![[প্রতিযোগিতা বিজয়ী] গুগল এডসেন্স: একগুচ্ছ টিপস এন্ড ট্রিকস [পর্ব ১] [প্রতিযোগিতা বিজয়ী] গুগল এডসেন্স: একগুচ্ছ টিপস এন্ড ট্রিকস [পর্ব ১]](http://cdn.jinnatulhasan.com/wp-content/uploads/2010/06/wwinner.jpg)
আশা করি প্রবন্ধটি পড়ে সবাই উপকৃত হবেন।
“সর্বগ্রাসী” গুগলের একটি অসাধারন সার্ভিস গুগল এ্যাডসেন্স যার সাথে কম বেশী আমরা সবাই পরিচিত। সাধারন একটা ওয়েব সাইট বা ব্লগকে টাকা আয়ের মেশিনে পরিনত করতে এর জুড়ি মেলা ভার। আগে একটা সময় ছিল যখন গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠিত সাইটেই কেবল বিজ্ঞাপন দেখানো যেত। এরপর অনলাইন জগতে এ্যাডসেন্স এর আবির্ভাব পুরো হিসেবকে উল্টে দিল।এর মাধ্যমে “অনলাইন মার্কেটিং’ এর ধারনাটি একটি শক্ত ভিত পেল,জন্ম নিল লাখ লাখ ক্ষুদ্র ব্লগার বা ওয়েব পাবলিশারের যাদের দৃপ্ত পদচারনায় ওয়েব জগত পরিনত হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জ্ঞানভান্ডারে।ভৌগলিক সীমারেখার প্রতিবন্ধকতা দূর করে লাখো মানুষ নিজেদের জ্ঞানকে ছড়িয়ে দিচ্ছে সবার মাঝে, একই সাথে পাচ্ছে আয়ের নিশ্চিত একটি পথ। এসব কিছুর পিছনে অন্যতম বড় ভূমিকা রাখছে গুগল এ্যাডসেন্স।যাই হোক, গুগল এ্যাডসেন্স “কি“, “কেন“, “কিভাবে” এসব প্রশ্ন নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন নেই। কমবেশী আমরা সবাই এ সম্পর্ক জানি।তাই আজকের এই লেখায় এ বিষয়ে নিজের পড়ালেখা ও অভিজ্ঞতা আলোকে কিছু বিশ্লেষন ও টিপস এন্ড ট্রিকস শেয়ার করার চেষ্টা করব। আশা করি আমার এই প্রচেষ্টা আপনাদের ভাল লাগবে। চলুন তবে শুরু করা যাকঃ
প্রথমত,
গুগল এ্যাডসেন্স আর সাইটের জনপ্রিয়তা-এ ২টি বিষয় নিবিড়ভাবে জড়িত। আপনি যতো ভালই ব্লগিং করেন না কেন ভিজিটর না পেলে আপনার প্রচেষ্টা মাঠে মারা যাবে। আবার মাসে হাজার হাজার ভিজিটর আসে এমন সাইট থেকেও খুব বেশি আয় নাও হতে পারে।এ্যাডসেন্স থেকে আয়ের বিষয়টি নির্ভর করে কোন ধরনের টপিকের উপর লিখছেন, কোন দেশ থেকে আপনি ভিজিটর পাচ্ছেন, কত ক্লিক পরছে, আপনার লেখা কতোটা স্বতন্ত্র, ভাল মানের ইত্যাদি হাজারো বিষয়ের উপর। তাই চট করে একটা ব্লগ বানিয়ে তাতে ২-৪টা পোষ্ট করে এ্যাডসেন্স এপ্রুভ হয়ে কোড বসালেই টাকা আসা শুরু করবে না। আপনার সাইটকে আগে জনপ্রিয় করতে হবে। যত বেশি ভিজিটর আসবে ততোই বিজ্ঞাপনে ক্লিক পড়ার চান্স বাড়বে, বাড়বে ক্লিক প্রতি আপনার আয়ের পরিমান। তাই রাতারাতি বড়লোক হয়ে যাবেন এই ধারনা নিয়ে ব্লগিং জগতে যারা পা রেখেছেন বা রাখার চিন্তা করছেন তারা আজই নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে ফেলুন। ইউনিক কন্টেন্ট, ব্যতিক্রমধর্মী, সহজবোধ্য নান্দনিক উপস্থাপনা আর সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন এর মাধ্যমে নিজের সাইটের জনপ্রিয়তাকে কিভাবে তুঙ্গস্পর্শী করা যায় তা নিয়ে ভাবুন। প্রথম দিকে ব্যর্থতা আসতে পারে তাতে ভেঙ্গে পড়লে চলবে না। কেন ব্যর্থ হলেন, কিভাবে আপনার পছন্দের বিষয় নিয়ে লিখবেন, কিভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন, কিভাবে পাঠককে আকর্ষন করবেন, কিভাবে পাঠকের আকর্ষন ধরে রাখবেন-এসব কিছু ধীরে ধীরে বুঝার চেষ্টা করতে থাকুন আর লেগে থাকুন-দেখবেন এ্যাডসেন্স থেকে টাকা আয় শুরু হচ্ছে-হয়তোবা আপনার প্রত্যাশার থেকেও অনেক অনেক বেশী পরিমানে।
দ্বিতীয়ত,
একটা ওয়েব সাইট ভিজিট করলে যে অংশটুকু মনিটরের পর্দায় শুরুতেই একবারে স্ক্রলিং না করেই দেখা যায় তাকে “Above the Fold” বলে। নিঃসন্দেহে এসব জায়গায় বিজ্ঞাপন দেখালে সবচেয়ে বেশি ক্লিক পরার চান্স থাকে, আয়ও হয় বেশই।গুগলের এ্যাডসেন্স হিট ম্যাপও তাই বলে। তবে এখানে একটা “কিন্তু” আছে।সাধারনত প্রতিটি ব্লগের ডিজাইন হয় ইউনিক।অন্য ব্লগের যে স্থান থেকে সবচেয়ে বেশী আয় হয় সে একই স্থানে কোড বসালেও হয়তো আপনার তেমন আয় নাও হতে পারে।আমার নিজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি আমার ব্লগের ডান/বাম সাইডবারে কোড বসালে কোন ক্লিক পরে না বললেই চলে। সবচেয়ে বেশি আয় হয় হেডারের নিচে বসানো ব্যানার এ্যাড থেকে।জায়গাটা “Above the Fold” বলে ক্লিক প্রতি আয় হয় অনেক বেশি, কোন সময় ২.২৫ ডলার পর্যন্ত।তাই নিজের ব্লগকে নিয়ে এক্সপেরেমেন্ট করুন, সেটিকে পাঠকের চোখে দেখুন।কোন কোন জায়গায় কিভাবে কোন কোন এ্যাড ইউনিট বসালে ব্লগের সাথে মানানসই হবে, বেশী ক্লিক পাবেন তা খুজে বের করুন। অন্যের পরামর্শে নয় বরং নিজের প্রাপ্ত অভিজ্ঞতার আলোকে এক্সপেরিমেন্ট করতে থাকুন,ইনশাল্লাহ খুব দ্রুত সাফল্যের পথটি খুজে পাবেন।
তৃতীয়ত,

অনেকেই দামী কিওয়ার্ড ধরে ব্লগ বা ওয়েব সাইট বানানোর চেষ্টা করেন। একসময় তীব্র প্রতিযোগীতায় টিকতে না পেরে ধৈর্য্য হারিয়ে লেখালেখি বন্ধ করে দেন।অথচ একটু সৃজনশীল চিন্তা করলে সেই দামী কিওয়ার্ডগুলোকে আপনার ব্লগে ধীরে ধীরে প্রবেশ করাতে পারেন। ধরুন আপনি Accounting এর বেসিক টিউটোরিয়াল নিয়ে একটি ব্লগ বানালেন। এখন আপনি যখন বেসিক টিউটোরিয়াল লিখবেন তখন হয়তো অনেক ভিজিটর পাবেন কিন্তু খুব বেশি আয় হবে না।তাতে সমস্যা নেই। একটু দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করুন।প্রথম ৪০-৬০ টা ইউনিক টিউটোরিয়াল লেখার মাধ্যেমে দেখবেন ধীরে ধীরে একটি ভাল পাঠকগোষ্ঠী তৈরী করতে পেরেছেন যারা নিয়মিত আপনার ব্লগ ভিজিট করছেন।এবার আপনি ধীরে ধীরে নিজের লেখায় বৈচিত্র আনুন। গুগল এর অনন্য সার্ভিস Adword Keyword টুলটির কথা জানেন নিশ্চয়ই। ইদানীং এটি আরো সমৃদ্ধ হয়েছে। এই টুলটির সাহায্যে আপনার টপিক রিলেটেড কিওয়ার্ডগুলোর Estimated Avg. CPC চেক করুন। Views থেকে Customize Columns থেকে Estimated Avg. CPC অপশনটি এনাবেল করে দিন। এবার Estimated Avg. CPC লেখা কলামে ক্লিক করলেই Highest Paying Keyword গুলো সবার আগে প্রদর্শন করবে।উদাহরন হিসেবে বলা যায়, Accounting এর উপর করা কোন ব্লগে Online Accounting Degrees, Online Accounting Schools, Online Accounting Classes এসব টপিকের উপর ধারাবাহিক রিভিউ লিখতে পারেন। ব্লগের টপিকের সাথে মিল থাকায় পাঠকও খুশী হবে, আবার আপনার আয়ের সম্ভাবনাও বাড়বে কেননা উল্লেখিত কিওয়ার্ডগুলোর Estimated Avg. CPC যথাক্রমে $24.72, $20.62, $24.59। কিওয়ার্ড বসালেই যে এই মানের এ্যাড পাবেন তা নয় কিন্তু দামী টপিক হওয়াতে আপনার অন্যান্য লেখার থেকে এই সব লেখা থেকে বেশী আয়ের সম্ভাবনা থাকবে।
চতুর্থত,
এ্যাডসেন্স থেকে আয়ের পরিমান নির্ধারন করা হয় কিওয়ার্ড সিলেকশন, ভিজিটরের পরিমান, তাদের ভৌগলিক অবস্থান,এ্যাডের প্রকৃতি ইত্যাদি অনেকগুলো বিষয়ের উপর। সাধারনত আমরা বিভিন্ন জায়গায় যে সব দামী কিওয়ার্ডের তালিকা পাই তার সবই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য প্রযোজ্য। যেমন ধরুন উপরে উল্লেখিত কিওয়ার্ডগুলোর Estimated Avg. CPC বাংলাদেশের হিসেবে ১ ডলারেরও কম। তাই কোন দেশ থেকে ভিজিটর আসছে সেদিকে চোখ রাখুন, সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে যেন ৫০% এর বেশি ভিজিটর আসে সেদিকে সচেষ্ট হউন। গুগল এনালিটিক্স সহ বিভিন্ন ট্র্যাকিং টুল ব্যবহার করে ভিজিটর আসার পরিমান, Landing page, Keyword analysis, Most visible pages প্রভৃতি জানার চেষ্টা করুন।সর্বোপরি High Buying Capability আছে এমন দেশের ভিজিটর আকৃষ্ট করার চেষ্টা করুন।
পঞ্চমত
এ্যাডসেন্স থেকে সাফল্য পেতে চাইলে কোন শর্টকাট পদ্ধতির আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। বিখ্যাত লেখক SHIV KHERA এর একটি রেজিষ্ট্রার্ড উক্তি আছে তা হোলঃ
“WINNERS DON’T DO DIFFERENT THINGS.
THEY DO THINGS DIFFERENTLY”
এটি আমার সবচেয়ে প্রিয় উক্তি।আমার বিশ্বাস প্রতিটি নতুন ব্লগারেরও তাই মেনে চলা উচিত। নিত্য নতুন ফর্মুলার পিছনে না দৌরিয়ে এ্যাডসেন্স থেকে টাকা আয়ের স্বাভাবিক উপায়গুলো নিজের মতো কাষ্টমাইজেশন করে এপ্লাই করুন।আশা করি সাফল্য পাবেন। এ প্রসংগে একটি ঘটনা না শেয়ার করলেই নয়। কিছুদিন আগে রিয়া আপুর ইংরেজী ব্লগে একটা লেখা দেখলাম যেখানে তিনি সেই পেজে ৫টি এ্যাড ইউনিট ব্যাবহার করেছিলেন। লেখার মধ্যে ৩টি আর ১টি করে ব্যানার আর সাইডবারে।প্রিমিয়াম পাবলিশার ছাড়া ৫টি এ্যাড ইউনিট দেখানো সম্ভব নয়।পরে আপুর মাধ্যমে জানলাম ব্যাপারটি Iframe এর মাধ্যমে করা। আমার কাছে আইডিয়াটি দারুন মনে হওয়ায় নিজের ব্লগে তা এপ্লাই করব ভাবলাম। তবে তার আগে একটু সিউর হওয়ার জন্য অন্য ফোরামে প্রশ্ন করলাম। অভিজ্ঞ পাবলিশাররা এটি করতে মানা করলেন। পরে দেখলাম আপুও সেই বিজ্ঞাপনগুলো সরিয়ে দিয়েছেন। তাই আমার কথা হল, রিয়া আপু বা হাসান ভাই অনেক অভিজ্ঞ ব্লগার, এ্যাডসেন্স পাবলিশার। তাদের কাছে যেটা নিছক ছেলেখেলা আমাদের অনেকের জন্য তা আগুন নিয়ে খেলার শামিল হতে পারে। বিভিন্ন সাইটে ঘুরে ঘুরে কোন নতুন ফর্মুলা পেলেই উত্তেজিত হয়ে যাবেন না। আগে অভিজ্ঞ ব্লগারদের সাথে পরামর্শ করুন। আদৌ সেই ফর্মুলার প্রয়োজন আছে কিনা তা যাচাই করুন। আর সবচেয়ে ভাল হয় সহজ স্বাভাবিক পদ্ধতিগুলোই প্রয়োগ করুন, কেননা বিজয়ীরা যুগ যুগ ধরে সেভাবেই সাফল্য পেয়ে চলছেন।
চলবে… সাথে থাকুন
সাথে থাকুন, ভাল থাকুন।
সবার জন্য রইল শুভ কামনা।
এই ধরনের আরোও কিছু পোস্ট:
- [প্রতিযোগিতা বিজয়ী] গুগল এডসেন্স: একগুচ্ছ টিপস এন্ড ট্রিকস [পর্ব ২]
- গুগল এডসেন্সে সফলতার জন্য একাধিক টিপস – ডিজিটালপয়েন্ট ফোরাম থেকে তুলে নেয়া
- ওয়েবসাইট আর বাউন্স রেট নিয়ে কিছু কথা – জেনে রাখা ভাল
- এ্যাডে ক্লিক পড়ে কিন্তু কম টাকা পাই? এখন কি করব?
- ওয়েবসাইট নিয়ে প্রশ্নোত্তর | খোলা চিঠি [২৩শে মে, ২০০৯]
- ওয়েবসাইটে ট্রাফিক পেতে keyword মজবুত করুন
- গুগল এডসেন্স চেক – জানুয়ারী, ২০০৯
- গুগল এডসেন্স নিয়ে আমাদের ১৪টি ভূল ধারনা
{ 55 comments… read them below or add one }
প্রথমত আদনান ভাইকে চমৎকার এই লেখাটা উপহার দেয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাই। আসলে হাসান ভাইয়ের এই সাইট থেকেই মুলত আমার নিজের একটা সাইট তৈরীর আগ্রহ জাগে। অনিয়মিত কমেন্টার হলেও নিয়মিত পাঠক এখন এই ব্লগের। জানতে পেরেছি অনেক কিছু।
এই পোস্টটা নবীন প্রবীন সবারই ভাল লাগবে ও নবীনরা অনেক কিছু শিখতে পারবে। তবে অবশ্যই আগ্রহ থাকতে হবে।
@রনি পারভেজঃ আপনি বেশ ভালমাপের ও পরিচিত একজন ব্লগার তাই আপনার কমেন্টের ওপর কোন কমেন্ট করার সাহস আমার নেই। তবে এটাতো ঠিক যে মানুষের মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা ও চেষ্টার সংযোগ ঘটাতে পারলেইতো সফলতা আসে। আর অন্তর্জালের দুনিয়ায় এটার প্রয়োগ আরো অনেক অনেক অনেক সচেতনতার সাথেই করতে হয়। তা না হলে পপুলারিটি ধরে রাখা সম্ভব নয়। আর অনলাইন আয় আয় করে যারা হাহুতাস করে কোন ধরনের মেধার প্রয়োগ না করে তারা যে খুব বেশিটিন টিকতে পারে না এটাতো বিশ্বাস করেন? এইতো দু’চার দিন আয় আয় করে তারপর নিজের ব্যর্থতার দায়ভার এ্যডসেন্স বা ওডেস্কের উপর চাপিয়ে দিয়ে বিদায় নেয় এখান থেকে। পরে গিয়ে কেও যদি এদিকে আসতে চায় তাদেরকে জিনিসগুলো ভুয়া বলে নিরুৎসাহি করে তোলে। এতে মেধাবী কিছু ব্লগার হারাই আমরা। এমন ঘটনা আমার নিজের সামনেই বহুবার ঘটেছে। সে দিক বিচারে আদনান ভাইয়ের এই ব্লগটি শুধুই রচনা শৈলীর দিক থেকে উচুমানেরই নয় বরং প্রায়োগিক দিক থেকেও অনেক গুরুত্বের দাবী রাখে।
এবার ব্লগের একজন পুরান নিয়মিত পাঠক পাঠক হিসেবে আমার কিছু দাবি পেশ করছি হাসান ভাই, রিয়া আপু, আদনান ভাই, পান্থ ভাই সহ সকল ব্লগারদের কাছে, তা হল এই ব্লগটা বাংলা ভাষায় এ্যডসেন্সের আর্টিকেলের জন্য যেমন এনসাইক্লোপিডিয়া স্বরূপ তেমনি ব্লগে আরো কিছু বিষয় যেমন ওয়ার্ডপ্রেস, পিএইপি, ও এইচটিএমএল এর উপর নতুন ও গভীর লেখার আশা করছি। যাতে দেশী এক জন নবীশ যেন ভাষাগত কারণে ব্লগদুনিয়ায় কোন সমস্যার মুখোমুখি না হয়। এতে আমাদের নতুনরা খুব সহজের অনেক কিছু শিখতে পারবে।
সবশেষে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি এই জন্য যে আমার লেখা অনেকটা বিক্ষিপ্ত ছিল। তবে আমার মনে হয় মুল ভাবটা কোন মতে বুঝাতে পেরেছি। সেটা বুঝাতে পারলেই আমার কমেন্ট সার্থকঅ
ভাইয়া,
আসলেই টপিক choice করার গুরুত্ব বুঝতে পারছি। কিন্তু কোথায় গেলে টপিক সহজে খুজে পাব সেটা বললে খুব ই সুবিধা হত। কারন অনেক দিন ধরে টপিক খোজার চেষ্টা করেও সাফল্য পাচ্ছি না। এমন কোনো লিন্ক দিতে পারবেন যাতে সহজে টপিক ডিরেকটরি খুজে পাবো?
আমি একদিন এই ব্লগ এর একটা কমেন্ট এ জিন্নাত ভাইয়া এর জবাব এ দেখলাম যে তার ব্লগ/সাইট টপিক টা খুব ভালো হোয়েছে। ঐ পোস্ট টা পোস্ট টা খুজে পেলাম না।
যাই হোক, সেরকম ভালো টপিক খুজতে কি করবো বা কোথায় যাবো সেটা বললে অনেক সুবিধা হত।
ধন্যবাদ ভাইয়া। ভালো থাকবেন।
এর আগেও পড়েছিলাম আবার পড়লাম(এডসেন্স পাবার পর)
অনেক ধন্যবাদ
Guru adnan,
Sobar moto thanks dea tomai choto korty chai na boss. Tomar lekha jotoi porce totoi gan ahron korce.Ame bessas kore se din r base dure noi j din ame sofol hobo tomar guid line er jore…..
আদনান ভাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এই লেখার জন্য, সাথে কৃতজ্ঞতা।
আমি বেশ আগে একবার এই ব্লগে এসেছিলাম, তারপর চলে গিয়েছিলাম একটা লেখা পড়েই। তবে মনে রাখতে (বুকমার্ক) ভুলিনি।
কিছুদিন ধরে আমি আমার পড়াশোনা এবং কর্মক্ষেত্রের বিষয় নিয়ে লেখালেখি করবো বলে ভাবছি। ব্লগ, অ্যাডসেন্স, ইত্যাদি বিষয়ে না জেনে এই প্রতিযোগিতামূলক জগতে নামা ঠিক হবে না বলে এই সাইটে আমার আবার ফিরে আসা। কিন্তু এবার এসে দেখলাম আপনার এবং অন্য অনেকের ভীষন সক্রিয় অংশগ্রহন। খুব ভালো লাগলো। সবচেয়ে বড় ব্যাপার দারুন সমৃদ্ধ অনেক লেখা পেলাম। ধন্যবাদ আপনাদের সকলকে।
আমি কার্জন হল আর অমর একুশে হল ছেড়েছি বছর দু’য়েক হলো। না হলে আদনান ভাইয়ের সাথে হয়ত দেখাও হয়ে যেত।
আচ্ছা এখানে রিয়া আপুর অনেক লেখার লিঙ্ক দেখি যেগুলোতে ক্লিক করলে “access forbidden” বলে। ঐ লেখাগুলো দেখার কি কোন উপায় নাই।
আবারও ধন্যবাদ।
হাসান ভাই, ব্যস্ততার কারনে যেহেতু ব্লগে সময় দিতে পারছেন না তাই এই প্রতিযোগিতার অন্য লেখাগুলো প্রকাশ করলে বোধহয় ভাল হোত। অনেকেই হয়তো অনেক আশা নিয়ে অংশগ্রহন করেছিল। আর কারো লেখার কোণ বিষয় নিয়ে কোন দ্বিমত থাকলে লেখার নিচে ফুটনোট যোগ করে দিতে পারেন…
হাসান ভাই, এমন একটা প্রানবন্ত আলোচনায় সবাইকে নিয়ে আসার জন্য আপনাকে প্রথমে ধন্যবাদ দিচ্ছি। আর আদনান ভাইকে এডস্যান্স নিয়ে বাংলায় একটা অসাধারণ লেখার জন্যও ধন্যবাদ। আমার এই ব্লগিং সংক্রান্ত প্রযুক্তি জ্ঞান খুবই সীমিত, ব্লগিং নিয়ে অভিজ্ঞতা আরো সীমিত। সামহ্যোয়ারইন ব্লগে আমার মায়ের রেসিপি ব্লগটা চালাতে গিয়েই ব্লগ ব্যাপারটায় নিজেকে জড়িয়ে ফেলি। কিন্তু বছরখানেক আগে আমার এক বন্ধু ব্লগের মাধ্যমে টাকা আয়ের ব্যাপারটা বলল, ওর সাথে কাজ করতে বলল। পরে ও ব্যস্ততার জন্য আমার সাথে থাকতে পারেনি। আমি তখন গুগলে ব্লগার ব্লগ খুলি। কোন পরিকল্পনা ছাড়াই Information Technology নিয়ে কিছু অভিজ্ঞতা আর জ্ঞান অন্যদের শেয়ার করার জন্য এই ব্লগটি শুরু করি – http://itmanagerblog.blogspot.com। এরপর জাপান প্রবাসী এক বন্ধুর সাথে একত্রে আরেকটা ব্লগ শুরু করি (গুগল অবশ্য তা বন্ধ করে দেয় তাদের policy violet করার অভিযোগে)।
এতকথা বলছি যে কারণে – পরে একসময়ে আমি ব্লগে পোস্ট করা কিংবা সময় নষ্ট নাকরে ব্লগ নিয়ে পড়তে শুরু করি। SEO, AdSense নিয়ে টীপস এবং সাইটে Traffic বাড়ানোর উপায় নিয়ে পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে ব্যাপারটা খুবই কঠিন। আপনার এই লেখাটি AdSense নিয়ে অসাধারণ একটা লেখা, পরের পর্ব গুলো এখনই পড়ে ফেলব। আর আপনার কাছে অনুরোধ রইল, আমার ব্লগটি দেখে যদি কিছু পরামর্শ দিতেন আমার ব্লগে SEO, AdSense কিংবা এই ব্লগটা থেকে টাকা আয়ের জন্য আর কি করা যেতে পারে।
আদনান ভাই, হাসান ভাই, রিয়া আপু, কৌশিক ভাই আর আপনাদের সবার পরামর্শের অপেক্ষায় রইলাম। ভাল থাকবেন।
ধন্যবাদ আদনান ভাই।
আমি আপনার ৫ম বিষয় থেকে একটা শিক্ষা পেলাম (ধরা খাওয়া শিক্ষা)
আমি রিয়া আপুর ব্লগ থেকে রিয়া আপুর কৌশল অবলম্বন করে আমার বিভিন্ন পেজে এড বসাই, ৩৫০+পেজ ভিউ এর পরে পাই ২টি ক্লিক।
এখন এটা অবৈধ* জেনে মনটা খুব খারাপ হয়ে গেলে।
মূলত বেশী এড শো করার আশায় না, ওয়ার্ডপ্রেস এ এডসেন্স ব্যবহার করার জন্য ভালো কোন প্লাগইন পাচ্ছিলাম না বলেই এই বোকামী করলাম।
দয়া করে আমাকে আলোর পথ দেখান……….
প্লাগইনের সন্ধান দিন (ভালো মানের)
এখন পর্যন্ত আমার মনে হয় গুগল টের পায় নাই
টের পাইলে খবর করে ছাড়বে……………..
আমন্ত্রনের জন্য ধন্যবাদ ভাই। আমি এই বিষয়গুলা তেমন একটা জানিনা। তবে ইন্টারনেটে ঘোরাঘুরি করতে করতে এ সম্পর্কিত অনেক লেখা পড়েছি। ধন্যবাদ……
আমি বড় লেখা পড়তে ভয় পাই।আর আদনান ভাইয়ার লেখাটা এত বড়!!!!আবার নাকি আরো বাকী আছে তাই সাহস পাচ্ছিলাম না পড়ার।কিনতু সাহস করে পড়ে দেখি ওয়াও…।পরের গুলো পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।বরাবরের মতই গোছানো আর অনেক হেল্পফুল।পুরোটা পরে নেই পরে মেইল করে জ্বালাব কিনতু আদনান ভাইয়া।
হুম…আপনি তো আমাদের কারো কথাই শুনলেন না। সেই একই ডোমেইনেই আছেন……
ভাইয়া আমি ডোমেইন নিয়েছি কিনতু ঐ ব্লগটা এখোনো গোছানো হয়নি তাই এখানে এড্রেস দেইনি।আমি আবার কারো কথা শুনলাম না কই!
প্রিয় আদনান ভাই, হঠাৎ একটা লিঙ্ক দেখে আমিও দেখতে এলাম
রিয়ার ব্যাপারে বলি, আপনি ঠিকই লিখেছেন, চট করে কিছু দেখেই তা প্রয়োগ না করাই শ্রেয়। রিয়া মাঝেম ধ্যেই কি যে অসংখ্য পরীক্ষা চালায় তার ঠিক নেই। রিয়া নিয়মিত যোগাযোগ রাখে গুগল এডসেন্স টিমের সঙ্গে, সে সাময়িক ভাবে কিছু পরীক্ষা চালালে আগেই সেটা গুগলকে জানায়। গুগলের সম্মতি উত্তর পেলে তবেই পরীক্ষা চালায়। কিন্তু অন্যরা এইসব জানেনা বলে সমস্যা হতে পারে। আমার মতে, পাবলিক ব্লগে এইসব পরীক্ষা চালানো উচিৎ না। সাময়িকভাবেও না। কারন অসুবিধা ঘটতে মাত্র অল্প সময় লাগে।
কৌশিকদা আমাদের ব্লগে স্বাগতম। রিয়া আপুর ব্যাপারটি কিন্তু এ জন্য উল্লেখ করি নি যে রিয়া আপু কোন নিতিবিরুদ্ধ কাজ করেছেন। আপনি, রিয়া আপু বা হাসান ভাই-আপনারা অনেক অভিজ্ঞ ব্লগার বলে সব কিছু জেনে বুঝেই করেন যা আমাদের মতো নতুন ব্লগারদের অনুসরন করা উচিত হবে না। সেই প্রসংগ বোঝাতেই সেই ঘটনার উল্লেখ করেছি। আপুর ইমেইলের উত্তরে ব্যাপারটি আমিও ব্যাখ্যা করেছি। আশা করি আমার পয়েন্ট অভ ভিউ বুঝতে পেরেছেন।আশা করি এই ব্লগে নিয়মিত হবেন, রিয়া আপুর মতো কিছু অতিথি পোষ্ট লিখে আমাদের সাহায্য করবেন। শুভ কামনা রইল…
** আপনাদের ব্লগের নিচে যে রিয়া & কৌশিক লেখা থাকে তা এখন আমার জন্য অনেক বড় একটা ইন্সপাইরেশন। আমিও আমার কাছের মানুষটিকে নিয়ে সামনের মাস থেকে নতুন একটা ব্লগে কাজ করার স্বপ্ন দেখছি। দেখা যাক কতোটা কি করতে পারি।দোয়া রাখবেন ভাল থাকবেন…
আমি আজকাল লেখার খুব একটা সময় পাইনা। লিখতে হলে আমাকে একটা রুটিন বানাতে হবে স্কুলের মতো। নাহলেই নানা কাজে বাদ পড়ে যাবে। দুইজনে মিলে ব্লগিং কমই আছে, পারলে করুন, ভালোই হবে। মাল্টি ইউজার ব্লগ প্রচুর আছে, একক ব্লগ প্রচুর আছে, দ্বৈত ব্লগিং খুব কম।
ব্লগে লেখা মানে নিজের মনের অনেকটাই প্রকাশ করতে পারা, অভ্যাস জারি থাকা ভালো। আজকাল অধিকাংশ ব্লগ উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা। আমার মাঝে মাঝে মনে হয় উদ্দেশ্য ছেড়ে দিয়ে মনকে উন্মুক্ত করে দিতে পারলে অনেক ভালো ফল হতে পারে।
এই ব্লগটা আমার খুব ভালো লাগে। মাঝে মাঝে আসি আমি। খুব সুন্দর একটা কমিউনিটি তৈরী হয়েছে। রিয়াকে দেখি অনেক ইমেইল উত্তর দেওয়ার ভীড়ে অনেককেই এই ব্লগে এসে অনেক কিছু শিখে নিতে বলে।
“আমাদের” এই ব্লগের মতো এতো প্রানবন্ত আর কোন বাংলা ব্লগ আছে বলে মনে হয় না। এর মূল কৃতিত্ব হাসান ভাইয়ের। তবে ভাইয়া সম্ভোবত ইদানিং একটু বিজি হয়ে পরেছেন। সে কারনে ব্লগটা ইদানিং প্রানহীন হয়ে যাচ্ছে। আশা করি হাসান ভাই আগের মতো সময় দিবেন।
আর কমিউনিটির ব্যাপারে একটু হতাশাজনক ব্যাপার হোল আমাদের গ্রুপটা অনেক ছোট। ঘুরে ফিরে ৩০-৫০ জন নিয়মিত কমেন্টস করেন, মতামত শেয়ার করেন। আর আমরা বেশিরভাগ পাঠকই টেকনিক্যালি খুব পুউর। এ কারনে মানসম্মত আলোচনা, সমালোচনা কম হয়। এ ব্লগে নিয়মিত চোখ রাখেন এমন সবাই যদি এই লেখাগুলো বিভিন্ন বাংলা ফোরামে ছড়িয়ে দিতেন, সবাইকে ব্লগে আমন্ত্রন জানাতেন তাহলে সবাই মিলে আরো অনেক ভাল কাজ করতে পারতাম। যাই হোক, আমাদের পরম সৌভাগ্য আমরা হাসান ভাই আর রিয়া আপুর বাংলা ব্লগ পেয়েছি যেখানে নিজ মাতৃভাষায় এতো কিছু শিখতে পারছি। আশা করি এই দুইজনের প্রচেষ্টা সুদির্ঘকাল অব্যাহত থাকবে…
আর ভাইয়া “মাঝে মাঝে আসি” বললে হবে না।নিয়মিত কমেন্টস করতে হবে…
কৌশিক ভাই,
আপনাকে আপনাকে ভাই বলবো না, দুলাভাই বলল – সে বিচারে গেলাম না। এই ব্লগে আমরা সবাই ভাই ভাই, খালি কয়েকজন বোন বোন
আমার এই ব্লগে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি।
——————————————————–
এডসেন্স বিষয়ে কয়েকটি কথা
আমার বয়স কম হলেও (!) ব্যক্তিগত জীবনে আমি অনেকটা বুড়োদের মতোই। যেকোনো বিষয়ে এক্সপেরিমেন্ট চালাই কম – যা লেখা আছে, সেটাই মেনে চলি। প্রতি পেজে ৫টি ব্লক বসানো যায়, পাচঁটাই বসাই। বেশি বসালে বেশি পয়সা কামানো যায়, এটা একদম ভুল।
এডসেন্স অনেকদিন ধরেই ব্যবহার করছি, তাই বেশি কিছু সুবিধাও পেয়েছি। গুগল সবার আগে বাছা বাছা কিছু ব্যবহারকারীকে পাউন্ডে উপার্জন করা শুরু করার পর আমি তাতে আমন্ত্রন পাই। কিছুদিন আগে গুগলের একটি সম্মেলনেও ডাক পাই, শেষ মুহুর্তে সম্মেলনটি বাতিল হয়ে যায়। এছাড়া কিছুদিনের মধ্যেই এডসেন্সের ইন্টারফেসে পরিবতর্ন আসছে, আমি ইতিমধ্যেই সেটা ব্যবহার শুরু করেছি।
মনে হচ্ছে গুগলের নেক নজরেই আছি।
হাসান ভাই, ৫টি ব্লক হবে না ৩টি ব্লক হবে? আর ভাইয়া আপু সেই ব্যাপারটি ইচ্ছে করে বেশি টাকা আয়ের জন্য করেননি। এক্সপেরিমেন্ট করতে করতে বেশি যে এ্যাড ব্লক বসিয়ে ফেলেছিলেন তা তার মনে ছিল না। পরে আমার কমেন্টস এর পর দ্রুত সেগুলো সরানোর ব্যবস্থা করেন। এমনিতেই আমাদের দুলাভাই সে কারনে আপুকে বকা দিয়েছেন, আপনিও আর বকা দিয়েন না। আর ওহ হ্যা বয়সের যে ব্যাপারটি বললেন, বসন্ত কিন্তু আসে আর চলে যায় কিন্তু হাসান ভাইয়ের কোন পরিবর্তন নেই !!! জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন এভাবে আর কতো দিন????
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা উপলক্ষে আমার ছোটখাট একটা পিএইচডি হয়ে গেল। এর আগে আদনান ভাইয়ের দেওয়া SEO, adsense, blogging এর উপর ই-বুকের বিশাল সংগ্রহশালা http://www.mediafire.com/jinnatulhasan থেকে ইবুক গুলো ডাউনলোড করে ফেলে রেখেছিলাম। আলসেমী করে খুব বেশি পড়া হইনি। হাসান ভাইয়ের এই প্রতিযোগিতা উপলক্ষে একনিমিষেই সব ইবুক পড়ে ফেললাম। বলাই বাহুল্য এতে আমার মনে জমে অনেক প্রশ্নের উত্তর জানা হয়ে গেল। কয়েকটা বিষয়ে আমার যে অস্পষ্টতা ছিল তা একদম দূর হয়ে গেছে। আর সঙ্গী হয়েছে ব্লগিংয়ের কিছু নতুন ধারণা। এই প্রতিযোগিতা থেকে এইটাই আমার বড় অজর্ন। বোনাস আদনান ভাইয়ের এই অসাধারণ প্রবন্ধ। তিনপর্বের এই প্রবন্ধের পরের প্রবন্ধগুলোর অপেক্ষায় রইলাম।
অনেক ধন্যবাদ নূর আপনাকে। আশা করি এবার সবাই বুঝতে পারবে কেন ইবুক/বই পড়ার প্রতি আমি বারবার এতো গুরুত্ব দেই। আর লিঙ্কটা একটু চেঞ্জ করেছি। বর্তমান লিঙ্কঃ http://www.mediafire.com/bdblogger
আমার হার্ডডিস্কে এত বেশি রিসোর্স হয়েছিল যে কিছুদিন আগে অনেকগুলো ডিলিট করে দিতে হয়েছে। আমাকে ২ ৩ মাস সময় দিন। একটু টাকা পয়সা হাতে আসলে অনেকগুলো বই প্রিন্ট করে ফেলব আর সব রিসোর্সগুলো ডিভিডিতে রাইট করে রাখব।যখন যার দরকার হবে একটু কষ্ট করে ডিউতে এসে আমার কাছ থেকে নিয়ে গেলেই হবে…দ্বিতীয় পর্বে সবচেয়ে কার্যকর ৫টি টিপস পাবেন। আশা করি সেটাও ভাল লাগবে…
আদনান ভাই,
আমার একটা বড় দু:খ,
আমি আপনার ওয়েব সাইটের এড্রেস জানিনা।
জানাবেন কি?
ভাই দু:খ পাওয়ার কিছু নাই। সব টিপসই তো দিয়েছেন, এর চেয়ে কিছু কি জানার দরকার আছে?
আমি একজন ভারতীয় ব্লগারের কাহিনী জানি, উনার এডসেন্স টার্গেট করে অজস্র ওয়েবসাইট আছে। যারা যারা ওয়েবসাইটের ঠিকানা চান, এই মন্তব্যের নিচে জানান। ইমেইলে কিছু ওয়েবসাইটের ঠিকানা পাঠিয়ে দেব।
পড়লাম, ভালো লাগলো।
বিজয়ী হওয়ার জন্য আদনানকে অভিনন্দন।
বাকী দুই পর্ব পড়ে একটা রিভিউ লিখবো আশা করছি।
আমার দেখা গুগল এডসেন্সের উপর সেরা লেখাগুলোর মধ্যে এটি শ্রেষ্ঠ লেখা, অভিনন্দন আদনান ভাই ।
ইদানিং কাজের ঝামেলায় নেটে খুব বেশি সময় দিতে পারি না। তাই এই ব্লগের অনেক আলোচনাই ইচ্ছা থাকলেও এড়িয়ে যাই। আদনান ভাই আপনার প্রথম পর্বটি পরে ভাল লাগল অন্যের মত খুব আপ্লুত হতে পারেনি তার কারণ আপনার লেখার সাথে আমার সামান্য পরিচিতি আছে আমি এরকম লিখতে পারেন এটা আমি জানি। এই বিষয়টি যদি নতুন কেউ লিখতে পারবো তবে আমি আরো বেশি খুশি হতাম। অনেক দিন আগে আমি আপনাকে একটা মেইল করেছিলাম সার্চ ইঞ্জিন অপঃ ধারাবাহিকতা নিয়ে। আমি এখনও কিন্তু এই বিষয়টির অভাব বোধ করি। একজন নতুন ব্লগার প্রথম যখন এডসেন্স সমন্ধে ধারনা কিংবা প্রথম যখন সে একটা নতুন ব্লগ তৈরী করে তারপর সে ধারাবাহিক ভাবে প্রাথমিক কোন বিষয়গুলো সে বাধ্যতামূলক কাজ করবে, তার পর কোন বিষয়গুলো দিকে এগুবে এই ধরনের ধারাবাহিক লেখা ফিচার গুলো খুবি কমই পাওয়া যায়। ব্লগ, ফোরাম গুলোতে অনেক টিপস এন্ড টিকস পাওয়া যায় কিন্তু সেগুলো কোনটা প্রাথমিক পর্যায়ের বিষয় কোনটা মাধ্যমিক পর্যায়ের কোনটা উচ্চ পর্যায়ের এ ধারনাটা নিতে নিতে নবীন ব্লগাদের অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায় এবং তারা হতাশ হয়ে পড়ে ঝরে যায়। আপনার এই লেখাটা এর কিছূটা অভাব দূর করবে বলে আমার বিশ্বাস।
রাজীবুল ভাই অনেক ধন্যবাদ খুব সুন্দর একটা মন্তব্যের জন্য। আমার একান্ত ব্যক্তিগত ইচ্ছে আমার এই লেখাটি নিয়ে সবাই যেন শেষ পর্বে মূল্যায়ন করে। কেননা লেখাটি যে ৩ পর্বে প্রকাশিত হবে তা আমার জানা ছিল না। তাই বিভিন্ন পয়েন্টে বিভিন্ন বিষয় বিক্ষিপ্তভাবে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। এবার আসছি আপনি যে বিষয়টির ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন সেই ব্যাপারে। আমার ব্যাক্তিগত অভিমত কেউ যদি আশা করে এমন কোন ব্লগ/সাইট পাবে যেখান তাকে ধাপে ধাপে টাকা আয়/ব্লগিং করা শিখিয়ে দিবে তাহলে হয়তো তাকে নিরাশ হতে হবে। আমার ধারনা এধরনের কোন ব্লগ/সাইট নেই।যেগুলো আছে সেখানে বিক্ষিপ্ত কিছু টিউটোরিয়াল আছে। এর জন্য তার যেটা করতে হবে তা হোল Blogging, SEO, Adsense, Wordpress এই ৪টি বিষয়ের উপর নিদেনপক্ষে ১টি করে বই পড়া সম্ভব হলে প্রিন্ট আউট করে পরা। একটা বইতেই কেবল ধাপে ধাপে এই বিষয়গুলো সুন্দর করে বর্ননা দেওয়া থাকে। আমি নিজে খুব স্লো নেটের লাইন ব্যাবহার করি। তারপরো সবার জন্য মিডিয়াফায়ার এর এই একাউন্টা (http://www.mediafire.com/bdblogger) বানিয়ে অনেক রিসোর্স শেয়ার করেছে। এতে আমার কোণ স্বার্থ নেই। এখন নবীনরা কিভাবে এই অমূল্য রিসোর্সগুলো ব্যাবহার করবে সেই সিদ্ধান্ত তাদেরকেই নিতে হবে। ১৫ নাম্বার পয়েন্টে মূলত এই বিষয়টিই আমি আলোচনা করেছে,লেখাটি প্রকাশ পেলে দেখতে পাবেন।
আর সবচেয়ে এফেক্টিভ হবে নবীনরা যদি প্রতিনিয়ত ব্যার্থ হতে হতে শিখতে পারে। যে সেই মাত্রায় আগ্রহ ধরে রাখতে পারবে-সেই সাফল্য পাবে,নিজেই নিজের সাফল্যের পথটুকু খুজে পাবে। ভাল থাকুন…
জটিল লিখেছেন।
আমি ১০০তে ১১০ দিলাম।
Mamunur Rasid
Outsourcing Provider.
OwnCoder
আদনান ভাইয়া এক কথায় অসাধারন হয়েছে, অনেক অনেক শুভেচ্ছা, ভাল থাকেবন
আপনার লেখাটি পোড়ে খুব ভাল লাগলো
many thanks.
অভিন্ন্দন ।
অভিন্ন্দন ।
অভিন্ন্দন ।
অভিন্ন্দন ।
………………….ভালো থাকবেন।
আপনিও ভাল থাকবেন শামিম ভাই। আপনার ব্লগস্পটের লেখাগুলোর পড়লাম। বেশ মজা পেলাম।বেশ ভাল লিখছেন। চালিয়ে যান…
….একজন স্বল্প জ্ঞানী মানুষ সারাজীবন ধরে সমুদ্রের পানি এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে গেলে কাজের কাছ কিছুই হবে না। এক বিখ্যাত ব্লগার (সম্ভবত john Chow) এর মতে এ্যাডসেন্স থেকে আপনি যদি ১০০ ডলার আয় করতে পারেন তবে আপনি পৃথিবির ৯০% ব্লগারের থেকে এগিয়ে আছেন (সঠিক স্ট্যাস্টিক মনে নেই)। তাই “কি করলে কি হবে” আমিই যদি ভাল জানতাম এরা সবাই আয় করতে পারত…????
জ্ঞানী ডায়লগ না দিয়ে প্লিজ-
এটা দিয়ে কি বোঝাতে চাচ্ছেন বিস্তারিত বলুন।
আদনান ভাই স্বল্প জ্ঞানীদের প্রতি বিদ্বেষ কেন?
কিসের কি বুঝলেন তাই বুঝলাম না।স্বল্পজ্ঞানী বলতে বুঝিয়েছি নিয়মিত অন্যদের লেখা না পড়লে আমরা স্বল্পজ্ঞানী থেকে যাব।একটা লেখার মাঝখান থেকে টান দিয়ে কিছু কোট করলে তা ভিন্ন অর্থ করে আশা করি তা আপনি বুঝেন। তাই নয় কি???????
Adnan ভাই অসাধারন একটি লিখার জন্য অভিনন্দন।আশা করছি লিখাটির দ্বিতীয় অংশটি খুব তারাতারি পাব।
মোট ১৫টি পয়েন্ট লিখেছি।হাসান ভাই কিভাবে লেখাটি সিডিউল করেছেন জানি না।আশা করি আগামী ২ দিনে বাকী ২টি পর্ব পেয়ে যাবেন।সাথে থাকুন, ভাল থাকুনক…
আদনান ভাইকে অভিন্দন! আশা করি এই লেখার মাধ্যমে এডসেন্স এর অনেক বিষয় আরো পরিষ্কার ও বিস্তারিতভাবে জানা যাবে…
Congratulation Adnan bhai…
আমি ব্যক্তিগত জীবনে কাউকে খুশি করার জন্য কিছু বলি না। হাসান ভাই লেখার শুরুতে যে মন্তব্য করেছেন তা আমার অনলাইন জীবনের শ্রেষ্ট প্রাপ্তি।অদ্ভুদ ভাললাগায় মনটা ভরে গেল।কতটুকু কি লিখেছি জানি না কিন্তু চেষ্টা করেছি একদম নবীনদের জন্য একটা গাইডলাইন দিতে। কারন একসময় আমিও নবীন ছিলাম (আজও আছি)।সেসময় হাসান ভাই তথা তার এই অনন্য অসাধারন ব্লগটি ছিল না বলে বৃথাই অনেক সময় নষ্ট করেছি।এই লেখা থেকে কেউ উপকৃত হলেই আমার সার্থকতা…
ওহ! ছোট্ট আরেকটি কথা…ধন্যবাদ হাসান ভাই…
আদনান ভাই আপনাকে অভিনন্দন। আসলেই লেখাটি দারুন হয়েছে। আর যারা আমার মত বিজয়ী হতে পারেন নাই তাদের জন্য সমবেদনা। আশা করি ভবিষ্যতের জন্য তৈরী থাকবেন। নিশ্চই সহসা অন্য কোন প্রতিযোগীতার আয়োজন করবেন জিন্নাত ভাই।
প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারীদের নামের তালিকা প্রকাশ করার জন্য অনুরোধ করছি। তাহলে অন্তত অংশগ্রহণকারীরা সান্তনা এবং উৎসাহ পাবে।
সাজ্জাদ ভাই, আশাহত হওয়ার কিছু নাই। আমার ধারনা সবার লেখাই হাসান ভাই ধীরে ধীরে প্রকাশ করবেন। আমার মাথায় যা আসে নি হয়তো আপনার লেখায় তা থাকতে পারে। এই একটি প্রতিযোগিতা থেকেই হয়তো অনেকের মিথ্যে ধ্যান ধারনা ভেঙ্গে যাবে, নতুন করে চিন্তাভাবনা করার উতসাহ পাবেন। মোট ১৫টি পয়েন্টের আলোকে লেখাটি সাজিয়েছি। আশা করি পরপর ৩দিন ৩টি পর্ব প্রকাশ করলে সবাই আগ্রহ সহকারে লেখাটি পড়তে পারবেন।সবার প্রতি শুভকামনা রইল…
হাসান ভাই, শেষ লাইনে “পেয়ে” শব্দটি বাদ গেছে। লাইনটি হবে>> আর সবচেয়ে ভাল হয় সহজ স্বাভাবিক পদ্ধতিগুলোই প্রয়োগ করুন, কেননা বিজয়ীরা যুগ যুগ ধরে সেভাবেই সাফল্য পেয়ে চলছেন।
সংশোধন করা হয়েছে
বেছে নেয়া কয়েকটি পোস্ট প্রকাশের ইচ্ছে আছে। তবে কয়েকটি পোস্টের কিছু বিষয়ে আমার দ্বিমত আছে, তাই সেগুলো প্রকাশ করে মন্তব্য করব নাকি সংশোধন করে মন্তব্য করব – বুঝতে পারছি না।
আমার ধারনা কোন লেখার দুই একটি বিষয় নিয়ে দ্বিধা থাকলে তা সংশোধন না করে লেখার শুরুতেই আপনার অভিমত জানিয়ে দিতে পারেন এতে লেখকের মতো অন্য কারো কোন বিষয়ে অনুরুপ ভুল/বিভ্রান্তিকর ধারনা থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ থাকবে…
আমি এইসব এডসেন্স ফ্যাডসেন্স পছন্দ না করলেও আদনান ভাইয়ের এই লেখাটা আমার ভাল লেগেছে। আদনান ভাইয়ের লেখার স্টাইলটা দারুন লাগে।
ধন্যবাদ পারভেজ ভাই। আশা করি আগামী পর্ব ২টিতেও আপনার ভাললাগা বজায় থাকবে…
এডসেন্স সবার পছন্দ না হতেই পারে, তাতে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে ইন্টারনেটে আয়ের ব্যাপারে আপনি কোন বিষয়ে আগ্রহী জানালে খুশি হতাম। আর যদি আপনার পছন্দের বিষয়ে অতিথি ব্লগার হিসেবে লিখতে চান, তাহলে এই ব্লগের দরজা খোলা থাকলো।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
হাসান ভাই,
আমি আসলে এগুলো সম্পর্কে তেমন একটা জানিনা। তবে এডসেন্স, এডসেন্স, অনলাইন আয়, অনলাইন আয় ইত্যাদি করে চিল্লাতে চিল্লাতে কিছু মানুষ এত লোভী / ভাবাড়ু হয়ে উঠছে যে এটার প্রতি ঘৃণার মতো সৃষ্টি হয়ে গেছে। মোটামুটি দুধের বাচ্চা (২ দিন হলো ইন্টারনেট কানেকশান নেওয়া, ইন্টারনেটের হযবরল কিছুই জানেনা) ব্লগ খুলে বসে থাকছে আর ডায়লগ দিচ্ছে এখানে আমি আপনাদের অনলাইনে আয়ের সবকিছু দিব, হ্যান কারেঙ্গা, ত্যান কারেঙ্গা ইত্যাদি।
আরেকদল আছে যারা নিজের ব্লগ/সাইটের বিজ্ঞাপন দিতে এতটাই নির্লজ্জ হয়ে ওঠে যে নূন্যতম পার্সোনালিটিটাও বিসর্জন দিতে দ্বিধা করেনা।
আবার অনেককে এমনও দেখেছি যে অনলাইনে আয় করার জন্য সারাদিন পড়ে থাকে ইন্টারনেটে, এসইও, এডসেন্স ইত্যাদির পিছনে ছোটাছুটি করতে করতে নিজের ক্যারিয়ারের বারটা বাজিয়ে ফ্যালে।
এরকম আরও অনেক কারণে এগুলোর প্রতি প্রায় একরকম ঘৃণার মতো চলে এসেছে বলা যায়।
আমন্ত্রনের জন্য ধন্যবাদ ভাই। আমি এই বিষয়গুলা তেমন একটা জানিনা। তবে ইন্টারনেটে ঘোরাঘুরি করতে করতে এ সম্পর্কিত অনেক লেখা পড়েছি।
প্রত্যেকটা লেখা পড়ার পর মনে হয় আমি কি শিখলাম এই লেখা থেকে? ফলাফল- কিছুই না। যা বলা হয়েছে তার তো প্রায় সবই জানতাম। ব্যাপারটা অনেকটা, ভাত খেতে হলে প্রথমে থালি ধুতে হয়, তারপর হাত, তারপর প্লেটে ভাত নিতে হয় ইত্যাদি টাইপ মনে হয়।
তবে একথা সত্য, কিছু নতুন টার্ম শিখেছি। কিন্তু আমার মনে হয় এত টিপস, ট্রিকস ইত্যাদির চেয়ে নিজে একটু চিন্তা করলেই অনেক ভাল কিছু করা যায়। এগুলা তো মনে হয় অনেকটা প্র্যাকটিসের ব্যাপার। কেউ কি কাউকে শেখাতে পারে?
যে যত বেশি প্র্যাকটিস করবে সে তত বেশি শিখবে। একজন যে সময়টা এসব টিপসের পেছনে নষ্ট করে সে সময়ে নতুন এক্সপেরিমেন্ট করে দেখতে পারে। আমার ধারণা ভূলও হতে পারে। কিন্তু এটাই আমার মনে হয়। মানে সেলফ হেল্প ইজ বেস্ট হেল্প!
কি করলে আমার ব্লগে বেশি ভিজিটর আসবে সেটা আমার চেয়ে বেশি আর কে জানবে? আমি কি লিখব সেটা আমিই সবার চেয়ে ভাল জানি। সুতরাং আয় আয় করে ছুটোছুটিটা আমার ভাল লাগেনা খুব একটা। অবশ্য আমি শখে ব্লগিং করি, হতে পারে এজন্যই আমার এই সীমাবদ্ধতা।
এখানে নিজেকে নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট চালালেন,ভাল…হাসান ভাই,কিছু বুজলেন কিনা ।
@nasha,
I’m Waiting for clarification. Clarify Your Comment.
@Hasan Vai,
Expecting one comment on nasha’s comment.
রনি পারভেজ ভাই আপনার অনুভূতি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। আপনার যে বিষয়গুলোর জন্য এডসেন্সের প্রতি বিরক্ত সে ব্যাপারে নবীনরা খুব ভাল গাইডলাইন এই লেখাতেই পেয়ে যাবে। বিশেষ করে ১৫ নাম্বার পয়েন্টটি পড়লেই বুঝতে পারবেন। আর এ্যাডসেন্স এর বিষয়টি শুধু কিভাবে ব্লগে বিজ্ঞাপন প্লেস করবেন তা নয়। এর সাথে জড়িয়ে আছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, সোশাল নেটওয়ার্কিং, ব্লগিং, ওয়ার্ডপ্রেস/জুমলা সহ অনেক অনেক বিষয়। আপনি আমি অনলাইনে আয়ের জগত নিয়ে অনেক কম জানি। প্রথাগত কিছু ব্লগে যে সব লেখা পাবেন তাতে সেসব গুরুরা তাদের আয়ের মূল ব্যাপারগুলো কখনোই আপনার আমার সাথে শেয়ার করবে না।সত্যিকার কাজের কিছু টিপস পেতে চাইলে চলে যান blackhatworld,digitalpoint,warriorforum এর মতো সাইটগুলোতে। সেখানে এদের আলোচনা পড়ুন, বিভিন্ন ছোট ব্লগারদের লেখা ইবুক গুলো ডাউনলোড করুন। নিজেই বিষ্মিত হবেন আমরা কত কম জানি। এক সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের যে কত হাজার হাজার সিক্রেট টিপস আমি দেখেছি। এই যেমন কয়েকদিন আগে একটা জাভাস্ক্রিপ্ট কোড পেলাম যা দিয়ে এক ক্লিকেই আমার ১২০০+ ফেসবুক ফ্যানকে কোন পেইজের সদস্য হওয়ার জন্য আমন্ত্রন জানাতে পারছি। আমার ফেসবুক মার্কেটিং এর কাজটিকে অনেক অনেক সহজ করে দিয়েছে ৩ লাইনের সেই স্ক্রিপটি।তাই জ্ঞানের কোন বিকল্প নেই।আর আমার লেখাতেই সবচেয়ে বেশি জোর দিয়ে যেটা বলেছি তা হোল Self Experimenting..
একজন স্বল্প জ্ঞানী মানুষ সারাজীবন ধরে সমুদ্রের পানি এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে গেলে কাজের কাছ কিছুই হবে না। এক বিখ্যাত ব্লগার (সম্ভবত john Chow) এর মতে এ্যাডসেন্স থেকে আপনি যদি ১০০ ডলার আয় করতে পারেন তবে আপনি পৃথিবির ৯০% ব্লগারের থেকে এগিয়ে আছেন (সঠিক স্ট্যাস্টিক মনে নেই)। তাই “কি করলে কি হবে” আমিই যদি ভাল জানতাম এরা সবাই আয় করতে পারত…
আর যারা শখে ব্লগিং করেন তার জন্য এ্যাডসেন্স অবশ্যই কোন প্রয়োজনীয় বিষয় নয়। আর যারা অমিত আগারওয়ালার মতো/থ্রী ইডিয়টস ছবির মতো নিজের শখের বিষয়কে পেশা হিসেবে নিতে চান তারা একই সাথে এক্সপেরিমেন্ট আর জ্ঞান অর্জন-২ টি বিষয়েই গুরত্ব দিবেন আশা করি। আর কথা বাড়ালাম না। বাকিটা লেখার শেষ পর্বেই পাবেন…
@nasha,
মানে?