
রামছাগলের দেশে আমরা সবাই রামছাগল
রামছাগলের দেশে আমরা সবাই রামছাগল
রামছাগলের দেশে আমরা সবাই রামছাগল
রামছাগলের দেশে আমরা সবাই রামছাগল
রামছাগলের দেশে আমরা সবাই রামছাগল
রামছাগলের দেশে আমরা সবাই রামছাগল
সত্যিই কি আমরা রামছাগল?
এই ধরনের আরোও কিছু পোস্ট:
No related posts.
{ 59 comments… read them below or add one }
aami apnader sathe akmot na!!!!!!!!!!!!!!!!
ভাই একটু বিস্তারিত বলেন… কোনো বিষয়ে এক মত নয়। সবাই যে একমত হবেন, সেটা কখনই ভাবিনি।
ভাই কেউ রাজনৈতিক আলোচনা আবার শুরু করে দিয়েন না।এই খবরটা পড়ে অনেক বেশী ভাল লাগলঃ http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-06-06/news/69045
ফেসবুক খুলে দিয়েছে।এই মাত্র সরাসরি ঢুকে দেখলাম।আশা করি লিঙ্কটা ভুলে যাননি কেউ।সেই যে http://www.facebook.com
দেশটায় হঠাত কি সব হচ্ছে।কিছুদিন আগে ৫ তলা বাড়ি ধসে পড়ল, এখন আবার এই মর্মান্তিক আগুন লাগার ঘটনা-শতাধিক মানুষের কি অবর্ননীয় কষ্টকর মৃত্যু।জাষ্ট একটা মাঝারি মানের ভুমিকম্প হলেই আবারো চলে যাবে হাজার হাজার তাজা প্রাণ।পরম করুনাময় আমাদের সহায় হোন…
সত্যিই আদনান ভাই পরম করুনাময় ছাড়া আমাদেও জীবনের নিরপত্তা দেবার মত এখানে আর কোন কিছু নেই। নিমতলির ঘটনায় কতটা মর্মাহত হয়েছি বলে বুঝাতো পারবনা।
এখন আবার ২২ তলা বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে, মাত্র Breaking News দেখলাম
আমার মনে হয় এই ছবিটা সেইদিনের আগুনের ভয়াবহতা বোঝাতে যথেষ্টঃ http://www.prothom-alo.com/media-detail/type/photo/album/764/media/3572
“একদিকে উদ্ধারকর্মীরা, অন্যদিকে বাঁচার প্রাণান্ত চেষ্টারত বিপদাপন্ন মানুষ। মাঝখানে দাউদাউ করে জ্বলছে আগুন”
This time latest news: another Concord’s 22-storied building is leaning and crack to one side at shantinagar in Dhaka city.What will do City development authority Rajuk or people of the city.
‘কনকর্ড গ্র্যান্ড টাওয়ার নিরাপদ ঘোষণা’ কিন্তু টাওয়ারের উপর প্রচারিত ভিডিও নিউজ ক্লিপের সাথে হঠাৎ এত তাড়াতড়ি নিরাপদ ঘোষণা ব্যাপারটিতে সন্দেহ থেকেই গেল । হয়ত ঘটনা ঘটার পরের ব্যাপার আগে জানা ঠিক হয়নি বা কনকর্ড এর ব্যবসায়িক দিক ভাবছে সরকার ।
রাজউককে কঠোর জবাবদিহিতায় আনা খুবই জরুরী। তাহলে নগর-ঢাকার বসতিতে কোনই ক্রুটি থাকবে না ।
আইনের প্রতি আমাদের বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধা নেই, তাই আপনার এই কামনা কোনোদিনই পূরণ হবে না।
আসোল তারা চায় কি?
ভাই , আমার দেশও কি কোন মন্ত্রির ছবি দিয়েছিল ? তা না হলে তো বন্ধ হওয়ার কথা না ।
শুনলাম ফেসবুক আবার ওপেন করে দেওয়া হবে।আরো একটা খবর হলো আমারদেশ পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছে সরকার।
হে হে মজা পাইলাম
কতঝড় মেঘ আসে চলেযায় আকাশ মনে রাখেনা।ফেসবুক ওপেন করেদিলে সবাই সব কষ্ট ভুলে যেত কবেযে আবার ওপেন করবে আল্লাহ মালুম।
It not fair to close the cage book.
আমাদের কর্তাব্যাক্তিরা এটা বুঝেন না যে, নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি মানুষের কৌতুহল আরও বেশি হয়। এতোদিন যারা ফেসবুক বুঝতো না তারাও এর প্রতি আগ্রহী হবে।
ফেসবুক বন্ধের কারণ হিসেবে ওরা দেখিয়েছে, বিতর্কিত কিছু লিংক। আসলে তা না। কারণ বিতর্কিত লিংকগুলো অনেকদিন থেকেই ছিলো। কিন্তু যেই মাত্র রডিনের কার্যকলাপ শুরু হলো তখনই ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছে।
ভাই আপনাকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারব না । আপনিই আসল কথা বলেছেন । আমিও আপনার সাথে সহমতে আছি । কর্তা ব্যাক্তিদের নামে কিছু বললেই দোষ । আমি চাই , বাংলাদেশে হাজার হাজার রডিন তৈরি হোক ।
সহমত
একটা অজুহাত দরকার বলেই লিঙ্কগুলোর কথা বলা হয়েছে। আর এভাবে কি ওরা ফেসবুক ব্যাবহার আটকাতে পারবে?
ফেসবুক বন্ধের এক ঘণ্টার মধ্যেই আমি ফেসবুক ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছিলাম। হয়তো অনেকে তারও আগে থেকেই শুরু করতে পেরেছে।
এখন ফেসবুকে ঢুকে দেখি পরিচিত সবাই-ই ফেসবুকে আছে। কারও-ই-তো ফেসবুক ব্যবহারের বাকী নেই। তাহলে কেন এই কাহিনী? কর্তারা কি ফেসবুকের প্রচার/বিজ্ঞাপন চালাচ্ছেন?
ভাবলে অবাক-ই লাগে…
Sottie …….
দুদিন ধরেই এনিয়ে ব্লগ গুলিতে তুমুল আলোচনা হচ্ছে। কেউ পক্ষে বলছে কেউ বিপক্ষে কিন্তু কারো লেখা থেকেই এখন পর্যন্ত গঠনমূলক কোন কিছুই আমি খূজে পেলাম না যে ফেস বুক আমাদের জন্য কতটা উপকারী কতটা অপকারী। শুধু বন্ধ করে দিয়েছে বলে এ নিয়ে যেভাবে ব্লগ গুলোতে আলোচান হচ্ছে তা দেখে মনে হচ্ছে এটা বিশাল একটা জাতীয় কিংবা জীবন মরণ সমস্যা এ না হলে আমাদেও জীবন বাচবে না। আমি ব্যক্তিগত ভাবে কোন কিছু বন্ধ করে দিয়ে তার সমাধান খোজার পক্ষে নই। সরকার এইক্ষেত্রে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে ঠিক আছে। তাই বলে এ নিয়ে এত আলোচনার কি আছে। যারা এ নিয়ে আলোচান করছে তাদেও মধ্যে অন্তক ২০ জন কে আমি বলতে বলেছিলাম এর প্রয়োজনীয়তা সম্বন্ধে ৫টি করে বাক্য বলার জন্য। বাক্যগুলোর মধ্যে চ্যাট করা, ছবি আপ করা আর বন্ধু তালিকা বাড়ানো ছাড়া কেউ অন্য কোন উত্তর দিতে পারে নাই। অথচ এরা ফেসবুক বন্ধ হয়েছে বলে ভাবখানা এমন দেখাচ্ছে যে এ না হলে এরা মরে যাবে।
এই ভরা মৌসুমেও বাংলাদেশে চালের দাম বৃদ্ধি হচ্ছে। ফেনবুকে নিয়ে যে হারে আলোচনা হচ্ছে এর সমপরিমানে যদি এই চাল নিয়ে হতো তাহলেও সাধারণ মানুষের জন্য অনেক উপকার হতো। তা হবে না কারণ ওটা সাধারনের মানুষের বিষয়।
সহমত।
চালের দাম বাড়লেও হৈচৈ নেই কারন, এদেশের অধিকাংশই দূর্নিতিগ্রস্থ। আর দূর্নিতিগ্রস্থের ক্রয় ক্ষমতা চালের দাম বাড়াকেও হার মানায়।
রাজীবুল ভাই,ব্লগের ফ্যান পেজ বসানোর আগে আমি নিজেও ফেসবুকের ফ্যান ছিলাম না।কখনোই কেন জানি চ্যাটিং ফ্যাটিং ভাল লাগত না। তবে প্রয়োজনীয়তার কথা যদি বলেন তা ভিন্ন বিষয়।অনেকেই যেমন নতুন কম্পিউটার কিনতে গেলে প্রশ্ন করেন প্রোগ্রামিং পারো কিনা, এই কাজ সেই কাজ জান নাকি।কম্পিউটারকে শুধু বিনোদনের জন্য ব্যাবহার করা হলেও তাতে আমি দোষের কিছু দেখি না।আমি কাজ জানলে কাজ করব আমার বন্ধু কাজ না জানলে নাটক দেখে বেড়াবে তাতে কোন সমস্যা আছে বলে মনে করি না।
তেমনিভাবে আমাদের দৈনন্দীন একগুয়ে জীবনে ফেসবুক যদি এক টুকরো প্রশান্তির সুবাতাস এনে দিতে পারে তাতে তো আমাদেরই লাভ।কয়েকদিন আগে আমি প্রায় ৭ বছর পর আমার স্কুল জীবনের ৬ বন্ধুকে ফেসবুকে খুজে পেলাম।অনেকেই তার পুরানো বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে, নিয়মিত নিজেদের আপডেটেড তথ্য শেয়ার করে, বিভিন্ন সামাজিক রাজনীতিক ইস্যুতে নিজেদের মতামত শেয়ার করে।এখন আমরা সবাই যেভাবে ব্যাস্ত হয়ে পরছি তাতে কারো সাথে দেখা করা খুবই টাফ।এ ক্ষেত্রে এই ভার্চুয়াল ব্যবস্থা অনেক ভাল।
আর সব প্রযুক্তির খারাপ দিক থাকবেই।রাতদিন যদি ফেসবুক নিয়ে বসে থেকে থেকে facebook syndrome এর রোগী বনে যান তবে তাতে প্রযুক্তির দোষ কোথায়।দোষ তো সেই আপনার যিনি নিজের বিবেক,জ্ঞান,বুদ্ধি ত্যাগ করে অনর্থক কাজে সময় ব্যায় করছেন।এভাবে ফেসবুকে দোষ দিলে তো গোটা ইন্টারনেট ব্যাবস্থাকে দোষ দিতে হয়, আপনি গুগলে গিয়ে সার্চ দিন, নিমিষেই অশ্লীল সব উপরকরন পেয়ে যাবেন, জানতে পারেন নিত্য ব্যাবহৃত জিনীস পত্র দিয়ে কিভাবে বোমা বানাতে হয়, কিভাবে অন্যের ক্রডিট কার্ড মেরে দিতে হয়।এখন আপনি কি একে গুগলের খারাপ দিক বলবেন?
আমার কথা হোল, প্রযুক্তির বিপুল ক্ষমতার সর্বোচ্চ সুব্যবহার নিশ্চিত করার দ্বায়িত্ব আপনার,কেননা আপনি সেই জীব যাকে পৃথিবীর সব জ্ঞান,বুদ্ধি,বিবেকবোধ দিয়ে তৈরী করা হয়েছে…
আদনান ভাই আমি কিন্তু ফেসবুক বিরোধী নই। আমি শুধু আলোচনার ক্ষেত্রটার কথা বলছি। যারা খুব আগ্রহ ভরে এই আলোচনায় দিনরাত ব্লগ গরম করছে তারা কিন্তু আপনার বলা face book syndrome টাইপের লোক। আমি তাদের এই আচরণ গত পদ্ধতির কথা বলছি। আর ব্যবহার বিধির যে কথা আপনি বলেছেন সেটা ঠিক আছে? সবাই শুধু জ্ঞানের জন্যই প্রযুক্তি সেবা নিতে চাইলে প্রযুক্তি কখনই সামনের দিকে এগিয়ে যাবে না। এখানে বিনোদন আছে বলেই তা এত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এখন এই বিনোদন কে আপনি আপনার স্বাভাকিত বুদ্ধি বিবেচনায় কোন দিকে নিবেই সেটা আপনার একান্তই ব্যক্তি গত বিষয়। আমাদের ক্ষেত্রে এই ব্যক্তিগত বিষয়টি ভালোর চেয়ে খারাপের দিকে বেশী অগ্রগামি এবং এই ব্যক্তিগত বিষয় যখন সমষ্টিগত বিষয়কে আঘাত করে আলোচনার ক্ষেত্র প্রস্তুত করে তখন এই খারাপের সংগিরাই এই আলোচনায় অগ্রগামি হয়ে সেটাকে গরম করে রাখে।
ফেসবুক বন্ধ হয়ে গেঠে ব্যক্তিগত আমিও অসুবিধার সম্মুখিন। তাই বলে আমি কিন্তু নেশাগ্রস্তেদর মত আচরণ করছিনা। আমি এই নেশাগ্রস্তেদর বিরোধীতা করছি।
উজ্জ্বল ভাই,
দেখেন আমি আপনার চালের দামের সাথে একমত। আমাদেরকে ওই বিষয়গুলোতেও নজর দিতে হবে যা আমরা দেই না।
ফেসবুকে আমার ২১২জন বন্ধু আছে লিস্টে, যাদের ৯০% কে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি। আমার বন্ধুর লিস্ট বড় হচ্ছে না, বরঙ ছোট হয়ে যাচ্ছে। কারন আমি প্রয়োজনে যারা ফেসবুকে উৎপাত করে, তাদের ডিলিট করে দেই। আমি চ্যাট করার জন্য কিংবা ‘তোমাকে খুব ভাল লাগে’ টাইপের মন্তব্য করতেও ঢুঁকি না। আমি খুবই অসামাজিক জীব – লোকজনের সাথে খুব একটা মিশি না, তাই ফেসবুকে টুকটাক কথা হয়। ৯৫% সময়ই আমি অফলাইনে থাকি।
এছাড়া আমি নিজের প্রফেশনাল কাজে ফেসবুক ব্যবহার করছি, দু সপ্তাহ আগে আমার এক সাবেক কলিগ ফেসবুকে যোগাযোগের মাধ্যমে আমি একজন নতুন ক্লায়েন্ট দিয়েছে।
দেখুন এই কারণগুলোও ছোট নয়, ফেসবুক নিয়ে লোকে কি করে না করে সেটা তাদের ব্যাপার কিন্তু মাথা ব্যথায় মাথাই কেটে ফেলতে হবে এর কোনো যুক্তিই খুঁজে পাই না।
Rajibul ভাইয়ের সাথে সহমত । আমরা আসলে ফেসবুক নেশায় আসক্ত , এর ফলাফল মাদকের চেয়েও ভয়াবহ ।
ফেসবুক বন্ধ করায় এত আলোচনা হইতেছে মনে হয় এটাই দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা ।
zinnat vai, tahole FB jokhon silona tokhon apni ki korten?
Govt. valo ekta step niyeche Fb off kore. FB er shikkha hok. Govt ato request korar por O tara Allah & nobi der biroddhe group guli off koreni. Akhon tara r bangladeshi ad pabena.
দেখুন, আপনি হয়তো আমার কথা বুঝতে পারেননি। আমি ফেসবুক খোলা বন্ধ নিয়ে বিতর্কে আসতে চাই না।
সরকার বিনা কারনে ইউটিউব বন্ধ করেছে, তার পেছনে কি কোনো যুক্তি দিতে পারবেন?
আগের সরকারগুলো পেপালকে আটকে রেখেছিল, শুধু একারনেই আউটসোর্সিংয়ে আমরা এত পেছনে পড়ে আছি। পেপালকে আটকে রাখার পেছনের কারণ জানেন তো? পেপাল খুলে দিলে নাকি দেশের সবটাকা বিদেশে পাচার হয়ে যাবে।
আমরা অনেক আগেই ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হতে পারতাম, কিন্তু আগের সরকারগুলোর সিদ্ধান্তের কারনেই হতে পারিনি। ইন্টারনেটে যুক্ত হলে নাকি দেশের তথ্য পাচার হয়ে যাবে?
আমি সমস্যা শুধু সরকারের অর্বাচিন সিদ্ধান্তগুলোতে।
যুগে যুগে আমাদের সরকারগুলো আমাদেরকে রামছাগল বানিয়েই রেখেছে? ওখানেই আমার সমস্যা, ফেসবুক না থাকলে আমার কিছু যায় আসে না।
জিন্নাত উল হাসান ভাই আপনার http://bn.jinnatulhasan.com/2009/09/1508 থেকে উদ্ধৃত “…..আরেকটা খবর শুনে মাথায় কয়েকটা শিরা টনটন করছিল। জনৈক মন্ত্রী কিংবা আমলা বলেছেন, আমাদের প্রচুর অব্যবহৃত ব্যান্ডউইড্থ রয়েছে, তাই সেগুলো অন্য দেশের কাছে বিক্রি করলে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যাবে। কি করতে ইচ্ছে করে!!!
“ইন্টারনেটের স্পীডের কারনে যেখানে আউটসোর্সিং ব্যাহত হচ্ছে, মেইল চেক করতে আধাঘন্টা পেরিয়ে যায়, FTP তে বারবার টাইমআউট হয়ে যায় – সেখানে নাকি তারা ব্যান্ডউইড্থ রপ্তানি করছেন। নিজ দেশের ইন্টারনেটের অবস্থা সম্বন্ধে কতটা অজ্ঞ হলে নেতারা এই কথা বলতে পারেন। PayPal শুরু অনুমতি দেন না, বিদেশে নাকি টাকা পাচার হয়ে যাবে। অথচ নিজেরাই হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে সম্পদের পাহাড় গড়ছেন।
“চলতে থাকলে শেষ করতে পারব না, তাই এখানেই শেষ করলাম।”
…এবার শেষ করুন সুরাহার উপায় দেখিয়ে।
[?] বানিয়ে রাখলে কোথায় যাব?
https://www.torproject.org/easy-download.html.en
এখান থেকে ফ্রী Tor সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন আর ফায়ারফক্সে এর এড অনটি ইনষ্টল হতে দিন।এর পর ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করলে নিচে ডান সাইডে দেখবেন Tor Disabled লেখা আছে।সেখানে ক্লিক করলেই Tor Enabled হয়ে যাবে।ব্যাস হয়ে গেল।
এবার ইচ্ছে মতো ফায়ারফক্স বা যে কোন ব্লক সাইটে ঢুকুন।যতবার Tor Disabled থেকে Tor Enabled করবেন আপনার আইপি চেঞ্জ হবে।এভাবে আপনি হোষ্টিং সাইট যেমন রেপিডশেয়ার থেকে প্রিমিয়াম একাউন্ট ছাড়া ওয়েট না করেই ফাইল নামাতে পারবেন।
বিদ্রঃ এভাবে প্রথমবার ফেসবুকে ঢুকতে চাইলে ওরা হয়তো একাউন্ট ভেরিফিকেশন করতে চাইতে পারে।সেক্ষেত্রে প্রথমে ঠিকভাবে ক্যাপচা কোড দিতে হবে, তারপর ওরা আপনার একাউন্টে যেই জন্ম তারিখ দিয়েছিলেন সেটা চাইবে।মনে থাকলে তো ভেরিফিকেশন হয়েই গেল না মনে থাকলেও চিন্তা নেই।এর পর ওরা আবার ভেরিফিকেশন করবে।তখন আপনার ইমেইল এ্যাড্রেসে একটা সিকিউরিটি কোড পাঠায় দিবে।সেটা কপি করে পেষ্ট করলেই হোল।
দুইনম্বরী উপায় ব্যবহার করে ফেসবুকে ঢুকা কোনো সমাধান হল না, কেন অযৌক্তিকভাবে ব্যান করা হল – এটাই আমার প্রশ্ন।
হাসান ভাই, সাময়িক বন্ধ করার ৩ টি কারন আছেঃ
১-পাকিস্তান আর বাংলাদেশে মূলত এই পেজটা (http://www.facebook.com/DrawMohammed) ফেসবুক কর্তপক্ষ আজ পর্যন্ত ডিলিট না করায় ২ দেশে আপাতত ফেসবুক ব্যান্ড।বিটিআরসি এটি সহ ফেসবুকের কিছু বিতর্কিত শাখা লিঙ্ক বন্ধ করার চেষ্টা করে যখন পারে নাই তখন পুরো সাইটটা ধরে বন্ধ করে দিছে।এখন টেকনিক্যালি কাজ চলছে।এই লিঙ্কগুলো বন্ধ করতে পারলেই খুলে যাবে ফেসবুক।
২-ফেসবুকের মাধ্যমে অনেক তরুনীরা যৌন হয়রানীর স্বীকার হচ্ছে।তাদের ফ্রেন্ড হবার মাধ্যমে অনেকে তাদের ব্যক্তিগত ছবিতে একসেস করার সুযোগ পাচ্ছে।পরে সেই সব ছবি সুপার ইম্প্রোভাইজেশনের মাধ্যমে অন্য অশ্লীল ছবির সাথে মিলিয়ে সব জায়গায় ছড়ায় দেওয়া হচ্ছে।কিছু ক্ষেত্রে সেই মেয়েটির ফোন নাম্বার এমনকি বাসার নাম্বার সহ।
৩-সম্প্রতি ধরা পড়া রডিন সহ আরো অনেকে ফেসবুকে আমাদের পবিত্র,মহামান্য,কর্মবীর,জনদরদী………নেতা নেত্রীদের ছবি বিকৃত করছে।
এসবই প্রযুক্তির খারাপ দিকের ফসল।আশা করি বিটিআরসি দ্রুত শাখা লিঙ্কগুলো বন্ধ করতে আর রডিনের মতো ব্যক্তিদের আইপি ট্র্যাস করে তাদের ধরতে সক্ষম হবে।কিন্তু এভাবে একটা সাইট বন্ধ করে দেওয়া অনেকটা মাথা ব্যাথার জন্য মাথা কেটে ফেলার শামিল।
আর ব্লগের বন্ধুরা, সম্ভব হলে সেই বিশেষ পেজটিতে গিয়ে ফেসবুকের কাছে রিপোর্ট/কমপ্লেন করুন।আমাদের মহানবীকে নিয়ে একটা পেজ খোলা হবে, সারা বিশ্ব থেকে প্রতিবাদের ঝড় উঠার পরো ফেসুবুকের নিতিমালা লঙ্ঘন করা সেই পেজ এখনো বহাল তবিয়তে ফেসবুকের শোভা বর্ধন করবে-এটা মেনে নেওয়া যায় না।জানি না আর কতো বিতর্কের জন্মদিয়ে শান্ত হবে ফেসবুক…
আমি আদনান ভাই আপনার সাথে একমত । তবে ‘রামছাগলের দেশে আমরা সবাই রামছাগল’ এখানে আমরা সবাই রামছাগল বলতে এত আবেগে ‘সরকার’ কে আমরা বলা যাবে না ।
আমরাই ওদেরকে গদিতে বসিয়েছি, তাই ওদের গালির ভাগ আমাদেরকেও নিতে হবে।
হাসান ভাই এর সাথে সহমতে আছি যদিও আমি ভোটার না ।
আমরা সমষ্ঠিগতভাবে তাদেরকে গদিতে বসিয়েছি, সেই অনুসারে আমরা সবাই পাপী।
জিন্নাত উল হাসান ভাই আছেন তো দূরে তাই এই [?] সরকার আপনার ব্লগকে ব্লকের চিন্তা নাই…নতুবা আপনার এই ব্লগ সাইট হউক আমাদের জন্য [যারা (?) না] আলাদিনের ডিজিটাল দৈত্যের মত ধরা দিক…
thank You ভাইয়া…………
ভাইয়া, Anti-Virus নিয়ে বেশ ঝামেলায় আছি এ ব্যাপারে কি একটু হেল্প করতে পারেন।
ফ্রী এবং ভাল কি Anti-Virus ব্যাবহার করতে পারি।
Avast রেজিস্ট্রেশন করে ব্যবহার করুন, এক বছর ব্যবহার করতে পারবেন।
সম্ভোব হলে অবশ্যই ক্যাসপারস্কি কিনে নিন।এটাই সেরা।আর কিনতে না চাইলে পাইরেটেড কপি ডাউনলোড করে নিন তারপর http://www.kavkisfile.com/ থেকে কি ডাউনলোড করে নিন।আর লিগ্যাল্লি পাওয়া যায় এরোকম ফ্রী এন্টিভাইরাসের মাঝে Avg আমার ফাস্ট চয়েস…তবে ক্যাসপারস্কির সত্যি বিকল্প নেই।ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বললাম।
আদনান ভাই, এভিজি আমারও সেরা চয়েস। কিন্তু “ক্যাসপারস্কির বিকল্প নাই” কথাটা মানতে পারলাম না। কারণ নিজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, অনেকেই ক্যাসপারস্কির সঠিক ব্যবহার জানে না, কিংবা যে কোনো কারণে-ই হোক, ক্যাসপারস্কি ভাইরাস মনে করে অনেক মূল্যবান ফাইল-ই নষ্ট করে দিতে সক্ষম। যা এভিজি বা ম্যাককাফি’র দ্বারা কখনোই হয় না। তাই ক্যাসপারস্কির বিকল্প নাই বলতে আমি নারাজ… স্যরি কিছু মনে করবেন না, নিজের মতামত জানালাম শুধু। তবে, হ্যাঁ, ক্যাসপারস্কি ভালো বলতে আমার দ্বিধা নেই…. এভাস্টও খারাপ না… পান্ডা ব্যবহার করেও আরাম পেয়েছি।
তবে ব্যবহার জানলে, যারা উইন্ডোজ ব্যবহার করেন… উইন্ডোজ সিকিউরটি এলার্ট দিয়ে ভাইরাস প্রতিরোধ করা যায়… আমার এটা ভালো লাগে…
যদি্ও কিছু ঝামেলা আছে তারপরও আমি বলবো, কিছুদিন ব্যবহার করেই দেখুন… ভালো লাগতেও পারে…
সাধারণ এন্টিভাইরাস কম্পিউটার স্লো করে দেয়… কিন্তু উইন্ডোজের নিজস্ব প্রতিরোধক তা করতে দেয় না… আপনি শুধু খেয়াল রাখুন উন্ডোজের লেটেস্ট ভার্সান ইউজ করছেন কি-না…
আরে নাহ ! কিছু মনে করার কি আছে?আমার অভিজ্ঞতায় যা দেখেছি তা হোলঃ
বিটডিফেন্ডার আর ক্যাসপারস্কি সবচেয়ে বেশি ভাইরাস/ট্রোজেন হর্স ডিটেক্ট করতে পারে।কিন্তু বিটডিফেন্ডার অনেক ক্ষেত্রেই ভাইরাস দূর বা ক্লিন করতে পারে না যেটা ক্যাসপারস্কি পারে।
নরটন/ম্যাকফি কম ভাইরাস ডিটেক্ট করতে পারে কিন্তু যেগুলো করে তা ১০০% ক্লিন করতে পারে।
AVG/Avast/Panda উপরের গুলোর তুলনায় বেশ দুর্বল।অনেক সময় অনেক সহজ ভাইরাস ধরতেই পারে না।বিশেষ করে Avast এর ফ্রী ভার্সনে এরোকম অভিজ্ঞতা হয়েছে।সেই তুলনায় AVG খুব ভাল।
ESET NOD32 শুনেছি বেশ নাকি ভালই।ব্যাবহার করা হয় নি।
বিভিন্ন জনের পিসির ভাইরাস দূর করার সময় প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা থেকে উপরের মূল্যায়ন করলাম।আর ক্যাসপারস্কির একটা বিষয় যেটা ভাল লাগে তা হোল এটি নর্টন/বিটডিফেন্ডার এর মতো পিসি স্লো করে দেয় না।আমি অটো প্রটেকশন এর সব অপশন অফ রাখি।পেন ড্রাইভ Shift চেপে ঢুকিয়ে (যাতে অটো অপেন না হয়ে যায়) তারপর স্ক্যান দেই।আর স্ক্যানের ক্ষেত্রে High Level সিলেক্ট করা আছে,সবার আগে ক্লিন করার চেষ্টা করে তারপর না পারলে ডিলিট করে দেয়।
আর আপনি সম্ভোবত Windows Defender এর কথা বলছেন।আগে এটা ব্যাবহার করেছিলাম।তখন চরম ফাউল ছিল।মোটেও আপডেটেড ছিল না।পরে শুনলাম একে নাকি আবার ঢেলে সাজানো হয়েছে।খুব ভাল নাকি সার্ভিস দেয়।চেক করে দেখা হয় নি।আসলে এখন ক্যাসপারস্কি নিয়েই হ্যাপি।
আর যারা ভাইরাস নিয়ে খুব সচেতন তাদের উচিত হবে এন্টিভাইরাস/ইন্টারনেট সিকিউরিটির সাথে Spyware Doctor এর মতো Spyware Remover ব্যাবহার করা।কারন সাধারন এন্টিভাইরাস/ইন্টারনেট সিকিউরিটিগুলো এটির মতো Spyware Remover করতে পারে না।তবে বেশি সফটওয়্যার ইউজ করলে পিসি স্লো হওয়ার চান্স থাকে।তাই অটো ডিটেকশন ফিচার ডিসেবল রেখে চালাতে পারেন।
বিভিন্ন এন্টিভাইরাস এর রিভিউ জানতে এই সাইটটা আমি ব্যবহার করি।অন্যরাও দেখতে পারেনঃ
http://anti-virus-software-review.toptenreviews.com/
তবে যতো যা-ই বলুন না কেন, আমি মনে করি সচেতনতাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার. এই যে আপনি শিফট চেপে পেনড্রাইভ ইন করান, এটাই সবচেয়ে ভালো ওয়ে… এরকম আরও কিছু ব্যাপার আছে, যেগুলো পারে সত্যিকারভাবে ভাইরাস থেকে মুক্ত করতে।
গতকাল এক ফ্রেন্ডের এখানে গেলাম, সে বললো, তার পিসিতে ভাইরাস তাই সি ড্রাইভ ফরমেট দিয়া নতুন করে উইন্ডোজ দিয়ে দিতে।
আমি তাকে অনেক বলেও বুঝাতে পারলাম না যে, সি ড্রাইভ ফরম্যাট দিলেই পিসি ভাইরাস মুক্ত হয় না… শেষ পর্যন্ত তার কথা মতোই সি ফরম্যাট দিয়া উইন্ডোজ দিতে হইছে… বুঝুন ঠেলা…
শিফট চেপে না ধরে ও অটোরান ডিজেবল করা যায়। এবং সেটা সম্পূর্ন নিরাপদ। নিচের লিংকটি দেখতে পারেন।
http://zcwbd.com/zahid/tune_id_128
এরোকম আরো কিছু ট্রিকস অনেক আগে থেকে ব্যবহার করে আসছি।কিন্তু সবসময় কাজ দেয় না।১০০% সিকিউরড থাকার জন্য শিফট চেপে ধরাই বেটার মনে করি।
THANK YOU ADNAN BHAI.
@নাশা, আদনান ভাই ধন্যবাদ পেলো কী কারণে……. ?
হাঃ হাঃ আমিও বুঝি নাই।ঊনি যখনই আসেন একটা করে ধন্যবাদ দিয়ে যান… হেঃ হেঃ
Thanks for this link: https://www.torproject.org/easy-download.html.en
হাসান ভাই, আমি কিন্তু ভালোই আছি। ফেসবুক ব্লক হবার পর আমার সাইট হিট।
একদিনে ভিজিট প্রায় 400′র কাছাকাছি (রাত 10.21 মিনিটে)। এই পোস্টে কেবল গুগল থেকেই নয়, বরং গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইনের মতো সাইট থেকে ব্যাকলিংকের বদৌলতেই আমার পৌষ মাস চলছে।
আমিও পাইছি এই পোস্টেরজন্য। একদিনে প্রায় ৩০০০ হিট! মানুষ ফেসবুককে কতটা ভালবাসে…এটা দেখেই বুঝা যায়।
কারও পৌষ মাস, কারও সবর্নাশ!
আমরা যারা বাংলাদেশে বাস করছি তারা আসলেই রাম ছাগল। তাই তো সরকার আমাদের উপর যা চাপিয়ে দেয় সেটা মুখ বুজে মেনে নিই।