ইদানিং অনলাইন আয়, ঘরে বসে আয়, আউটসোর্সিং ইত্যাদি শব্দগুলো খুব বেশি বেশি শোনা যায়। অনলাইনে আসা নতুন সার্ফাররা খাবি-খাওয়ার মতো দেখে- চারদিকে শুধু টাকা আর ডলার! কিন্তু প্রকৃত ব্যাপারটা কি আসলেই তাই? একটা ব্যাপার সবার-ই জানা নিশ্চয়- খুব সহজে টাকা আয় করা কখনোই সম্ভব ছিলো না, এবং এখনো না। টাকা আয় করতে হলে কষ্ট করতেই হবে, এবং এটাই স্বাভাবিক।
যাই হোক, ভূমিকা অতো লম্বা না করে চলুন মূল কথায় যাওয়া যাক। আউটসোর্সিং ব্যাপার সম্পর্কে এই ব্লগের অনেকেই অনেক তথ্য জানেন। এবং অনেকেই অনেক টাকা আয় করছেন। আজ আমি আপনাদের একটি নতুন বিষয় সম্পর্কে বলবো। হয়তো বিয়ষটি নতুন নয়, নতুনভাবে ভাবছি বলেই হয়তো নতুন।
চলুন নতুন এই বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানার চেষ্টা করি। ভালো কথা, বিষয়টির নাম আমি দিয়েছি- ইনসোর্সিং।
ইনসোর্সিং কী?
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, পরিচিতজনদের কাছ থেকে ওয়েবসাইটের কাজ নিয়ে করাকেই আমি ইনসোর্সিং বলি। ধরুন, আপনার পরিচিত এক ব্যক্তি কোনো স্কুলের শিক্ষক। আপনি তার সাথে আলাপ করলেন- আপনি ওয়েবসাইট বানানোর কাজ করেন। তাকে আরও বললেন, তার স্কুলের ওয়েবসাইট আপনি খুব সহজেই করে দিতে পারেন। দেখবেন খুব সহজেই কাজটা পেয়ে গেছেন। একেই বলি- ইনসোর্সিং।
কাদের জন্য এই অনলাইন আয়ের মাধ্যম?
যারা আমার মতো ইংরেজি তেমন ভালো জানেন না, যারা ওডেস্ক, ভিল্যান্সার ইত্যাদি আউটসোর্সিং সাইটে বিড করতে করতে হয়রান। কিন্তু অনলাইনে আয় করতে বদ্ধপরিকর। এমন সবার জন্যই এই পদ্ধতি/মাধ্যম।
কীভাবে কাজ জোগাড় করবেন?
উপরে একটা পদ্ধতি বলেছি। এছাড়াও আরও অনেক উপায় আছে। প্রথমে আপনার কোম্পানীর জন্য একটা নাম ঠিক করুন। একটা ডোমেইন এবং কিছু হোস্টিং কিনে নিজের কোম্পানীর চমৎকার একটা ওয়েবসাইট বানিয়ে ফেলুন। আপনি কী ধরণের কাজ করতে আগ্রহী, সেসব তথ্য ওয়েবসাইটে জুড়ে দিন। আপনার চমৎকার একটি পোর্টফলিও তৈরি করুন। যদি থাকে, তাহলে আপনার কিছু ওয়েবসাইটের (যেগুলোর কাজ আপনি করেছেন) স্যাম্পল দিন।
চমৎকার একটা ভিজিটিং কার্ড বানিয়ে ফেলুন আপনার বাসার ঠিকানা দিয়েই। ভিজিটিং কার্ড এখন খুব সস্তায় তৈরি করা যায় বাংলাদেশ থেকে। এক হাজার ভিজিটিং কার্ড বানাতে কোয়ালিটির উপর নির্ভর করে মাত্র ১৭০ টাকা থেকে শুরু করে ৬০০ টাকার মধ্যেই বানানো যায়।
তারপর পরিচিত, অর্ধ-পরিচিত সবাইকে বলুন আপনি ওয়েবসাইট বানানোর কাজ করেন। এটা আপনার এসইও (SEO)-এর কাজ করবে। এবং এটা অনেক বড় এসইও। সবাইকে ভিজিটিং কার্ড দিন। এভাবেই ধীরে ধীরে আপনি একজন ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে পরিচিত হয়ে যাবেন। একসময় দেখবেন, একটা দু’টা করে কাজ পেতে শুরু করেছেন…
।
কী কী জানতে হবে?
তেমন কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ না জেনেও আপনি এ ধরণের কাজ করতে পারবেন। দৃঢ় মনোবল আপনাকে সহায়তা করবে। হালকা কিছু ট্রিকস জানতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা- গুগল মামার ব্যবহার ভালো করে না হলেও মোটামুটি ভালো জানতে হবে।
এছাড়াও আপনাকে মিনিমাম জানতে হবে-
- ওয়েবসাইটের বেসিক এইচটিএমএল (HTML)
- সিএসএস (CSS)
- যেকোনো একটি সিএমএস (যেমন ওয়ার্ডপ্রেস বা দ্রুপাল বা জুমলা)
সেই সাথে এডোবি ফটোশপ এবং এডোবি ফ্ল্যাশ সম্পর্কে ধারণা থাকলে ভালো।
কীভাবে কাজ সম্পন্ন করবেন?
প্রাপ্ত কাজটি কয়েকটি ভাগে ভাগ করে নেবেন আপনার সুবিধা মতো। ডোমেইন + হোস্টিং কেনা। আপনার ক্লায়েন্ট যেন এই কাজটি না করে। তারা ডোমেইন হোস্টিং কিনবে বাংলাদেশ থেকে। কাজ করার সময় টের পাবেন কত ধানে কত চাল। সপ্তাহের সাত দিনের মধ্যে মিনিমাম ২দিন হোস্ট ডাউন থাকে। এছাড়াও ফাইল আপলোড, ডাউনলোড করার সময় ঝামেলা হয়। তাই এটি আপনি নিজ দায়িত্বে করবেন। আমি আমার ক্লায়েন্টের জন্য ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনি এখান থেকে।
ডোমেইন + হোস্টিং কেনা শেষ হলে আপনার কাঙ্খিত সিএমএস (যেমন ওয়ার্ডপ্রেস) ইনস্টল করে নিন। তারপর একটি মেইনটেনেন্স মোড প্লাগিনস একটিভ করে নোটিশ ঝুলিয়ে দিন ১৫-৩০ দিনের।
ব্যাস হয়ে গেলো আপনার কাজের ৬০%।
এবার সুন্দর টেমপ্লেট বাছাই করুন আর কাস্টমাইজ করুন। কাস্টমাইজ শেষ হলে বা কাস্টমাইজ চলার সময় আপনার ক্লায়েন্টের তথ্যগুলো ওয়েবসাইটে তুলে দিন ধীরে ধীরে।
মাঝে মাঝে ক্লায়েন্টের অফিসে গিয়ে কাজের অগ্রগতি দেখিয়ে আসুন।
ইনসোর্সিং-এর সুবিধা
সুবিধা তো অনেক। সাধারণত সাইটগুলো খুবই সিম্পল হয়ে থাকে। ইচ্ছে করলে এরকম একটি সাইট ৩-৫ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন করা যায়। কাজ করা যায় নিজের ইচ্ছেমতো সময়ে। ক্লায়েন্টকে খুব সহজেই সন্তুষ্ট করা যায়। মাঝে মাঝে সিএসএস (CSS)-এ কালার চেঞ্জ করে দিন। সাইটের ব্যানার চেঞ্জ করে দিন। ক্লায়েন্ট খুব খুশি হবে।
ইনসোর্সিং-এর অসুবিধা
আমার নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, এখানে কিছু অসুবিধা আছে। যেমন, ক্লায়েন্ট যেকোনো সময় ফোন করে আপনাকে কাজের অর্ডার দিতে পারে। বা তক্ষুণি কোনো কাজ করে দিতে বলতে পারে, হয়তো তখন আপনি আপনার কোনো প্রিয় মানুষের সান্নিধ্যে সময় কাটাচ্ছেন…
।
ইনসোর্সিং-এ আয় কেমন?
যদি বুঝি কাজটি ওয়ার্ডপ্রেসে সম্পন্ন করা যাবে তাহলে আমি ১০-১৫ হাজার টাকা নেই। ইদানিং মার্কেটিং করছি ই-কমার্স সাইটের। একজনের সাথে কথা হচ্ছে- ৪০ হাজার টাকায়। হয়তো পেয়ে যেতে পারি। এই কাজটি আমি করবো মাজেন্টো দিয়ে।
ইনসোর্সিং-এর ভবিষ্যত কেমন?
হ্যা, এটা একটা প্রশ্ন বটে। আমি ভবিষ্যত জানি না। তবে আপাত দৃষ্টিতে আমি ভালোই দেখছি। চিন্তা করুন, আপনি ২/৩ বৎসরে ১০০ ওয়েবসাইট বানিয়েছেন। মোটামুটি সবার সাথে যদি আপনার সু-সম্পর্ক থাকে। তাহলে বছর শেষে সবাই কিন্তু আপনাকে দিয়েই আবার রিনিউ করাবে। যা আউটসোর্সি-এর বেলায় হয় না।
এসব ক্লায়েন্টরা শুধু ডোমেইন + হোস্টিং-ই রিনিউ করাবে না। আপনার সার্ভিসও রিনিউ করাবে। এবং এতে করে আপনি প্রতি মাসে গড়ে ভালোই আয় করতে পারবেন একসময় কোনো কাজ না করেই…
।
সর্বশেষ কথা
ব্যক্তিগতভাবে আমি একজন অসফল গুগল এডসেন্স পাবলিশার। যদিও আমি হতাশ নই। আমার বিশ্বাস এক সময় আমি সফলতার নাগাল পাবো। আমি ইংরেজি মোটামুটি বুঝতে পারলেও বলতে বা লিখতে তেমন পারি না। তাই আমার এই ইনসোর্সিং পদ্ধতি ভালো লাগে।
আপনারাও চেষ্টা করে দেখতে পারেন। সবার জন্য শুভকামনা রইলো।

{ 77 comments… read them below or add one }
কনসেপটা চমৎকার!
লেখেছেনও খুব ভালো….
নতুন একটা জিনিস সম্পর্কে জানলে খুব ভালো লাগে। বাংলাদেশের জন্য ধারনাটি বাস্তব সম্মত…
অনেক ভালোলাগলো আপনারা যদি বল্গ সম্পর্কে আরো টিপস জানতে চান তাহলে আমর website এ ভিসিট করতে পারেন
প্রথমেই পবিত্র শবে বরাতের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।আপনার এই পোষ্টটি অনেক সুন্দর ও তথ্যপূর্ণ্য।এ রকম একটি আরটিকেলের জন্য আপনাকে আবারো শুভেচ্ছা।তাছাড়া এই সাইটটিও অনেক সুন্দর হয়েছে।ভিজিটরদের এই পোষ্টি ভালো লাগবে বলে আশা করছি।আরো উন্নত কন্টেন্ট দিয়ে আমাদের জন্য আরো তথ্যপূর্ণ্য আরটিকোল লিখবেন বলে আশা করছি।ধন্যবাদ
আপনার পোস্টটি পড়ে আশায় বুক বাধলাম।
হাস্যকর পোস্ট, এর বদলে একেই উপায়ে মলম (MLM) ব্যবসা করলে কোটিপতি হওয়া যেতেন হা হা হা হা হা হা আহ আহ আহা
বনায় আমি বাংলায় ফ্লাশ এর কাজ শিখতে চাই . আপনাদের কাছে এর জন্য কোনো লিঙ্ক আছে. দিলে ভালো হবে
ভাইরে আপনার জন্য কিস !!!!
হাসান ভাইয়ের কাছে বা অন্য সবার কাছে আমার একটা প্রশ্নঃ
আমার ছোট ভাইকে আমি ওয়েব ডেভলোপার বানাতে চাই এবং এতে অনেক আগ্রহ দেখতে পেয়েছি আমার ছোট ভাইয়ের ..
এখন ওয়েব ডেভলোপার বানাতে চাইলে কি কি কাজ প্রথমেই শিখাতে হবে ? আমার ছোট ভাই এবার Hsc পরিক্ষা দিয়েছে তাই রেজাল্ট বের হবার আগে আমি কিছু কাজ এর প্রসিক্ষন দেওয়া তে চাই … অনলাইনে কিছু কিছু বই ডাউনলোড করে html এর কাজ সিকছে আপাদত … বাংলাদেশে কি কোন ভাল প্রশিক্ষন কেন্দ্র আছে ঢাকা তে ?
আমার মনে করি যেহেতু সে বয়সে অনেক ছোট তাই তার হাতে অনেক সময় আছে। তাই সরাসরি তাকে ওয়েব ডেভেলপার বানানোর চিন্তা না করে, একটু একটু করে প্রোগ্রামিং শিখতে উৎসাহিত করুন। এতে করে তার ভিত্তি মজবুত হবে। সি, সি++ কিংবা জাভা ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে শুরু করাতে পারেন।
একসময় সে নিজেই বুঝে যাবে যে সে কোন বিষয়ে ভবিষ্যত গড়তে চায়। আমি প্রোগ্রামিং ইউনিভার্সিটিতে শিখেছি। আর কোনো প্রশিক্ষন কেন্দ্র আছে কিনা জানি না। তবে নিজে নিজের শুরু করতে বলুন।
আপনার ছোট ভাইয়ের জন্য রইল শুভ কামনা।
পোস্টটি খুব ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ
ভালো লাগলো.ধন্যবাদ
I want to learn magento . do you give me some website information where i can get necessary support or complete tutorial about magento.
http://www.siteground.com/tutorials/magento/
http://www.design4magento.com/category/magento-tutorials/
http://promagentotuts.com/
http://www.learnmagento.org/
http://magebase.com/
আপনার চিন্তাভাবনা আর আমার চিন্তাভাবনার মধ্যে বেশ মিল রয়েছে।
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনার এই উৎাসাহব্যাঞ্জক লেখার জন্য।
সত্যি বলতে কি ইনসোর্সিং এর বিষয়টি চিন্তাই করি নাই কখনো। তবে, আপনার পোষ্টটি পড়ার পর অনুপ্রেরণা পেলাম। গত তিন বছর থেকে আউটসোর্সিং করছে। এবার ইংসোর্সিং করতে হবে দেখছে। তাতে করে নিজের অভিজ্ঞতা আর প্রোফাইলটা শক্তিশালী করা যাবে ইনশা-আল্লাহ।
আশা করি শীঘ্রই সফলতার মুখ দেখতে পাবেন, ধন্যবাদ।
আপনার ইনসোর্সিং ধারনাটা ভালো লাগলো , এমন একটি বিষয় আমার মাথায়ও কাজ করছে, বিষয়টা খারাপ না। আপনাকে দন্যবাদ। এই সংক্রান্ত আরো কিছু পোষ্ট থাকলে দয়া করে দিবেন।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। অন্য পোষ্টগুলো পড়ে দেখুন, আশা করি ভাল লাগবে।
আচ্ছা একটা জিনিষ আমাকে ভাবায়!
এই যে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর ভবিষ্যত কোথায়? বলতে গেলে প্রায় সব কিছুই অটোমেটেড সিস্টেমে চলছে। সবকিছুর জন্যই একটা ডু ইট ইউরসেল্ফ ফরমুলা আছে। সেখানে মানুষের মূল্য কোথায় গিয়ে দাড়াবে?
হয়ত: বলবেন অটোমেটেড সিস্টেম গুলো পরিচালনা করতেও মানুষের প্রয়োজন, কয়জনের প্রয়োজন? ল্যারি পেইজ, স্টিভ জবস বা গেইটস এরা খুব গুটি কয়েক।
আসলে এই বিশয়গুলো নিয়ে আশার আলো দেখানোর মত কোন পোষ্ট নেই। হাসান ভাইকি এই বিষয়টা নিয়ে আমাদের একটু ভাবাবেন?
পুনশ্চ: আলোচ্য পোষ্টখানা ভাল হয়েছে। তবে বাকী একটা বড় ফ্যাক্টর
হতাশ হবার কিছু নেই। প্রযুক্তি মানুষের শত্রু নয়। প্রযুক্তির কারনে তাদেরও ক্ষতি হয় যারা প্রযুক্তিকে আলিঙ্গন করতে পারে না, প্রযুক্তির সাথে পায়ে পা মিলিয়ে চলতে পারে না।
বাস চলতে শুরু করায় ঘোড়াগাড়ির বিলুপ্তি ঘটেছে ঠিকই, তবে মানুষের চলার গতি বেড়েছে, উত্পাদনশীলতা (খন্ডত খুঁজে পেলাম না) বৃদ্ধি পেয়েছে।
সবাই বিল গেটস, স্টিভ জবস হতে পারে না, যেমন সবাই নিউটন, আর্কিমিডিস হতে পারেনি। তাই বলে কি সভ্যতার বিকাশ থেমে থেকেছে।
নিজেকেই প্রশ্ন করুন, উত্তর পেয়ে যাবেন।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
দারুন উত্তর.
অনেক ভালো লাগলো। আমি ও এই ভাবে কাজ করছি। আমি রাজশাহী থেকে কাজ করছি। এখানে কাজের রেট কম। তবে শিখতে পারছি অনেক।
আমার ও ইংলিশ এ সমস্যা। আদনান ভাইয়ের টিপস গুলো কিভাবে পাব।
পান্থ ভাই, অনেক আগে আপনি একটা কমেন্ট করে আদনান ভাইকে আপনার ইনসোর্সিং এর কথা বলেছিলেন। আজ বিস্তারিত জানতে পেরে ভাল লাগছে। ভাইয়া আপনি মেজেন্ট পাবেন কোথায়? ওটা তো ফ্রী না। টাকা দিয়ে কিনতে হই। যদি কথাও ফ্রী পান আমাকে প্লীজ লিঙ্ক দিন।
ধন্যবাদ।।
Magento এর কমিউনিটি edition টিতো ফ্রি, ওটা ব্যবহারে সমস্যা কি – http://www.magentocommerce.com/product/compare
পেলাম হাসান ভাই। ধন্যবাদ।
আমি এই বল্গের নতুন পাঠক, বল্গ পড়তে পড়তে সবাইকেই বেশ আপন মনে হয়, পান্থ বিহোস ভাই ধন্যবাদ তার মূল্যবান লেখার জন্য।
আপনাকেও ধন্যবাদ আর স্বাগতম আমাদের এই ব্লগে।
সালাম, নিবেন ভাইয়া,
ভাই গুগোল এডসেন্স এবং ব্লগিং সর্ম্পকে কিছু ধারনা দিলে আমি খুব খুশি হতাম। ধন্যবাদ
আমার এই ব্লগের অন্তত ৮০% লেখা হয় এডসেন্স নিয়ে কিংবা ব্লগিং নিয়ে। ডানদিকের কলামের “বিভাগসমূহ” ড্রপডাউন মেনু থেকে এডসেন্স কিংবা ব্লগিং বেছে নিয়ে ওগুলো সম্পর্কিত পোষ্টগুলো পড়তে পারবেন।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
হুমম ভালোই তো লিখেছেন পান্থ ভাইয়া।লেখাটা বেশ মজা করে লিখেছেন একটানে পড়ে ফেললাম।শুভকামনা রইলো
আপনার সমস্যার সমাধান হয়েছে, কিছু জানালেন না তো?
ও ভাইয়া আমি এই কয়দিন বাসায় ছিলাম না।কাল এসেছি,আজ এপ্লাই করব।তারপর রেজাল্ট তো অবশ্যই জানাব।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আমার জন্য কষ্ট করার জন্য ভাইয়া।
ধন্যবাদ @রুম্মাপুনি…
রেজাল্ট পজেটিভ ভাইয়া।এপ্লিকেশন এপ্রুভড।আমি আপনাকে মেইল করেছি।
ভাইয়া,18 বছর না হয়েও কি গুগল এডসেনসে কি এক্যাউন খোলা যায়?
টাকা পয়সা লেনদেন হয় – এমন যেকোনো ক্ষেত্রেই বয়স ন্যুনতম ১৮ বছর হতে হয়।
আসলে আমাদের দেশে যে ইকমার্সের ভাল ব্যবহার শুরু হতে যাচ্ছে এটা ভাল করে বুঝে দেওয়ার জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ। অসাধরন পোষ্
অনুগ্রহ করে কিওয়ার্ডযুক্ত নাম ব্যবহার করবেন না। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
খুব ভালো লাগল
বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ৷
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। আমার লেখা স্বার্থক হবে যদি অন্তত দু’একজনের হলেও কাজে লাগে।
ধন্যবাদ লেখার জন্য। ইনসোর্সিং ভালো একটি সুযোগ হলেও এখানে হয়রানির সম্ভাবনাও কিন্তু কম নয়!
আমিও বেশ ভালো অংকে দেশি কিছু কাজ করেছি.. কিন্তু এজন্য যেসব উটকো হয়রানি সামাল দিতে হয়েছে তাতে এখন পর্যন্ত একটাই উপলব্ধি: ‘বিদেশি ক্লায়েন্টদের সাথে কাজ করাই ভালো’ ।
আবারো ধন্যবাদ।
ঝামেলা সব কাজেই আছে। তবে কাজ নেয়ার আগে ক্লিয়ারভাবে টোটাল ব্যাপারটা বুঝে নিলে এবং কোটেশন ড্রপ করে ওয়ার্ক অর্ডার নিয়ে নিলে তেমন একটা সমস্যা হয় পরবর্তীতে।
যাইহোক, আপনার অভিজ্ঞতাগুলো আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। তাহলে আমরাও শিথতে + সতর্ক হতে পারবো।
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
হাসান ভাই, একটা কমেন্ট মডারেশনে চলে গেছে। কাইন্ডলি একটু ছেড়ে দেবেন?
ইনসোরসিং এর বিষয়টা এর আগে ভাবা হয়নি, তবে যা দেখা যাচ্ছে ভালো মানের কাজ করতে পারলে চক্রের মত ঘুরে ঘুরে নিজের দিকেই কাজ আসতে পারে… ৪০ হাজার টাকা দিয়ে যে বাংলাদেশের কেউ সাইট ডেভেলপ করায় জানতাম না, অবাক হচ্ছি বিষয়টাতে… বেশ উন্নত হচ্ছি তাহলে আমরা
এই কাজটা পাওয়ার সম্ভাবনা এখনো আছে। কাজটার সূত্র এক পরিচিত বড় ভাইয়ের ফ্রেন্ড। তিনি আমেরিকায় থাকেন। অবশ্য তিনি বাংলাদেশী। ওনার কাছে কিন্তু হিসেবটা মাত্র ৫০০ ডলার। ৫০০ ডলার দিয়ে ইকমার্স সাইট! খুব কম নয় কি?
আর টাকার ব্যাপারটা আসলে কাজের উপর নির্ভর করে। বছরখানিক আগে, আমি বাংলাদেশের একটি বড় রিয়েল এস্টেট কোম্পানীর সাইট বানানোর জন্য বাজেট দিয়েছিলাম এক লক্ষ চার হাজার টাকা। কিন্তু আফসোস! তখন অতোটা বুঝতাম না বলে কাজটা ধরতে পারিনি। পরে জেনেছিলাম কাজটা ওনারা ইউকে থেকে করিয়েছেন প্রায় দেড় হাজার পাউন্ড খরচ করে।
আপনি খোজ নিলে জানতে পারবেন, বাংলাদেশে এখন বড় বড় কাজ হচ্ছে। কিন্তু তা খুবই সিম্পল। বিশেষ করে সরকারী যেসব কাজ হচ্ছে, সেগুলো খুবই হাইরেটেড কিন্তু সিম্পল কাজ।
আমার পরিচিত এক আইটি ফার্ম সরকারী ১০ কোটি টাকার কাজ টেন্ডারের মাধ্যমে পেয়েছেন (অবশ্য লবিং করে)। বিশ্বাস করুন, কাজগুলো সবই হচ্ছে এইচটিএমএল আর সিএসএস দিয়ে। ভাবা যায়!
আসলেই কথাগুলো শুনে আমার তাক লেগে যাচ্ছে…
আমার পূর্বঅভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, বাংলাদেশে বড় কাজ পাওয়াটা খুব কষ্টকর, দায়িত্ববান ব্যক্তিদেরকে খুশি করতে করতে প্রজেক্টের ৫০% থেকে ৭৫% বাজেট খরচ হয়ে যায়।
বাকি ২৫% এর আশায় কাজ করে সেটা তুলতেও নাভিশ্বাস উঠে যায়। তাই সবসময় নিজেকে সচল রাখতে ছোট ছোট কাজগুলোর দিকে মনোযোগ দেয়া প্রয়োজন।
ভাইয়া, আপনার সাথে সম্পূর্ণ একমত। দেখা যায়, ছোট ছোট কাজগুলো যাদের রেফারেন্সে পাওয়া যায়, তাদের কাউকেই কোনো কমিশন দিতে হয় না। বা তারা এমন কিছু পাওয়ার আশাও করেন না। উনারা মনে করেন, ছোট ভাইটা কাজ জানে, তাকে দিয়েই কাজটা করিয়ে নিই।
আর রাজনৈতিক লেভেলে লোক না থাকলে বড় কাজ/সরকারী কাজ পাওয়া কখনোই সম্ভ না। একেবারেই না।
পোস্টটি পড়ে খুব ভাল লাগলো।
আপনি বলেছেন html, css জানলে চলবে। কিন্তু আমি জানি ওযার্ডপ্রেস থিম কাস্টমাইজ করতে বা তৈরী করতে পি এইচ পি জানতে হয়। আসলে থিম তৈরীতে দক্ষ না হলে আমি মনে করি ভাল করা সম্ভব নয়, কাষ্টমারের চাহিদা ভিন্ন থাকে। যেমন কোন ক্লাযেন্ট ফ্লাসের ব্যানার চায়, ইত্যাদি। এক্ষেত্রে ফটোশপ, ফ্লাশ, এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভাস্কিপ্ট, পিএইচ পি সবই জানতে হয়। আর আর্টিষ্টার তো পেজ ভারী করে ফেলে। আমি মূল কথা বলতে চাচ্ছি য়ে ওয়েবডেভেলপার হতে চাইলে ফাকিবাজি না করে একটু কষ্ট করে শেখা ভাল। কারন শেখা টা মনে হয় কঠিন নয়, টেমপ্লেট আছে জন্যই আমরা শিখতে চাইনা। যদিও আমি কিছুই জানিনা।
অফটপিক:
একটি ব্লগের কি ওযার্ড বিভিন্ন রকম হলে এ্যাংকর টেকস্ট একেক পেজের জন্য একেক রকম করতে হবে। কিন্তু শুধু হোম পেজের জন্য ব্যাকলিংক আর এ্যাংকর টেকস্ট কালেক্ট করলে সমস্যা বা সুবিধা (ভাল), না কি একেক পেজের জন্য একেক এ্যাংকর কিওযার্ড বসাতে হবে? প্রশ্নটা ব্যাকলিংকের জন্য ও। কারন টেকনোলজি ব্লগের ব্যাকলিংক হেলথ ব্লগ থেকে নিয়ে লাভ নেই। কিন্তু কোন ব্লগে টেকনোলজি আর হেল্থ দুইই থাকলে হোমপেজের জন্য ব্যাকলিংক করবে নাকি পোস্ট ইউআর এল এর জন্য?
আপনি ঠিকই বলেছেন। ফাঁকিবাজি করে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ হয় না। সত্যি কথা বলতে কি, কোনো কাজ-ই ফাঁকিবাজি করে হয় না।
)। তাই বলে কি আমি বসে থাকবো? আপনি বসে থাকবেন? আপনি এমন কাজ নিন যেটা আপনার দ্বারা সম্ভব। ফ্ল্যাশের কাজের কথা বলেছেন। আপনার ক্লায়েন্ট যদি ফ্ল্যাশ চায় তাহলে আপনি না জানলে সমস্যা কি? কাউকে দিয়ে করিয়ে নিন। ১০ হাজার টাকায় একটা কাজ নিলে ডোমেইন+হোস্টিং+ফ্ল্যাশ মিলে যদি ৫ হাজার খরচ হয় তবুও তো আপনার ৫ হাজার থাকে। নাকি?
কিন্তু ব্যাপার হলো যে, কিছু একটা তো করতে হবে (অবশ্য এটাও ঠিক- খারাপ কিছু করার চেয়ে কিছু না করা আরও ভালো), নাকি? শুধু শুধু বসে থাকবেন কেন? নেটবিল বাড়াবেন কেন? এই ব্লগের আদনান ভাই, শামীম ভাইসহ আরও অনেকে গুগল এডসেন্স মাস্টার পাবলিশার। কিন্তু আমি পারছি না (অবশ্য একদিন পারবো বলে বিশ্বাস করি
থিম কাস্টমাইজেশনের জন্য পিএইচপি জানা থাকলে খুবই ভালো। না জানলেও কাজ চালানো যায় যদি আপনি গুগলের ব্যবহার জানেন। গুগল এমন এক গুরু যে আপনার কঠিন সমস্যা সহজসাধ্য করে দেবে।
জাভাস্ক্রিপ্ট আপনাকে মোটেও জানতে হবে না। আর্টিস্টার কেন ব্যবহার করবেন? আপনার চাহিদামাফিক থিম হাজার হাজার এমনকি লক্ষ লক্ষ পর্যন্ত আছে। অপশন সমৃদ্ধ থিম ব্যবহার করুন। আমি থিসিস ইউজ করি। কখনো কখনো অন্যগুলোও ইউজ করি।
কী, এখন কি কঠিন মনে হচ্ছে?
না এখন মনে হচ্ছে সবাই ওয়েব ডেভেলপার হতে পারে যদি সে ওয়েব ডিজাইনার হয়। আসলে থিসিস থিম কখনো পাইনি, আর মানসম্পন্ন থিম কিনতে তো টাকা লাগে। আর অন্য কে দিয়ে ও কাজ করিয়ে নেয়া যায় বিষয়টা ভাল বলেছেন। ধন্যবাদ মন্তব্যের মাধ্যমে সাহায্য করার জন্য।
হাসান ভাই আমার প্রস্নের উত্তর দিলেন না, মনে হয় প্রশ্নটা বুঝাতে পারিনি।
প্রিয় হাসান ভাই আপনি কি এক্ত আমার ওয়েবসাইট টা দেকবেন এবং বলবেন যে এটা কেমন হয়েছে আর এর জন্য আর কি কি করতে পারি।
আমার ওয়েবসাইট লিঙ্ক http://twslimited.wordpress.com/
ধন্যবাদ।
দেখলাম আপনার সাইট। ভালোই তো হয়েছে…
Vaia google adsense e apply korte kono age er badha ki ache? I mean jekono age er people ki apply korte parbe?
ভালো লাগলো….
ধন্যবাদ
@Nur Hasan: পুরো বিষয়টা স্ক্রিনশট সহ অ্যাডসেন্স সাপোর্টে জানান।
এটা কী উপরে ডান কোনায় Report issue link এর ক্লিক করে করতে হবে ?
জ্বি হ্যাঁ
অনেক ধন্যবাদ।
ভাইয়া,
আমি এই কয়েকদিন আগে HSC exam শেষ করেছি। আপনার অনেক লেখাই আমি পড়েছি। Online earning নিয়ে আপনি অনেক গবেষণা করেছেন ও সফলতাও পেয়েছেন। আপনার সাহায্য কামনা করছি। আগে কখনো করিনি।
একদম শুরু থেকে কিভাবে কাজ শুরু করব (I mean details) তা একটু জানালে খুবই উপকৃত হব।
বেশি না হোক অন্তত প্রতি মাসের Internet use করার জন্য হলেও টাকা যেন আয় করেত পারি। Please vaiya, help me.
ইন্টারনেটে আয়ের অনেকগুলো উপায় আছে; ব্লগিং, আউটসোর্সিং, ওয়েবসাইট ফ্লিপিং, আর্টিকেল লেখা, এফিলিয়েট প্রোগ্রাম ইত্যাদি ইত্যাদি।
কোন বিষয় আপনি বেছে নেবেন, সেটা সম্পূর্ণ আপনার ব্যাপার। তবে বেছে নেবার পর কোনো সাহায্য প্রয়োজন পড়লে, আমাকে সবসময়ই আপনার পাশে পাবেন।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
অনেক দিন পর আপনার পোষ্ট। এবং খুবি উপযোগী। আপনার সাথে আমার ইংরেজী জ্ঞানের যথেষ্ট পরিমান মিল।
ধন্যবাদ রাজিবুল ভাই। ইংরেজির জন্য প্রতিনিয়ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আদনান ভাইয়ের সাজেশন অনুযায়ী বেশ ইমপ্রুভ হয়েছে…
।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে বিষয়টির পরিকল্পিত এবং সবলীল উপস্থাপনের জন্য। ব্যক্তিগতভাবে এমনই কিছ একটা ভাবছিলাম। আপনার ‘ইনসোর্সিং’ নামটি চমৎকার! আমি টুকটাক আউটসোংর্সিং করে থাকি, সেই সাথে আপনার ইনসোর্সিং-ও অসাধারণ একটি কনসেপ্ট। এবং এটি খুবই সম্ভব।
আপনার নতুন লেখার অপেক্ষায় রইলাম।
ধন্যবাদ আপনার চমৎকার মন্তব্যের জন্য। সেই সাথে শুভকামনা রইলো।
প্ল্যান আছে, ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে বেশ কিছু টিউটোরিয়াল লিখবো এই ব্লগে। আশা করি শিগগির দেখতে পাবেন।
অফটপিকঃ জিন্নাত ভাই জরুরী সাহায্য করেন
আমার Google adsense এর উপর হামলা করসে পাকিস্তান থেকে কারন তাদের কে odesk.com এর test answers দেইনি বলে, গতকাল রাতে তিন-চারটি কমেন্ট করে বলে যে যদি answers না দেই তাহলে তারা adsense ক্লিক মারা শুরু করবে, তার পর পোষ্ট গুলো ড্রাফট করে দেই,
কিন্তু আজকে সকালে দেখি প্রায় ২০ টার মত ক্লিক মারসে, আমার Page CTR ১ এর চেয়ে কম আছে !
এখন আমাকে সাহায্য করেন(!)
কি সমস্যা বুঝলাম না? যাহোক, আপাতত ওয়েবসাইটকে অফলাইনে নিয়ে যান।
আমার যেহেতু CTR rate কম আছে তাই কি কোন রিপোর্ট করতে হবে ?
ভাইয়া, থিম কাষ্টমাইজেশন উপর কোন টিউটরিয়াল থাকলে একটু জানান ।
গুগলে সার্চ দিলেই আপনি লক্ষ লক্ষ টিউটোরিয়াল খুঁজে পাবেন।
স্যরি বস, আপনার প্রশ্নের উত্তরটি নিচে দেখুন…
চমৎকার লাগলো আপনার পোষ্ট পড়ে।
# এডসেন্সের পিন ছাড়া অন্যভাবে কি একাউন্ট ভেরিফাই করা যায়? আমি পিন রিকোয়েস্ট দুই বার করেছি এখনো পাই নাই। নাম ঠিকানা সবই ঠিক আছে
পাসপোর্ট কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্র পাঠিয়েও পিন ভেরিফাই করা যায়, এডসেন্সের হেল্প বিভাগে খুঁজে দেখুন।
ওয়ার্ডপ্রেস পপুলার হওয়ার মূল কারণ-ই বোধহয় এই যে, এর টিউটোরিয়াল খুবই এভেইলেবল। থিম কাস্টমাইজেশন-এর উপর হাজার হাজার কিংবা লক্ষ লক্ষ প্রিন্টেড এন্ড ভিডিও টিউটোরিয়াল রয়েছে। গুগল মামার ব্যবহার জানলে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। তবে আমার নিজের ইচ্ছে আছে, বাংলা ভাষায় থিম কাস্টমাইজেশন-এর উপর কিছু টিউটোরিয়াল লেখার। যদি লিখি তাহলে আমার প্রিয় এই ব্লগেই দেখতে পাবেন।
খুবই ভালো লাগল।
ধন্যবাদ….
ধন্যবাদ আপনাকেও @মেহেদী।