুপ গুগলের চেক দেখাচ্ছে। যেসব প্রতিষ্ঠান আয়ের প্রমাণই দেখাতে পারে না, তারা কি করে আপনাকে টাকা দেবে একবার চিন্তা করে দেখুন। পুরো ব্যাপারটিই একটি স্ক্যাম।
এই স্ক্যামগুলো এখনও ভাল চলে কারণ এগুলো ঘরে বসে থাকা মহিলা কিংবা বেকারদের গল্প শুনিয়ে লোকজনকে প্রভাবিত করে। আর লোকজন মনে করে ওরা যদি টাকা কামাতে পারে তাহলে আমার মতো শক্তসামর্থ্যরা কেন ব্যর্থ হবে?
আপনি ১০০% ভাগই ব্যর্থ হবেন, কারণ পুরো ধান্ধাটাই ব্যর্থ। চোখ খোলা রাখুন, প্রতিটি বিষয় বিশ্লেষণ করতে চেষ্টা করুন। অযথা ফ্রির পেছনে দৌড়াবেন না।
সাথে থাকুন, ভাল থাকুন।
সবার জন্য রইল শুভ কামনা।
এই ধরনের আরোও কিছু পোস্ট:
- জনগুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট – গুগল এডসেন্স একাউন্ট ব্যান এবং ওয়েবসাইট বিষয়ক একটি প্রসঙ্গ
- [অতিথি পোষ্ট] “তাতে কী?” পোস্ট প্রকাশ করার আগে পোস্টের কার্যকারিতা যাচাইয়ের মোক্ষম উপায়
- রুম্মার পোষ্ট নিয়ে জনাব সাগরের কিছু প্রশ্ন আর আমার অবস্থান
- এ্যাডে ক্লিক পড়ে কিন্তু কম টাকা পাই? এখন কি করব?
- আরেকটি ব্লগিং আড্ডা কিংবা…
- [অতিথি পোষ্ট] অবশেষে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আড্ডা সফল : গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসমূহ
- কেন আমি ইমেইল পড়ে টাকা উর্পাজনে বিশ্বাস করি না?
- গুগল এডসেন্স চেক – জানুয়ারী, ২০০৯
{ 51 comments… read them below or add one }
ফিই আর মায়াকানন ভাই।আবারো সেই পুরাতন টপিক নিয়ে আপনাদের বিরক্ত করতে আসলাম।প্রথম কথা হোল, গতকাল চেক এসেছে যা আজকে ব্যাংকে জমা দিলাম।ভেবেছিলাম পরে জানাব কিন্তু আজই জানাতে হোল।চেকটি ইস্যু হয়েছিল ২৬ তারিখে, এর ঠিক ১৪ দিন পর গত ৯ তারিখে বিকেলে চেক এসেছে।আমার মনে হয় এতো তাড়াতাড়ি যদি চেক আসেই তবে শুধু শুধু ২৮ ডলার DHL এর সার্ভিসের জন্য খরচ করার দরকার নেই।যাই হোক, আমি একাউন্ট খুলেছিলাম ইসলামী ব্যাংকের নিউমার্কেট শাখায়।ওরা বলল DHL + অন্যান্য খরচ বাবদ ১৭০০ টাকা লাগবে আর ২০ দিন থেকে ২ মাসের মতো সময় লাগবে।এমনকি একটা লিখিত আবেদনপত্র নিল যাতে চেকের পুরো বিবরণ দিলাম আর চেকের কোন ক্ষতি হলে যাবতীয় দায় দায়িত্ব আমার এই মর্মে সাইন দিলাম !!! এখন আমার কথা হোল, আপনাদের কি চেক উঠাতে এতো ঝামেল পোহাতে হয়েছিল? আর ১৭০০ তো অনেক ভাল রকম টাকা।আপনারা ইদানিং কেউ কি টাকা তুলেছেন? তুললে কত লেগেছে? আগে নাকি DHL এর খরচ লাগতো না এখন নাকি লাগে ওরা বলল।
আরেকটা ব্যাপার একটু জানাবেন সোনালী ব্যাংকের কি অবস্থা?ওদের কত কাটে, কত টাইম নেয় ?আরেকটা ১৫১ ডলারের চেক এই মাসে ইউথড্র করব।আশা করি সামনের মাসের এমন সময় চলে আসবে।সোনালী ব্যাংকে সুবিধা পেলে ইসলামী ব্যাংকে আর কোন ট্রানজেকশন করব না।আপনাদের উওরের অপেক্ষায় রইলাম…
অভিনন্দন আদনান ভাই।
যাহোক, ওরা যেখানে ১০০ ডলারের কথা বলেছিলো সেখানে যেহেতু ২০ ডলার হয়েছে, আশা করি চেক ক্যাশ হলে দেখবেন ৬০০-৮০০ টাকার বেশি কাটেনি।
তুলনামূলক সোনালী ব্যাংক থেকে ইসলামী ব্যাংকের চার্জ বেশি হলেও ইসলামী ব্যাংক-ই ভালো বলে আমি মনে করি। আপনি অপেক্ষা করুন। দেখুন পরবর্তী চেক আসার আগেই এই চেকটি ক্যাশ হয় কিনা, হলে কত চার্জ কেটেছে দেখুন।
আশা করি আপনার দ্বিতীয় আর একাউন্ট করতে হবে না…
আবারও অভিনন্দন।
তয় আমগুরে ছ্যারাতন হুটেলে খাওন-দাওনের বিবস্তা কুরেন…. বহুত ছৌয়াব হইবেক……
No problem with Islami Bank. I opened an account with the Bank and always cash my adsense check from this. It takes about 25-30 days to be cash and they charge 300 bdt only. I cash it from Islami bank Malibagh branch.
Firstly when I asked them about foreign currency cheque, they replied like yours. Then I didn’t care about it and opened the account. When I went to submit my cheque, I asked them how long does it takes to be cash? They replied they don’t know. Actually they know nothing.
O another thing SWIFT CODE is available in BD. Just visit any bank’s website, you will see it.
Sorry for writing in english, actually I replied from mobile.
গুগল এডসেন্স থেকে কি সুইফট কোড ইউজ করে বাংলাদেশে টাকা ট্রান্সফার করা যায়?
Bro, Thanks for your advice.Swift code is available in Bd I do know that but there is no way to get adsense payment through wire transfer in BD…
ফিই বা মায়াকানন ভাইয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।আজকে ইসলামি ব্যাংকের নিউমার্কেট শাখায় গেলাম।একাউন্ট খোলার আগে হাসান ভাইয়ের একটা চেকের ইমেজ নিয়ে গিয়ে ওদের দেখিয়ে বললাম এরোকম একটা চেক আসবে আমার নামে তা কোন সমস্যা আছে নাকি আর কত কাটবে।ওদের ওখানের ফরেন এক্সচেঞ্জ শাখার একজন বলল ১০০ ডলার/৭০০০ টাকার (!!!) নাকি লাগবে।কেননা ওদের নাকি DHL এর মাধ্যমে সেই চেক পাঠাতে হবে + আরো নাকি অনেক ঝামেলা আছে।এর পর ওদের আরেকজন বলল টিটি করে পাঠাতে।কি নাকি Swift Code আছে তার মাধ্যমে পাঠানো যায় বলে, কিন্তু আমি তো জানি এই অপশন বাংলাদেশে নেই।চেকের মাধ্যমেই টাকা আসে।এর পর বিকালে বিহোস ভাইয়ের সাথে ফোনে কথা হল।তিনি একটা ভাল বুদ্ধি দিলেন, বললেন ওদের আগে চেকের কথা না জানিয়ে একাউন্ট খুলে ফেলতে তারপর চেক আসলে তা জমা দিলেই হবে।আমারো তাই ভাল মনে হোল।যাই হোক, ব্যাংক থেকে আরেকজনের কার্ড এনেছিলাম তাকে সন্ধ্যায় ফোন দিলাম।তিনি বললেন আগে নাকি এ্যামেরিকান এক্সপ্রেসের মাধ্যমে ফ্রীতেই চেক পাঠানো যেত তাই খুব কম খরচে চেক ভাংগানো যেত এখন নাকি সেটা সম্ভব না DHL এর মাধ্যমে পাঠাতে হয়।তবে তিনি যেটা বললেন তা হোল প্রায় ২০০০ টাকার মতো লাগবে। এখন কি করা যায় বলুন তো? বাড়ির কাছে পান্থপথ আর ঢানমন্ডী শাখা আছে কিন্তু তারা ফোনে বলল এধরনের চেক নাকি তারা হেন্ডেল করে না, এর জন্য ওদের কি নাকি AD ব্রাঞ্চে একাউন্ট খলতে হবে, নিউমার্কেট নাকি একটা AD ব্রাঞ্ছ।এই অবস্থায় কোথাও একাউন্ট খুলি নাই।একটু পরামর্শ দিন…
আদনান ভাই, ওরা আপনাকে তুলনামূলক অনেক ভালো কথা বলেছে। একাউন্ট করার জন্য আমি প্রথমে ব্রাক ব্যাংকে গিয়েছিলাম। ওদের কথা শুনে মেজাজ এমন খারাপ হয়েছিলো, গায়ে অসম শক্তি থাকলে ওদেরকে আঙ্গুলে টিপ দিয়ে ভর্তা বানিয়ে ফেলতাম……. এই দেখেন মনে পড়ায় কী-বোর্ডের কী-এর উপর চাপ বেড়ে গেছে…….
ওদের ভাব থাকে এমন… বিদেশী রেমিটেন্স দেশে এনে আপনি মহা অন্যায় করে ফেলছেন, আপনাকে কঠিন শাস্তি পেতে হবে।
যাই হোক, ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট করতে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা না, তারপরও কেন যে হলো…
আপনি লোকাল ব্রাঞ্চে যোগাযোগ করে দেখতে পারেন…..
ফিই ও বিহোস ভাই ঠিক বলেছেন । কোন ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে গেলে এডসেন্স চেক দেখালে তারা বিভিন্ন রকম টাল-বাহানা শুরু করে। তাই যে কারও উচিত এডসেন্স চেক জমা দিতে চাইলে শুধু জানতে চাওয়া উচিত যে – সেই ব্যাংকে ফরেন একচেন্জ সেকশন আছে কি না। তাহলেই নিশ্চিন্তে একাউন্ট খুলে চুপ করে বসে থাকুন। যখন চেক আসবে তখন ব্যাংকে গিয়ে চেক জমা দিন। ব্যাস।
আমি কয়েকটি ব্যাংকে খোজ নিয়ে জেনেছিলাম ।
citi bank – কর্পোরেট একাউন্ট ছাড়া ব্যাক্তিগত একাউন্ট গ্রহণযোগ্য নয়।
standard charted bank- ব্যাক্তিগত Saving একাউন্ট খুলতে ২৫ হাজার টাকা লাগে। চেক জমা করতে কোন সমস্যা নেই।
city bank- এডসেন্স চেক নিতে চায় না।
Duch-bangla bank- চেক ভাংগাতে ২৫ ডলার দাবি করে। :p
National bank – ০.১৫% বা সর্বনিম্ন চার্জ ২৫০ টাকা ।
ন্যাশনাল ব্যাংকে আপনার চেকের ০.১৫% বা সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা চার্জ রাখবে। সাথে পোস্টাল খরচ যোগ হবে। যদি পোস্ট অফিসের মাধ্যমে ব্যাংক চেক পাঠায় তবে সাথে আরও ২৫ টাকা মাশুল যোগ করতে পারে। সব মিলিয়ে ২৭৫ টাকা খরচ হবে।
ন্যাশনাল ব্যাংকের কোন ব্রাঞ্চে আপনার একাউন্ট বলবেন?
মানুষকে ধোঁকা দিয়ে টাকা কামানো খুবই সহজ ।
হাসান ভাই, অনেক দিন ধরে অফটপিক নাই তাই এখানেই প্রশ্নটা করলাম,যার উত্তর জানা অতীব জরুরি।যদিও এ্যাডসেন্সের সাইটে লেখা আছে কিন্তু ওদের পেমেন্ট এর বিষয়টা ক্লিয়ারলি বুঝতে পারছি না।ঠিক কবে চেকের জন্য আবেদন করা উচিত,কোন মাসের টাকা কোন মাসে পাওয়া যায় এই বিষয়টা একটু উদাহরন দিয়ে বিস্তারিত বুঝিয়ে দিলে ভাল হোত।আমার ৩য় পিন রিকোয়েষ্টের সময় শেষ হবে এই মাসের ২০ তারিখের দিকে।তারপর ইমেইলের মাধ্যমে আবেদন করব।সেটা এপ্রুভ এর পর চেকের আবেদন করার সময় থাকবে নাকি বুঝতে পারছি ন।তাই এই পুরো বিষয়টা একটু ক্লিয়ারলি আলোচনা করার অনুরোধ করছি…আশা করি অনেকের কাজে লাগবে…
হিসেবটা এরকম, যেমাসে আপনার টাকা ১০০ ডলার অতিক্রান্ত করবে তারপরের মাসের ৩০ তারিখ পার হলেই চেক ইস্যু হবে। ধরুণ এপ্রিলের ৩০ তারিখ পর্যন্ত আপনার আর্নিং হয়েছে ১২০ ডলার, তাহলে আপনার চেক ইস্যু হবে জুনের প্রথম সপ্তাহে। আপনি যদি কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবহার করেন তাহলে জুনের ৩-৭ তারিখের মধ্যে চেক পাবেন আর যদি ডাক সার্ভিস ব্যবহার করেন তাহলে চেক পাবেন ২০ জুনের পর (আগেও হতে পারে, তবে আমাদের দেশের ডাক বলে কথা!)।
এপ্রিল মাসের আয়ের হিসাব করা হবে মে মাসের ১ থেকে ৭ তারিখের মধ্যে, পেমেন্ট প্রসেসিং শুরু হবে মে মাসের ২২ থেকে ২৭ তারিখের মধ্যে; প্রসেসিং টাইম দুই/তিনদিন, তার পরেই পেমেন্ট ইস্যুড মেসেজ দেবে। ক্যুরিয়ারে চেক এলে ট্র্যাকিং নম্বর এবং ক্যুরিয়ারের নাম দিয়ে দেবে যাতে ওয়েবসাইট থেকে ট্র্যাকিং করা যায়।
ফিই আর রিয়া আপু, দুইজনকেই অনেক অনেক ধন্যবাদ।আরো কিছু প্রশ্ন ছিলঃ
১-পেমেন্ট হোল্ড থেকে কবে রিলিজের জন্য ছেড়ে দিলে ভাল হয়? মে মাসের টাকা পেতে হলে কি মে মাসের শেষ দিনের ভিতরে রিলিজ করতে হবে? নাকি জুন মাসের যে কোন দিন করলেই হবে?
২-বিভিন্ন ব্লগ আর ফোরাম ঘেটে দেখলাম সরকারি ব্যাংক বিশেষ করে সোনালী বা ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা তোলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।আমার প্রিমিয়ার ব্যাংকে একাউন্ট আছে।বেসরকারী ব্যাংকে কত চার্জ কাটে আর সময় কি বেশি লাগে?সরকারী ব্যাংকেই বা কত চার্জ কাটে আর কত সময় নেয়?
৩-কুরিয়ার এর ফি কেমন?ডাক এ আসলে কি কোন খরচ দিতে হয়?
৪-যেহেতু পিন নাম্বার আসে নাই তাই ইমেইলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র স্ক্যান করে আবেদন করব।গুগল থেকে কি কোন ফোন করা হয়?
এই উত্তরগুলো পেলে আশা করি অনেকেই খুব উপর্কত হবেন।দুইজনকেই আবারো অশেষ ধন্যবাদ…ভাল থাকুন…
১. অবশ্যই জুন মাসের ১-১৫ তারিখের মধ্যে পেমেন্ট হোল্ড রিলিজ করতে হবে। তাহলে জুন মাসের শেষের দিকে আপনার চেক ইস্যু হবে।
২. আমি ন্যাশনাল ব্যাংকের কথা বলতে পারি। তারা ৫-৭ ডলার কেটে রাখে। যে ব্যাংক থেকে আপনার এডসেন্স চেক ইস্যু হয়েছে সেই ব্যাংক ২৫ ডলার দাবি করতে পারে। পরামর্শ হল ১৫০ ডলারের নিচে চেক যেন না হয়। তাহলে চেক ফেরত আসার সম্ভাবনা থাকে।
৩. Secured Express Delivery DHL এর মাধ্যমে বাংলাদেশে চেক আনতে চাইলে ২৮ ডলার ফি রেখে দেয়। যেটা আপনার এডসেন্স একাউন্ট থেকে কেটে রেখে দেয়।
আর চেক standard delivery অপসনে কুরিয়ারে আমাদের দেশে আনার ব্যবস্থা নেই ।
৪. গুগল এডসেন্স একাউন্ট ভেরিফাই করার জন্য গুগল থেকে ফোন করা হয় কি না জানা নেই।
তবে আজ একটি জিমেইল একাউন্ট খুলতে গিয়ে ফোন ভেরিফিকেশন করার জন্য গুগল কল করেছে। এর আগে গুগলের বিভিন্র সার্ভিসের জন্য এসএমএসের মাধ্যমে ফোন ভেরিফিকেশন করা হয়েছে।
মায়াকানন ভাই অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ।বিশেষ করে ১ নাম্বার পরামর্শটির জন্য।যার ঠিকানা ব্যাবহার করছিলাম তিনি সময়মতো আমাকে Inform করেন নাই।আজকে যোগাযোগ করে দেখি ১ সপ্তাহ আগে ১ টা পিন রিকোয়েষ্ট আর গতকাল আরেকটা রিকোয়েষ্টের নাম্বার চলে এসেছে।বাংলাদেশে নাকি খুব কম এটা আসে সেদিক থেকে ভাগ্যবান।আপনার পরামর্শ অনুযায়ী আজই রিলিজের জন্য ছেড়ে দিলাম।খুব ছোট্ট অঙ্কের (177.92$) চেক হলেও আমার প্রথম চেক।দেখি কবে হাতে পাই।ইচ্ছে ছিল এ মাস শেষেই রিলিজ দিব কেননা এই মাসের এই ১৪ দিনে $68.83 যোগ হয়েছে।হয়তো 300$ ছাড়িয়ে যেত।অনেক সমস্যায় আছি বলেই আগে ভাগেই রিলিজের জন্য ছেড়ে দিলাম এখন শুধু আল্লাহ আল্লাহ করছি…
আদনান ভাই, অভিনন্দন।
আমার পরামর্শ হলো, ইসলামী ব্যাংকের লোকাল ব্রাঞ্চে একাউন্ট ওপেন করে ওখানেই চেক জমা দিন। কাজ দ্রুত হবে। তবে একটা ব্যাপার খেয়াল রাখবেন। ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারীদের আচার-ব্যাবহার খুব একটা সুবিধার না, ওদের কথা শুনে হঠাৎ করে মাথায় রক্ত চড়ে যেতে পারে। কিন্তু তাদের সার্ভিস ভালো… দ্রুত চেক ক্যাশ হবে এবং চার্জও তুলনামূলক কম কাটবে।
ওয়াও দারুন দারুন দারুন।অনেক ধন্যবাদ সুন্দর পরামর্শের জন্য।177 $ এর চেকের জন্য 28$ কুরিয়ার চার্জ দিতে হচ্ছে,বুঝেনিতি প্রথমবার বলে খানিকটা উত্তেজিত।খালি ভয় লাগে এই বুঝি কোন এক অজানা কারনে ব্যান্ড করে দিল।ভেবেছিলাম সোনালী ব্যাংকে একাউন্ট খলব, আপনার পরামর্শ পাওয়াতে এখন ভাবছি ইসলামী ব্যাংকেই খলব।ভাল থাকুন…
ভাইয়া, অভিনন্দন। প্রথমবার চেক পাবার উত্তেজনা আসলেই দারুন। আপনি যদি standard delivery অপসনে চেক নিয়ে আসতে চান তাহলে আপনাকে কোন টাকা/ডলার খরচ করতে হবে না। পোস্টের মাধ্যমে চেক আসতে ১০-১১ দিন সময় লাগে।
যে ব্যাংকেই একাউন্ট খুলবেন না কেন তা যেন আপনার চেক ইস্যু হওয়ার আগেই খুলেন। তা না হলে আপনার ব্যাংক একাউন্টে চেক জমা করতে ঝামেলা হতে পারে।
মায়াকানন ভাই আবারো অনেক ধন্যবাদ।”পোস্টের মাধ্যমে চেক আসতে ১০-১১ দিন সময় লাগে”-এতো কম সময়? তাহলে তো শুধু শুধু এতো টাকা গচ্চা দেওয়া লাগবে না।আর আমি রবিবার একাউন্ট খুলে ফেলতে চেষ্টা করব।
ভাইয়া, আপনি যদি চেক পাবার অপশন পরিবর্তন করতে চান তা হলে তাড়াতাড়ি করুন। এডসেন্স একাউন্ট এ কোন রকম পরিবর্তন করতে চাইলে মাসের ১৫ তারিখের মধ্যেই করতে হবে। তাহলে সে পরিবর্তন এ মাসেই কার্যকর হবে।
আর নিজের অভিঙ্গতা থেকে বলেছি, ”পোস্টের মাধ্যমে চেক আসতে ১০-১১ দিন সময় লাগে”।
পোস্টের মাধ্যমে চেক নেওয়া যেতে পারে। আফটার অল আমার এই অপশনটাই পছন্দ। পোস্টম্যানের সাথে ভালো খাতির থাকলেই চলে- মানে মাঝে মাঝে দশ বিশ টাকা ধরিয়ে দিলে চা খাওয়ার জন্য তাহলে আর কোনো সমস্যা হয় না। আপনাকে খোঁজে বের করেই চেক ধরিয়ে দেবে। তবে সাবধান! ভুলেও বলবেন না যে, টাকা পয়সার কারবার।
একটু আগেই দেখলাম এডসেন্স একাউন্ট খোলাখুলি ভাবেই বিক্রি হচ্ছে। গুগলের ব্লগার ব্যবহার করা হয়েছে, এডওয়ার্ডস ব্যবহার করা হয়েছে, এমনকি সেই ব্লগে এডসেন্স বিজ্ঞাপনও আছে। গুগল কিছুই বললোনা? আশ্চর্যের ব্যাপার এটাই যে গুগলের বাইরে অন্য কেউ গুগলের প্রোডাক্ট বিক্রি করছে দেখেও গুগলের চুপ করে থাকা। গুগলের জিনিস বিক্রিটাই শুধু নয়, সেইটার জনপ্রিয়তা বাড়ানো হচ্ছে গুগলেরই অন্যান্য প্রোডাক্ট ব্যবহার করে।
বাংলাদেশেও অনেক টাকার বিনিময়ে এডসেন্স একাউন্ট করে দেন শুনেছিলাম, তবে তাদের কারো গুগল ব্লগ ব্যবহার করে এডওয়ার্ডস ব্যবহার করে বিক্রি করতে দেখিনি।
কালকে আপু একটি ফোরামে দেখলাম প্রকাশ্যে এডসেন্স একাউন্ট বিক্রি করছে। গুগল অনেক ভালো সাইটের জন্য এডসেন্স এপ্রুভ করে না আবার একজনই প্রচুর একাউন্ট করছে।
আপু আমি একটা জিনীস বুঝি না এসব একাউন্ট কিসের ভিত্তিতে সেল হয়? কেননা আমি যতদূর জানি পেই নেইম তো চেঞ্জ করা যায় না?তাহলে এসব একাউন্ট থেকে কিভাবে টাকা আয় হবে?
ভাইয়া বুঝলেন না আমরা যারা জানি তাদের কাছে এরা এসব বিক্রি করতে আসবে না, এরা যারা এসব বিষয়ে অজ্ঞ তাদেরকে ভুলেই ভালিয়ে বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে এসব একাউন্ট বিক্রি করা হয়।
আদনান ভাইয়া, আমি তো জানি, এডসেন্স পেই নেম চেঞ্জ করা যায়। অবশ্য ইমেইল একাউন্ট এড্রেস (ইমেইল) চেঞ্জ করা যায় না…
সম্ভবত আমাদের দেশে পেই নেম চেঞ্জ করা যায় না,এখানে (https://www.google.com/adsense/support/bin/answer.py?answer=9906) লেখা আছে কিভাবে চেঞ্জ করতে হয় কিন্তু আমার একাউন্টে ঢুকে দেখলাম নাম চেঞ্জ এর অপশন নাই, প্রথমে যা দিয়েছিলাম সেটাই ডিফল্ট হয়ে আছে।আপনি আপনার একাউন্টে গিয়ে বিষয়টি চেক করে দেখতে পারেন।
এটি দেখুনঃ http://www.risedream.com/blog/2010/03/06/google-takes-option-editchange-payee-account/
আমার একাউন্ট একবার ব্যান হওয়ার পর আমার এক ফ্রেন্ডের ইমেইল, নাম ও ঠিকানা দিয়ে অন্য কম্পিউটার থেকে আরেকটি একাউন্টের জন্য আবেদন করি বছর খানেক আগে। ছয় মাস পর ঐ একাউন্ট থেকে আর্নিং শুরু হলে আমি পেই নেম চেঞ্জ করে আমার নাম দিই এবং ঠিকানা চেঞ্জ করে আমার ঠিকানা করে দিই।
উল্লেখ্য, যে নামে প্রথম একাউন্ট করেছিলাম সে নামেই পিন এসেছিলো। পিন আসার পর নাম ঠিকানা চেঞ্জ করি। তবে ইমেইল এড্রেসটি চেঞ্জ করা যায়নি।
কিন্তু এখন পেই ইনফরমেশনের পাশের এডিটে ক্লিক করে দেখলাম নাম চেঞ্জ করার কোনো অপশন নেই কিন্তু ঠিকানা চেঞ্জ করা যায়। সম্ভবত এই সার্ভিসটি বর্তমানে বন্ধ আছে।
এই বিষয়টিও সন্দেহজনক। নাম পরিবর্তন হয়না। যারা বিক্রি করছে তাদেরকে ইমেইল করলে অবশ্য জানা যেতে পারে এই ব্যাপারে তাদের উত্তর কি।
পেই নেম চেঞ্জ করার কোনো ব্যবস্থা এখন নেই…
আমি Neobux থেকে ২ ডলার পেয়েছি প্রায় অনেক ভুয়া সাইট আছে এরকম PTC ও Survey এর উপর।
এসব স্ক্যাম সাইটের চটকাদার বিজ্ঞাপনেগুলো দ্বারা আমরা খুব সহজেই এবং অল্পতেই প্রভাবিত হই। কিন্তু বেশির ভাগ সার্ভে সাইটগুলো আসলেই ভৃয়া। সবকিছু শেষে ফলাফল বারবার শুণ্যতেই দাডায়। কত যে সময় ব্যয় করেছি এগুলোর পিছনে এক সময় – ভাবলেও মনটা যেন আজ বিষিয়ে উঠে !
অফটপিক :ভাইয়া আপনার এই ব্লগ দ্বারা আমি ব্লগিং এ ব্যক্তিগত ভাবে অনেক বেশি অনুপ্রাণীত হয়েছি। পাশাপাশি নতুন অনেক কিছু শিখতে পেরেছি, এখনোও শিখছি এবং কিছুটা সফলও হয়েছি বলা চলে। এখন আমি একটি ডোমেইন কিনার চিন্তা-ভাবনা করছি। আপনি যদি স্পটলাইটে আমার সাইটের (যদিও সাব-ডোমেইন) একটি রিভিউ প্রকাশ করতেন, তাহলে এটি আমাকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে অনেকখানি সহায়তা করত।
আর ভাইয়া, আমার সাইটে অ্যাডে ভালই ক্লিক পডে। কিন্তু গুগল যেন প্রতিটি ক্লিকের বিপরীতে 0.01$ এর বেশি দিতেই চায় না। এ বিষয়ে আপনার কাছ থেকে কিছু টিপস আশা করছি। ধন্যবাদ।
ভাই গুগলের কোন ক্ষমতা নাই আপনাকে বেশি টাকা দেওয়ার।বিজ্ঞাপন দাতারা যত টাকা পে করে তার কিছু অংশ গুগল নেয় কিছু আপনাকে দেয়।এমনো কিওয়ার্ড আছে যাতে ক্লিক পড়লে 20$-30$ পর্যন্ত পাওয়া যায়।আর নিজের ডোমেইন না থাকলে ফ্রী হোষ্টিং ব্লগ হলে বিজ্ঞাপনদাতারা আপনাকে বেশি কেনই বা পে করতে চাবে কেননা আপনার Reliability কম।তাই ব্লগের টপিক চুজ করার আগে এ্যাডওয়ার্ড টুল দিয়ে বিজ্ঞাপনদাতাদের এভারেজ বিড চেক করে নেওয়া উচিত।আমার ব্লগের উপরে ব্যানার বসানোর জায়গা আছে যেখানে মাঝে মাঝে কিছু ভিডিও এ্যাডের জন্য ক্লিক প্রতি 2.2$ পর্যন্ত পাই আবার অনেক জায়গায় .05$ এর মতো পাওয়া যায়।তাই অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে ক্লিক প্রতি কত পাবেন।
আর ভাই, আপনার ব্লগ কোন বিবেচনাতেই রিভিউ এর যোগ্য হবে না যতদিন না আপনি অবৈধ লিঙ্ক শেয়ারিং বন্ধ করছেন।আপনি তো সরাসরি এ্যাডসেন্সের আইন পরিপন্থি কাজ করছেন,মূল্যবান বই ফ্রীতে ডাউনলোডের লিঙ্ক দিচ্ছেন।যে কেউ রিপোর্ট করলেই আপনার এ্যাডসেন্স একাউন্ট ব্যান্ড হয়ে যাবে।সময় থাকতেই সাবধান হবেন আশা করি…
আসলে আমি নিজেও এ বিষয়টি নিয়ে একটু কনফিউশনে ছিলাম। ধন্যবাদ আদনান ভাই আপনার মন্তব্যের জন্য।
দুংখিত একটু ভুল হয়েছে। নামটি Adnan না হয়ে আরমান হবে।
আদনান ভাই আপনার কথা কাজ হয়েছে। আরমান ভাই তার ব্লগ থেকে এডসেন্স এর কোড সরিয়ে নিয়েছে।
ধন্যবাদ রাইফুর ভাই, আপডেটের জন্য।আমার মনে হয় তার টপিক সিলেকশনেই ভুল হয়েছে।অনেক কষ্ট করেছেন যদিও তাও অন্য টপিকের উপর কাজ করলে বেটার হবে।আমি নিজেও প্রতিদিন প্রচুর সময় দিয়ে প্রায় ২ মাস বেগার খেটে Online Education এর উপর একটা ব্লগ গড়ে তুলেছিলাম,পরে যখন বুঝতে পারলাম এই টপিকের উপর কাজ করে বেশি এগুতে পারব না তখনই স্টপ করে দিলাম।এখন একটা ব্লগ আর ইবুক লেখার উপর আছি।প্রচুর শ্রম আর সময় দিচ্ছি দেখি কতদূর কি করতে পারি…
আমি নিজেও বিষয়টি নিয়ে একটু কনফিউশনে ছিলাম। ধন্যবাদ আদনান ভাই আপনার মন্তব্যের জন্য।
আমার জানা মতে ব্লগিং আর ফ্রিল্যান্সিং হলো অনলাইনে আয়ের নির্ভরযোগ্য উপায়
আমি ব্যাক্তিগতভাবে বিশ্বাষ করি যার লেখালেখি ভাল লাগে না তার কোন অবস্থাতেই ব্লগিং লাইনে আশা উচিত হবে না।কম্পিউটারে ভাল কাজ জানলে যে কারো জন্য ফ্রিল্যান্সিং ভাল আয়ের মাধ্যম হতে পারে।তবে সেক্ষেত্রে “Jack of all trades, master of none” এমনটি যেন না হয়…
আদনান ভাই ভালোই বলেছেন। “Jack of all trades, master of none”
আমার মনে হয় হাসান ভাই যারা অনলাইল আয় বিষয়ে আগ্রহি হয় তাদেও সবারই এক আধাবার এই ভুয়া বিষয়গুলির পিছনে ছুটে অভিজ্ঞতা হওয়া উচিত। তাহলে তারা বুঝতে পারবে অনলাইনে আয় করা এত সহজ বিষয় নয় এবং এত হালকা বিষয় নয় যে ক্লিক করালাম আর পয়সা এসে গেলো।
ঠিক আমার মনের কথা বলেছেন।এই ব্লগেই হাসান ভাই,রিয়া আপু বা আপনারা এতো কিছু লিখছেন তাও অনেকেই অনলাইনে আয়ের বাস্তবতা অনুধাবন করতে পারে না।মনে করে নামকাওয়াস্তে কিছু লেখা দিয়ে ব্লগ বানালাম আর কোড বসায় দিয়ে নাকে তেল দিয়ে ঘুরা যায়, ডলার বাবাজি ঘরের দরজায় এসে করা নারে…বাস্তবতা কতো কঠিন তা যারে ঠেকে শিখে তারাই জানে…
ঠিকই বলেছেন কিছু লোক পেয়েছি যারা কাজ কিছুই পারেনা অথচ মাসে কত ডলার আয় হবে সেই হিসাবটা আগে চায়।
আয়ের ব্যাপার শুনলেই কেন জানি আমার ভুয়া ভুয়া মনে হয়। শখে ব্লগিং করি এটাইতো অনেক!
আপনার কথা ঠিক।
কিন্তু সবার পক্ষে তো আর শখের পেছনে সময় ব্যয় করা সম্ভব হয় না। তাই ব্লগিং থেকে টাকা আসলে খারাপ কি? কিন্তু যারা ইমেইল পড়ে কিংবা সার্ভেতে অংশ নিয়ে টাকা কামাতে চায়, তারা কিছুই পারে না।
ঠিক বলছেন ভাই।