![[অতিথি পোষ্ট] কেন সবার জন্য ব্লগিং নয় (পর্ব-১) [অতিথি পোষ্ট] কেন সবার জন্য ব্লগিং নয় (পর্ব-১)](http://juhbn.s3.amazonaws.com/wp-content/uploads/2010/07/hopeless-blogger.jpeg)
বর্তমানে অনলাইন জগতের অনত্যম জনপ্রিয় একটা টপিক হল ব্লগিং। ব্লগিং কি? এটা একটা খোলা ডায়েরির মতো যা আপনি নিজের কাছে লুকিয়ে না রেখে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেন। ব্লগিং এর মূল ধারনাটি এসেছে নিজস্ব মত প্রকাশের একটা মাধ্যম হিসেবে। একদম শুরুর দিনগুলোতে অনেকেই নিজের মতামত শেয়ারের একটা মাধ্যম হিসেবে মাঝে মাঝে অনলাইনে লেখালেখি করতেন, সেই লেখা ছড়িয়ে দিতেন পরিচিত জনের মাঝে। এরপর ধীরে ধীরে আর সব কিছুর মতো ব্লগিং এর বিষয়টিতেও একটা বানিজ্যিক ভাব এলো। আমার এই সব হাবিজাবি (রিয়া আপুর ভাষায়) লেখার মাধ্যমে যদি একটু টাকা আয় হয় তাতে মন্দ কি-এই ছিল সবার ভাবনা। আবার অনেক প্রফেশনাল ব্লগারগন ব্যাপারটিকে Seriously নিলেন। নিশধর্মী ব্লগিং এ নিজের মেধা, শ্রম, দক্ষতার সর্বোচ্চ বিনিয়োগ করে মিলিয়নার এমনকি বিলিয়নার বনে গেলেন। তাদের সাফল্যে অনেকেই উৎসাহী হলেন, নিজেরাও যুক্ত হলেন এই মায়াজালে। বিশেষ করে আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর মানুষজনের কাছে এ এক অমোঘ আকর্ষন হিসেবে ধরা দিল। যোগ্যতা থাক আর না থাক সবাই ছুটতে থাকল অনলাইনে লেখালেখি তথা ব্লগিং এর মাধ্যমে টাকা আয়ের সোনার হরিনের পেছনে।
ফলাফল কি হল?
আমরা কয় জন পারছি ব্লগিং এর মাধ্যমে টাকা আয় করতে? কয় জন পারছি নিজেদের একজন ফূল টাইম অনলাইন মার্কেটার হিসেবে পরিচিতি দিতে? ব্লগিং করছেন বা অনলাইনে সময় দিচ্ছেন ভাল কথা, কিন্তু একবারো কি ভেবে দেখেছেন আপনি যে কাজটি করছেন সে কাজের জন্য আপনি উপযুক্ত কিনা? আপনার এই মূল্যবান সময়, শ্রম আদৌ কাজে আসবে কিনা? যারা নিতান্তই শখের বশে ব্লগিং করেন, অনলাইনে টাকা আয় যাদের জন্য মুখ্য নয় তাদের জন্য এই লেখা নয়। অন্যদিকে গ্যাস, বিদ্যুত, পানি, যানজট সহ হাজারো সমস্যায় জর্জরিত এই প্রিয় বাংলাদেশের যে সব তরুন/স্বপ্নচারী মানুষগুলো ব্লগিং নামের এই সোনার হরিনের পেছনে ছুটছেন এক টুকরো সাফল্যের আশায়, মমতাময়ী মা, স্ত্রী, ভাইবোন দের নিয়ে আরেকটু ভাল থাকবেন এই ভাবনায়-মূলত তাদের জন্যই আমার আজকের এই লেখা।
কেন সবার জন্য ব্লগিং নয়ঃ
ব্লগিং বা গুগল এ্যাডসেন্স নিয়ে আমার জানাশোনা প্রায় ৩ বছর ধরে। কিন্তু Seriously ব্লগিং শুরু করেছি গতবছরের ডিসেম্বর থেকে। নিজের এই সিমীত জ্ঞান আর অভিজ্ঞতা থেকে কিছু পয়েন্ট লিখছিঃ
১ লেখালেখির প্রতি আগ্রহ না থাকা
লেখালেখি একটি সৃজনশীল কাজ। হুট করে বললেই কেউ লিখতে পারে না। এর জন্য থাকতে হয় আগ্রহ, একাগ্রতা আর নেশা। লেখালেখি করে অনলাইনে আয় করা যায় এই ধারনা থেকে অনেকেই ফ্রী ব্লগস্পটে বা নিজের একটা সাইট বানিয়ে লিখতে বসে যান। দুই চারটা লেখা লিখেই হাপিয়ে উঠেন, কি লিখবেন কিভাবে লিখবেন ভেবে পান না। এ ধরনের সমস্যায় যারা আক্রান্ত তারা কি আদৌ অনলাইনে আয় করতে পারবেন? কখনোই না। কারন অনলাইনে ব্লগিং বা প্রোডাক্ট সেলিং বা যে পথেই বলুন না কেন আপনাকে লিখতে হবে, প্রতিনিয়ত, প্রতিদিন লিখে যেতে হবে এর কোন বিকল্প নেই। লেখার মান কেমন হোল, সার্চ ইঞ্জিনগুলো আপনাকে কতোটা রেটিং দিচ্ছে, পাঠককে কতোটা ধরে রাখতে পারছেন এ সব বিষয়ই গৌণ হয়ে যাবে যদি আপনার লেখার আগ্রহ বা ক্ষমতা না থাকে। তাই যারা অনলাইন জগতে ব্লগিং এর মাধ্যমে আয়ের জন্য পা রাখছেন বা রেখেছেন তারা নিজেরাই নিজেদের প্রশ্ন করুন আপনি এ কাজে আনন্দ পাচ্ছেন ? নিয়মিত লেখালেখির করার প্রয়োজনীয় যোগ্যতা কি আপনার আছে? আমি অবশ্যই বলছি না আপনি একদিনে ডেরেন রোজ বা আমার হিরো প্যাট ফ্লেইন এর মতো লিখতে পারবেন কিন্তু নিদেনপক্ষে লেখালেখির একটা সাধারন মান কি ধরে রাখতে পারেন? যদি পারেন তাহলে আপনার জন্য শুভকামনা রইল আর যদি তা না পারেন তাহলে বোধহয় আপনার থেমে যাওয়াই শ্রেয়।
২ ইংরেজী জ্ঞানের অভাব
অনলাইনে আয় করতে পারবেন কিনা তা নির্ধারন করে দেয় এই বিষয়টি। ধরলাম লেখালেখিতে আপনার প্রচন্ড আগ্রহ আছে, আপনি বাংলায় পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লিখতে পারেন, সবাই সেই লেখার প্রশংসাও করেন কিন্তু প্রতিযোগীতামূলক এই অনলাইন জগতে আপনার সেই মেধা বানিজ্যিকভাবে সাফল্য পাবে না যদি না আপনি ইংরেজীতে সুদক্ষ হন। আমি আপনি তথা বাংলাভাষী আমরা সবাই জন্মের পর থেকেই মাতৃভাষা বাংলায় কথা বলি, চিন্তা করি, ভাব প্রকাশ করি। অথচ এই চিরচেনা ভাষায় ঠিকভাবে গুছিয়ে লিখতে পারি না। সেখানে একটি ভিনদেশী ভাষায় লেখালেখি করাটা কতোটা কঠিন বুঝতেই পারছেন। তবে হ্যা ওয়েবের জগতে একটা বিষয় লক্ষ্য করলে দেখবেন এখানে কেউই দাতভাংগা ইংরেজী ব্যাবহার করে না। কেননা ইংরেজী এখন শুধু ইংরেজদের ভাষা নয় এটি একটি সার্বজনীন ভাষা। তাই পৃথিবীর নানা প্রান্তের নানা ভাষী মানুষের বোঝার সুবিধার জন্য অনেক বেশি সহজবোধ্য ইংরেজী ভাষায় ওয়েব কন্টেন্ট লেখা হয়। এখন দুর্ভাগ্যজনক ব্যাপার হোল সেই প্লে বা কেজি ক্লাস থেকে প্রতিনিয়ত এই ইংরেজী ভাষা আমাদের শিখতে হলেও এই ভাষায় আমাদের দক্ষতা প্রশ্নাতীত তো নয়ই বরং প্রশ্নবিদ্ধ। আমরা অনেকেই হুট করে ব্লগ খুলে ফেলি অথচ দু চার লাইন লিখতে গিয়েই টের পাই নিজের মনের ভাবটুকু গুছিয়ে লিখতে পারছি না কেননা আমাদের ভাষাজ্ঞান অনেক বেশি সীমিত। তাই ব্লগিং এ একান্তই সাফল্য পেতে চাইলে গোড়া শক্ত করা জরুরি। ইংরেজীতে পারদর্শিতা না থাকলে অনলাইনে আয়ের স্বপ্নসাধ মুখ থুবরে পরতে বাধ্য।
৩ টেকনিক্যাল জ্ঞানের অভাব
ব্লগিং করতে কি খব বেশি টেকনিক্যাল জ্ঞানের প্রয়োজন?সফল ব্লগার হতে হলে কি ওয়েব ডিজাইনিং, ওয়েব ডেভলপমেন্ট, কোডিং ইত্যাদি জানতে হয়? না অবশ্যই না। তবে হ্যা নুন্যতম টেকনিক্যাল জ্ঞান ছাড়া আপনি বেশি দূর এগুতে পারবেন না। এ প্রসঙ্গে আমার নিজের বাবার কথা বলি। তার একটি শখ হল ইংরেজী পত্রিকায় চিঠি লেখা। গত ২৫-৩০ বছরে তার প্রায় চার শতাধিক চিঠি অবজারভার, ডেইলি স্টার সহ বিভিন ইংরেজী পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে ছাপিয়েছে। এখন তাকে যদি আমি ব্লগিং করতে বলি তাহলে লেখালেখির প্রতি প্রচন্ড আগ্রহ আর ইংরেজীতে ভাল দখল থাকা সত্বেও তিনি কিন্তু কিছুই করতে পারবেন না কারন তিনি টেকনিক্যাল জ্ঞান শুন্য। কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস বা অন্য ব্লগিং প্ল্যাটফরমে লিখতে হয়,কিভাবে বিভিন্ন ছোটখাট কোড বসাতে বা চেঞ্জ করতে হয়-এ ধরনের অনেক কিছুই জানতে হয়। ভাল ব্লগিং করার জন্য অসাধারন টেকনিক্যাল জ্ঞানের প্রয়োজন নেই কিন্তু নুন্যতম কিছু জ্ঞান ছাড়া এ ধরনের কাজ করা প্রায় অসম্ভব।
৪ শুধুই টাকা আয়ে সচেষ্ট থাকা
অনেক ব্লগারের ব্লগ বা সাইটে ঢুকে লেখাই খুজে পাওয়া যায় না। দেখা যায় টাকা আয়ের নেশায় তিনি এতো এতো বিজ্ঞাপন বসিয়েছেন যে সেসবের ভিরে মূল লেখাই হারিয়ে গেছে। অবশ্যই টাকা আয়ের স্বপ্ন আপনার ব্লগের পেছনে সময় আর অর্থ বিনিয়োগের মূল কারন হতে পারে কিন্তু একটা বিষয় আমাদের মনে রাখা দরকার পাঠক কিন্তু আপনার সাইটের বিজ্ঞাপন দেখতে আসে না সে তার প্রয়োজনীয় তথ্যের খোজে আসে। সার্চ ইঞ্জিনে যতই আপনার সাইট উপরে থাকুক না কেন সে এসে বিরক্ত হলে বিন্দুমাত্র দ্বিধা না করে আপনার সাইট বন্ধ করে আরেক সাইটে চলে যাবে। সেই সাথে আপনিও একজন সম্ভবনাময় পাঠক হারাবেন যে হয়তো আপনার ব্লগের নিয়মিত পাঠক হতে পারত। তাই যারা ব্লগকে শুধুই “টাকা আয়ের একটি মাধ্যম” বিবেচনা করে যে কোন উপায়ে শুধুই টাকা আয়ের চেষ্টা করেন তারা সাময়িক কিছু লাভের দেখা পেলেও দীর্ঘমেয়াদে সাফল্য পাবেন না।
৫ পর্যাপ্ত সময় দিতে না পারা
ইন্টারনেটে একটু সার্ফিং করলে অনেক চটকদার বিজ্ঞাপন চোখে পরে। ১২ বছরের বালক লাখপতি হয়ে গেছে, দিনে ২ ঘন্টা কাজ করেই লাখ লাখ টাকা আয় করছেন আরো কত কি। এসবই বিজ্ঞাপন, ছেলে ভোলানো কথাবার্তা, ব্যবসায়িক কৌশল ছাড়া কিছুই নয়। আমার খুবই প্রিয় একজন ব্লগার Yaro Starak এর এই লেখাটি পড়ুন। এখানে তিনি স্পষ্টতই বলেছেনঃ
If I used something like – Work 40 hours a week and if you are lucky you might just make a full time income from blogging – not many people are going to join. Heck, I wouldn’t join either, who wants to work 40 hours a week for $35K a year!?!
The reality is that my program is designed to teach what I really do – I really work about two hours aggregate per day on my blogs to produce about $5000 a month in income. However I spend a lot of the rest of my time doing other work, which tends to add up to 4-10 hour “working” days on average, including weekends sometimes too.
আমার মতো অনেকেই আছেন ব্লগিং জগতে নিজের একটি অবস্থান গড়ে তুলতে চান। কেননা ট্রেডিশনাল অনেক কিছুর চেয়ে অনলাইনের জগতটি অনেক অনেক বেশি সম্ভবনাময়। সবচেয়ে বড় কথা এখানে ভাল কাজের মূল্যায়ন হয়। এ সবই ঠিক আছে কিন্তু সেই সাথে আমাদের এটাও মাথায় রাখা উচিত দিন দিন ব্লগিং তথা অনলাইনের জগত অনেক বেশি Competitive হয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন জন্ম নিচ্ছে হাজার হাজার ব্লগ। অনেক মেধাবী তুরন এ পথে পা বাড়াচ্ছেন। আপনি যখন কিছু লিখছেন সেই লেখাটি ভৌগলিক সীমা ছাড়িয়ে, উন্মুক্ত ওয়েব জগতের সবার সাথে প্রতিযোগিতা করছে। তাই আপনি যদি এই লাইনে পর্যাপ্ত সময় দিতে না পারেন তবে সাফল্যের দেখা মেলা অনেক বেশি কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে। আপনার যতোই পাওয়ারফুল কম্পিউটার আর স্পিডি নেট থাকুক না কেন আপনাকে কিন্তু সেই লেখালেখি করতে হবে। আর লেখালেখির ব্যাপারটা একটা সৃজনশিল কাজ। হুট করে কোন চিন্তাভাবনা ছাড়াই ভাল মানের কিছু লেখা যায় না। তাই যারা ভেবে আসছেন মাঝে মাঝে এক আধটু কাজ করলেই টাকা আয় করতে পারবেন তাদের প্রতি একটাই নিবেদন-কল্পনার রঙ্গিন চশমা ছূড়ে ফেলে দিয়ে বাস্তবতা বুঝতে শিখুন, ভাল কাজ করুন দেখবেন সাফল্য অবিসম্ভাবী…
- Adnan
এ ধরনের আরও কিছু পোষ্ট:
- [অতিথি পোষ্ট] ‘ইন্টারনেটে আয় সবার দ্বারাই সম্ভব’
- [অতিথি পোষ্ট - দ্বিতীয় স্থান বিজয়ী - শামীম] আমি কেন সফল ব্লগার হতে চাই?
- [অতিথি পোষ্ট - তৃতীয় স্থান বিজয়ী - রাফিউর] আমি কেন সফল ব্লগার হতে চাই?
- [অতিথি পোষ্ট - তৃতীয় স্থান বিজয়ী - রুম্মা] আমি কেন সফল ব্লগার হতে চাই
- [অতিথি পোষ্ট] Guest Article হতে পারে আপনার ব্লগের ট্রাফিকের অন্যতম উৎস
- [অতিথি পোষ্ট] “তাতে কী?” পোস্ট প্রকাশ করার আগে পোস্টের কার্যকারিতা যাচাইয়ের মোক্ষম উপায়
- [অতিথি পোষ্ট] ব্লগার হাসান ভাইয়ের আড্ডায় যা কিছু জানলাম…
- [অতিথি পোষ্ট] ব্লগিং করে টাকা আয়ের প্রথম শর্ত : অভ্যাস বদলে ফেলুন
{ 39 comments… read them below or add one }
পরবর্তী পর্ব কখন আসবে…
বিহোস ভাই জানি না কবে আসবে। একটা ব্যাপারে অনেক অনেক বেশি টেনশনে আছি (হাসান ভাই জানেন)। দেখি সে ব্যাপারটির কোন সুরাহা হলে আবার কিছু লেখার চেষ্টা করব…
খুব সুন্দর একটা লেখা।
আদনান ভাই অনেক সুন্দর লেখা !! আপনার লেখা যতই পরছি ততই আমার ব্লগিং এর দিকে মন চলে যাচ্ছে । আপনি যা বলেছে তা মনে হয় সব ই আমার মাঝে আছে , জানি না সফল হতে পারবো কি না , তবে আমার লক্ষ্য এখন দুটো এক আমার পড়াশুনা আর দুই ব্লগিং । বর্তমানে আমি বাংলা ব্লগ এর লেখি । আমার বাংলা ব্লগ বিডি টিউটরিয়াল২৪ । সব ঠিকঠাক থাকলে খুব শীগ্রিই ইংলিশ ব্লগিং শুরু করবো ইনসাআল্লাহ…………..
লেখাটা ভাল হয়েছে। তবে শিরোনামের ব্যাপারে আমার ছোট্ট একটু আপিত্ত আছে। “কেন সবার জন্য ব্লগিং নয়।” লেখার সারমর্ম হচ্ছে ব্লগিং দ্বারা সবার পক্ষে আয় করা সম্ভব নয়। তাহলে যারা আয় করাটাকে মূখ্য না ভেবে নিজের আনন্দের জন্য ব্লগিং করছে তাদের জন্যতো এই লেখায় এই শিরোনাম খাটে না। তাই শিরোনাম হওয়া উচিৎ ছিলো “কেন সবার জন্য ব্লগিং থেকে আয় নয়”
আমার মতে শিরোনাম ঠিকই আছে। আয় ছাড়াও ব্লগিং করতে দিলে ধারাবাহিক ভাবে লিখে যাওয়ার মতো লোক কমই আছে। প্রচুর এমন ব্লগ আছে যেগুলি শুরু করা হলেও তা চলানো হয়নি। লেখক হয় উৎসাহ হারিয়েছেন নয়তো বেশিদিন লিখে চলার ক্ষমতাই ছিলোনা তার। হুজুগে ব্লগিং শুরু করে দেওয়ার সংখ্যা এখন বেশি।
খেলার ইচ্ছা অনেকেরই আছে, কিন্তু খেলতে নেমে সেঞ্চুরী সবাই করতে পারে কি?
সাজ্জাদ ভাই, অনেক দিন আগেই ভেবেছিলাম উত্তর দেই কিন্তু আলসেমির কারনে দেওয়া হয় নাই। উওর কিন্তু লেখার মঝেই দিয়ে দিয়ছি। দেখুনঃ “যারা নিতান্তই শখের বশে ব্লগিং করেন, অনলাইনে টাকা আয় যাদের জন্য মুখ্য নয় তাদের জন্য এই লেখা নয়।”। আর ১নং পয়েন্টটাই আসল যা সবার জন্যই প্রযোজ্য। কি বলেন?
আর হ্যা প্রথমে ভেবেছিলাম “অনলাইনে আয় কেন সবার জন্য নয়” এটি শিরোনাম করব কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম অনলাইনে আয়ের শত শত মাধ্যম আছে যা কভার করা অসম্ভব। যাই হোক, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ…
ইংরেজিতে ভাল দক্ষতা যাদের নেই তারা চাইলেই ব্লগিং করতে পারবেন না, এমনটি কিন্তু নয়। তখন লেখককে পাঠক নিয়ে ভাবতে হবে। এবঙ আমার জানা মতে এমন অনেক কন্টেন্ট আছে, যাতে পন্ডিতি ফলাতে হয় না। আবার অনেকে চাইলেই পাবলিক কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করতে পারে। কিংবা যাদের বাংলাতে ভাল দক্ষতা আছে, তারা বাংলায় কন্টেন্ট লিখে, ভাল কোনো অনুবাদক দিয়ে লেখাগুলোর অনুবাদ করিয়ে নিতে পারেন। তাতে কিছু টাকা গচ্চা গেলেও কাজটি কিন্তু সুফল বয়ে নিয়ে আসতে পারে। তবে, এখানেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল–আপনাকে লেগে থাকতে হবে।
আমি মনে করি কল্পনা শক্তি ও পরিশ্রম থাকলে সবই সম্ভব।
খুব দামী কথা! খুব যুক্তিযুক্ত কথা এটা।
অনেক দিন পর হাসান ভাইয়ের ব্লগে আসলাম। আর এসেই আদনান ভাইয়ের চমৎকার লেখাটি পড়লাম।
এখানে “আমার হিরো প্যাট ফ্লেইন” লেখার লিঙ্কটি ঠিক নেই, আদনান ভাই সম্ভবত এই লিঙ্কটি ব্যবহার করতে চেয়েছিলেনঃ http://www.entrepreneurs-journey.com/1860/pat-flynn/ হাসান ভাই সময় পেলে ঠিক করে দিবেন।
আদনান ভাইয়ের এই লেখাটি পড়ে অনেক পিছনে ফিরে যেতে ইচ্ছে হলঃ
Blogging শব্দটার সাথে পরিচয় আমার ২০০৮ সাল থেকে; আমার এখনও মনে পড়ে প্রথম যে ব্লগটি খুলেছিলাম, সেটি ছিল ব্লগস্পটে একটি Software Review Blog, দূর্ভাগ্যবশত সেই প্রথম পোষ্টটাতে মাত্র ২ লাইনের বেশি লিখতে পারলাম না। এর পরের ৫-৬ মাস কোন পোষ্ট লিখতে না পারায়, একদিন গুগল বাবাজি আমার প্রথম খোলা ব্লগটা মুছে দিল। কোন Visitor Tracking Script ইন্সটল করা না থাকায় জানতেও পারিনি আমার এই ব্লগটি অন্য কেউ পড়েছিল কিনা!
এরপর, মাথায় একদিন দুষ্ট বুদ্ধি চাপলো। এডসেন্স সম্পর্কিত অনেক লেখা পরলাম, সেখান থেকে জানলাম যে, এডসেন্স একবার approve হয়ে গেলে যে কোন ওয়েব পেজে এডসেন্স বসানো যায়। সাথে সাথে Mobile Phone Company একটেল (বর্তমানে রবি) এর ওয়েব সাইটটাকে নিজের বলে দাবি করে এডসেন্স এ Apply করলাম। আর সুখবর টা পেতে এক সপ্তাহের বেশি লাগল না। আমাকে আর পায় কে? Synthasite (বর্তমানে Yolasite) আর Weebly এ ইচ্ছামত কতগুলো ওয়েবসাইট বানিয়ে নিলাম আর cyber cafe, বন্ধুর Computer, Mobile (ঐ সময়ে ওপেরা মিনিতে এডসেন্স দেখা যেত) থেকে ইচ্ছামত ক্লিক আর টাকা শুধু জমা হতে থাকলো আমার এডসেন্স একাউন্টে। মনে মনে ভাবতে লাগলাম, কিছু দিনের মধ্যেই বিল ক্লিন্টনকে ছাড়িয়ে যাব। কিন্তু নাহ; বিধি বাম। ১ মাসের মধ্যেই এডসেন্স একাউন্ট বাতিল হয়ে গেল।
সম্ভিত ফিরে পেলাম। তখন বুঝলাম, নাহ; ধোঁকাবাজি করে আর যাই হোক ইন্টারনেটে আয় সম্ভব নয়।
আবার শুরু করলাম, এবার আর কোন অবৈধ কোন উপায় নয়। পুরু মনযোগ দিয়ে ব্লগ লেখা শুরু করলাম; এবার এডসেন্স থেকে কয়েকটা চেকও পেলাম। ভাবতে ভালই লাগে, সেদিনের এই আমিই এখন কোন আর্টিকেল লিখতে গেলে ৫০০-৬০০ Word অনায়েশেই লিখে ফেলতে পারি। আমি Darren Rowse, Brian Clark কিংবা Sonia Saimone এর মত বিখ্যাত কেউ নই, তবুও ভাল লাগে কিছু সংখ্যক মানুষ তো আমার লেখা পরে সেটাই বা কম কিসে!
আমি সেদিনের সেই পরাজয় থেকে ব্লগিং বন্ধ করিনি, কারন আমি জানি “আমি সাফল্য পাচ্ছি না কারন আমি হয়তো বা ঠিক মত করতে পারছিনা, দোষটা আমার নিজের; ব্লগিং এর না”
আপনি ব্লগিং- এ সাফল্য পাচ্ছেন না তাই বলে ব্লগিং এর কাঁধে দোষ চাপাবেন না, বলবেন না ব্লগিং একটা ফালতু বিষয়!
আর এডসেন্স এর বোধহয় এ ব্যপারটাতে সজাগ হওয়া উচিৎ, webmaster tools এর মত Adsense এ Apply এর সময় Owner Verification পদ্ধতি চালু করা উচিত।
দুঃখিত, নিজের গল্পটি এখানে বলার জন্য।
বিল ক্লিন্টন না বিল গেটস হবে।
হাঃ হাঃ প্রায় সবার গল্পই এক রকম। আমরা সবাই প্রথমে ভুল করি তারপর যারা শুধরে নিয়ে নতুন করে শুরু করতে পারি তারাই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকি। আর হাসান ভাইয়ের কথা কি বলব! ভাইয়াকে লিঙ্ক সহ কিছু ভুল+২টি ডোমেইনের ব্যাপারে ইমেইল করেছিলাম বেশ কয়েকবার। বিশেষ করে ডোমেইনের ব্যাপারে বেশ কিছুদিন ধরেই লিখে যাচ্ছি কিন্তু ১ শব্দের কোন উত্তর পর্যন্ত পাচ্ছি না…আদৌ কবে পাব জানি না…
হাসান ভাই মনে হয় খুবই ব্যস্ত।
কাহিনী জানিয়ে ভালই করেছেন, এরকম কাহিনী থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
আসলে অনেকেই ব্লগিং না বুঝে ব্লগিং জীবন শুরু করে দেয়। অবশ্য পরে নিজেকে শুধরে নেওয়া যায়। অনেকে আবার সেটাও পারেনা। চমৎকার পোষ্ট।
আমার নিজেরই ধৈর্য হারিয়ে ফেলেছিলাম একটা কারনে , যা হোক সেটা সমাধান হয়েছে,সময় পাই কম লেখাপড়া + ফ্রিল্যান্সিং করতে সময় পেড়িয়ে যায় কারন আমার খরচ আমার নিজেরই উঠাতে হয় তবুও চেষ্টা করি
আমি ছাত্রদের জন্য আয়ের জন্য কাজ করে চলছি আশা করি সফল হবো কারন এখনও ছাত্র টিউশনি পায় না বা কিছু কাজ জানে কিন্তু লিংক নেই আমি সে জন্য একটি টিম করেছি যাতে তাদের জন্য কিছু করতে পারি আমার টিমের লোক সংখ্যা ২৭ জন বাড়িয়ে আরো করব দোয়া করবেন আর ক্ষমা চাচ্ছি এরকম অফ-টপিক করার জন্য
যাই করবেন, যতদূর সম্ভব নিজেকে পরিস্কার রাখার চেষ্টা করবেন। আপনার ও আপনার টিমের সাফল্য কামনা করছি।
ভাল লাগল আপনার লেখাটা…..সময়োপযোগী।।। কাজে লাগবে অনেকেরই।
আসলে লেখালেখির ব্যাপারটা মনে হয় নিজের ভেতর থেকে আসতে হয়….যাস্ট চাইলাম আর করলাম এভাবে হয় না।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
খুব ভালো হয়েছে, লেখাটা সকলেরই পড়া উচিত। ব্লগিংয়ের ব্যাপারে অনেকেই দিক ভুল করে ফেলেন। অনেকে ভাবেন ব্লগিং টাকা আয়ের মুক্ত পাস। অথচ এর জন্য যে পরিশ্রম, যে সাধনার প্রয়োজন সেটা অনেকেই করতে পারেননা, দিকভ্রান্ত হয়ে গিয়ে ভুল পথে সময় ও শ্রম ব্যয় করে শেষে হতাশ হয়ে যান। তাদের জন্য লেখাটি উপযোগী হবে।
আপনার কথা শুনে মনে ভরসা পেলাম। যেহেতু বাংলা ফোরামগুলোতে আপনার ভাল পপুলারিটি আছে তাই লেখাটা ভাল লাগলে বিগিনারদের রিকোমেন্ড করবেন এই প্রত্যাশা রইল।অনেক ধন্যবাদ।
এডসেন্সের নতুন ইন্টারফেসের জন্য আবেদন করলাম।
আমার কাছে ব্লগিংয়ে ইংরেজীটা অনেক গুরুত্বপূর্ন মনে হয়। আমি একজনকে চিনি, যার ব্লগিংয়ে অনেক আগ্রহ এবং সময় থাকা সত্বেও ইংরেজীতে দূর্বল থাকার কারনে সাফল্য পাচ্ছেন না।
এক্ষেত্রে আমি যা করি- ভালো ইংরেজি ব্লগ গুলা নিয়মিত পড়ি এবং দেখি ওরা কিভাবে বাক্য গঠন করছে, কোন জায়গায় কি ধরনের শব্দ ব্যবহার করছে।
ধন্যবাদ।
শামিম ভাই আশা করি ভাল আছেন। আমি আপনার ব্লগে সে ব্যাপারে একটি লেখা পড়েছিলাম। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি না এভাবে ইংরেজীতে প্রাথমিক দক্ষ্যতা লাভ করা যায়। ৩য় পর্বে এ ব্যাপারে আমার একান্ত নিজস্ব কিছু সাজেশন থাকবে আশা করি। তখন বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে…আর আপনার ব্লগের কি হোল?
শামীম ভাই তার মেয়েবন্ধুর ওয়েবসাইট নিয়ে একটু সমস্যায় আছে…. ওপপপস হাটে হাড়ি ভেঙ্গে দিলাম নাকি?
আদনান ভাই আমার মনে হয় মনক্ষুন্য হওয়াই যদি এই লেখাটি খুব ভাল ভাবে পড়ে দেখে তবে তাদেরই উপকার বেশি হবে। তবে লেখা লেখির ব্যাপারে আমার একটু আপত্তি আছে। পৃথিবীর সবাই কিন্তু ভালো লেখক নয় কিংবা লেখার হাও থাকেন না। ভালো লিখতে পারে না তার মাঝে যদি ভালো ইংরেজি দক্ষতা এবং টেকনিক্যাল দক্ষতা থাকে তবে কি সে ব্লগার হতে পারবেনা। আর সহজ করে লেখার যে বিষয়টি বলছেন সামান্যতম লেখালেখির অভ্যেস থেকে যদি বলি লেখালেখির সবচেয়ে কঠিন কাজ এটি। আমার যেটা মনে হয় (যদিও আমি আপনাদের মত পরীক্ষীত নই) ব্লগে লেখালেখির জন্য আপনাকে কখনই লেখক মানের লেখক হওয়ার দরকার নেই। আপনি সাধারণ একটা বিষয় অন্যকে বুঝাতে গিয়ে যেভাবে কথা বলছেন সেভাবেই লেখার রূপে লিখুন তবে সেটা তথ্যবহুল করে।
রাজিবুল ভাই, উপরের লেখা থেকেই কোট করছি। আমার ধারনা উত্তর লেখার মাঝেই রয়েছেঃ
“আমি অবশ্যই বলছি না আপনি একদিনে ডেরেন রোজ বা আমার হিরো প্যাট ফ্লেইন এর মতো লিখতে পারবেন কিন্তু নিদেনপক্ষে লেখালেখির একটা সাধারন মান কি ধরে রাখতে পারেন? যদি পারেন তাহলে আপনার জন্য শুভকামনা রইল আর যদি তা না পারেন তাহলে বোধহয় আপনার থেমে যাওয়াই শ্রেয়।”
রাজিবুল, একটা কথা মনে রাখতে হবে যে ব্লগিংই কিন্তু অর্থ উপার্জনের একমাত্র উপায় না। ইন্টারনেটে চোখ কান খোলা রাখলে হাজারোও উপায়ে টাকা কামানো সম্ভব। তাই যিনি লিখতে পারেন না, তাকে দিয়ে জোড় করে না লিখিয়ে অন্য পথে মনযোগ দিলে বোধ হয় তার জন্য মঙ্গল হবে।
আপনার কি মত?
হাসান ভাই আমি ব্যক্তিগর্ত ভাবে থ্রি ইডিয়ট মুভির দর্শনটিতে খুবই বিশ্বাসি। ছবি দেখার অনেক আগে থেকেই আমি বিশ্বাস করি মানুষ জন্মগত যে প্রতিভাটি নিয়ে জন্মে তাকে সেই দিকেই ঠেলে দেওয়া উচিত। কিন্তু আমাদের সমাজে সেই প্রতিভাটি কি সেটাই তো আমরা খুজে বের করতে পারিনা? যদি পারতাম তবে এই যে মতামতের ভেদা ভেদ নিয়ে আমরা আলোচনা করছি তা বোধ হয় করতে হতো না।
আদনান ভাই পর পর দুটো লেখা পড়লাম, দুটোই আপনার লেখা ।আর সবচেয়ে বড় কথা লেখা দুটি খুবই উচু মানের হযেছে আমার মনে হয় যারা ব্লগিং করে আয় করতে চান তারা নিজের যোগ্যতা পরিমাপ করার জন্য লেখা দুটো পড়া দরকার। ( লেখা দুটো হচ্ছে এখন যেটা পড়ে মন্তব্য লিখছি আরেকটি হচ্ছে http://bn.jinnatulhasan.com/2010/06/4113 ) আর আমি আপনার কখা মতো নতুন কিছু-র চেষ্টায় আছি। আশা রাখি প্রডাক্টিভ কিছু করার। আপনার জন্য শুভ কামনা রইল।
অনেক ধন্যবাদ…
আপনার জন্য শুভ কামনা রইল, আশা করি জলদি সাফল্য পাবেন।
আমাদের শ্রমশীল হওয়া চাই, আদম্য উৎসাহ চাই, সাহস চাই …………
কি ব্যাপার সবাই কই? ঘুমিয়ে গেলেন নাকি? যাই হোক, কিছুদিন আগে হাসান ভাইয়ের মুখে সবার আগে এ্যাডসেন্স এর নতুন বেটা ইন্টারফেসের কথা শুনলাম। হাসান ভাই এর মতো অভিজ্ঞ পাবলিশারদের গুগল এটি অফিসিয়ালি রিলিজ করার আগে ব্যাবহার করতে দিচ্ছিল। এরপর গুগলে সার্চ দিয়ে দেখলাম এই (http://spreadsheets.google.com/viewform?formkey=dFBidHhuWENBS1RIWVZjcmtVZGZmRlE6MA) ফরম পূরন করে আবেদন করলে গুগলের মর্জি হলে আমাকেও এই নতুন ইন্টারফেস ব্যাবহারের সুযোগ দিতে পারে। ৬-৭ দিন আগে ফরম পূরন করেছিলাম। আজকে দেখতে পেলাম আমিও নতুন ইন্টারফেস ব্যাবহার করতে পারছি।নতুন ইন্টারফেসটা এক কথায় দারুন। আগের চেয়ে অনেক সাজানো গোছানো। যারা ব্যাপারটি জানেন না তারা আজই এপ্লাই করে ফেলুন।আশা করি নতুন ইন্টারফেস সবার ভাল লাগবে। ধন্যবাদ
প্রথমে আদনান ভাইকে অশেষ ধন্যবাদ ‘কেন সবার জন্য ব্লগিং নয়’ সুন্দর লেখটির জন্য । আর এ্যাডসেন্স এর নতুন বেটা ইন্টারফেস [http://adsense.blogspot.com/2009/11/new-adsense-interface-now-in-beta.html] যদিও পুরো ব্যপারটি অভিজ্ঞ পাবলিশারদের জন্য, তাই দেখলাম ।
‘ব্লগিং বা গুগল এ্যাডসেন্স নিয়ে আমার জানাশোনা প্রায় ৩ বছর ধরে। কিন্তু Seriously ব্লগিং শুরু করেছি গতবছরের ডিসেম্বর থেকে।’
আদনান ভাইয়ের এই কোট লাইন থেকেই ‘ব্লগিং বা গুগল এ্যাডসেন্স’ উপর প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তির কথা বাদ দিয়ে বলতে চাই, ‘ডেরেন রোজ বা প্যাট ফ্লেইন’ আমার ১১ মাসের বিদ্যার্জনে না পেলেও পেয়েছি জিন্নাত উল হাসান ও আদনান ভাই যাদের দিশারীতে আমার মত অনেকেরই ব্লগিং তরীর পালে হাওয়ার জোর পাবেই, ইনশাআল্লাহ পার হবই ব্লগিং সাগর, মহাসাগর, জয় হউক আপনাদর।
‘…আপনাদর’ এর জায়গায় আপনাদের হবে । দূঃখিত।
লিংকের কাহিনীটা জানতাম না, যাহোক নতুন ইন্টারফেসটা বেশ জটিল। আমি ভাই সাধাসিধা মানুষ, পুরোনোটাই আমার ভাল লাগে।
আমি একমত। আমিও পুরোনো ইন্টারফেসেই আছি।
আদনান ভাই ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি লিখার জন্য।আমার মনে হয় শতকরা একজন ব্লগার ও টিকে না।বেশির ভাগ মানুষ ই হুযুগ এর বশে ব্লগ বানিয়ে ফেলে যেমুন আমি নিজেকে দিয়েই বুঝতে পারছি।আসলেই আমাদের নিজেদের যোগ্যতা সম্পর্কে নেজেরাই যানিনা।