রাইটার’স ব্লক যেকোনো লেখকের বা ব্লগারের জীবনের অপরিহার্য অংশ। রাইটার’স ব্লক-এ পরেন নি এমন লেখক বা ব্লগার খুঁজে শুধু দুষ্করই না বরং অসম্ভব। কেউই গর্ব করে বলতে পারবে না যে আমি রাইটার’স ব্লক – এর শিকার হয়নি। রাইটার’স ব্লক এমন পরিস্থিতিকে বোঝায় যখন একজন লেখক লেখার ইচ্ছা থাকা সত্যেও লিখতে পারেন না। সমস্যাটা অনেকের ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী আবার অনেকের ক্ষেত্রে ক্ষণস্থায়ী। নিজেকে ব্লগার বলে দাবী করবো না, কিন্তু যেহেতু কিছুটা হলেও লেখালেখির সাথে জড়িত তাই রাইটার’স ব্লক কতটা খারাপ তা ভালোভাবেই জানা আছে।
রাইটার’স ব্লক এর কিছু কমন কারণসমূহ এবং সেগুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার উপায়:
১.লেখার বিষয় খুঁজে না পাচ্ছেন নাঃ
কি লিখব? কি নিয়ে লিখব? ইত্যাদি সবার জন্যেই অতি সাধারণ প্রশ্ন। অনেকেই লেখার সময় লেখার জন্যে উপযুক্ত বিষয় খুঁজে পাননা। আর এটিই রাইটার’স ব্লক এর অন্যতম কারণ। ২০০৯ এর মাঝের দিকে যখন ভার্চুয়াল জগতে লেখালেখির সাথে যুক্ত হলাম তখন এই সমস্যা আমার জন্যে অতি সাধারণ ছিল। দেখা যেত অনেক সময় New Post এ ক্লিক করে বসে ভাবছি কোন বিষয়ে লেখা যায়… আর ভাবতে ভাবতেই হঠাৎ করেই দেখা যেত অন্যমনস্ক হয়ে গিয়ে ফেসবুকে নোটিফিকেশন চেক করছি বা ইমেইল চেক করছি। অর্থাৎ লিখব ভেবেও লেখা হত না।
লেখার জন্যে উপযুক্ত বিষয় খুঁজে না পাওয়া মূলত লেখায় অনভ্যস্ততার কারণে হয়ে থাকে। ফ্রি-হ্যান্ড রাইটিং এর অভ্যাস করুন। সবসময় ডায়েরী লেখার চেষ্টা করুন এবং যথাসম্ভব আপনার লেখার বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বই, ব্লগ এবং ওয়েবসাইটের লেখাগুলো পড়ুন। নিজের সাথে একটা ছোট্ট নোটপ্যাড রাখলে ভালো হয়। কোন সময় হঠাৎ করেই কোন বিষয়ে লেখার বুদ্ধি এসে গেলে তা টুকে রাখুন। এভাবে চালিয়ে যেতে থাকুন। অভ্যস্ত হয়ে পড়লে যেকোনো বিষয়েই লিখতে পারবেন। আপনি একজন ব্লগার হলে ওয়ার্ডপ্রেস আয়োজিত PostADay বা PostAWeek এ অংশগ্রহণ করতে পারেন। এগুলোতে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে আপনার লেখার স্কিল-এর উন্নতি ঘটবে যা আপনাকে ফ্রি-হ্যান্ড রাইটিং এ সহায়তা করবে।
২.আপনি অনেক ব্যস্ত:
অবশ্যই আপনি ব্যস্ত। বাস্তব জীবনের সম্মুখীন সকলকেই হতে হয়। জীবিকার তাগিদে সকলেই ব্যস্ত। এর মধ্যেই আপনাকে কিছুটা সময় বের করে নিতে হবে লেখার জন্যে যদি আপনি প্রফেশনাল ব্লগার বা লেখক হন। আগাথা ক্রিস্টি বলেন – “The best time for planning a book is while you’re doing the dishes,”
ব্যস্ততা রাইটার’স ব্লকের অন্যতম কারণ। অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকার কারণে একজন লেখক অনেকদিন হয়তো লেখালেখি থেকে দূরে থাকবেন, এতে তার লেখনীতে খারাপ প্রভাব পরে। একজন লেখক হিসেবে আপনাকে মনে রাখতে হবে কোন প্রকার এক্সকিউজ দিয়ে নিজেকেই নিজে ফাকি দেয়ার চেষ্টা করবেন না। অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকার কারণে যদি লিখতে ব্যর্থ হন তবে অন্ততপক্ষে পরবর্তীতে লেখার জন্যে লেখার বিষয় খুঁজে রাখুন।
৩.লেখায় উৎসাহ পাচ্ছেন না:
মনে করুন, আপনি আপনার ব্লগে নিয়মিত পোস্ট করছেন কিন্তু পাঠকের কোন প্রকার মন্তব্য পাচ্ছেন না, তাই লেখার উৎসাহ হারিয়ে ফেলা অতি স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু একবার ভেবে দেখুন আপনি সারাদিনে যতগুলো ব্লগ পোস্ট পড়েন তার সবগুলোতেই কি আপনি কমেন্ট করেন? নিশ্চয়ই না। আপনি অনেক পোস্টেই কমেন্ট করেননি কিন্তু পড়েছেন। ব্যাপারটা অনেকটা এরকমও হতে পারে, দেখা গেল আপনার লেখা অনেকেই পড়ছে কিন্তু কমেন্ট করছে না। তাই উৎসাহ হারবেন না। লিখতে থাকুন। পাঠকের কমেন্ট যদিও অনেক উৎসাহের যোগান দেয়, বিশেষ করে নবাগত ব্লগারের কাছে। তবে সমগোত্রীয় ব্লগগুলোতে নিয়মিত কমেন্ট করুন, এতে কিছু ভিজিটর পেতে পারেন যারা হয়তো আপনার ব্লগে কমেন্ট করবেন। সমগোত্রীয় ব্লগে গেস্ট পোস্ট করতে পারেন এতে সেই ব্লগের বেশ কিছু নিয়মিত পাঠক এবং কমেন্টার আপনার ব্লগেও ঘুরে যাবে। তাদের থেকে হয়তো নিয়মিত আপনার লেখা সম্বন্ধে মতামতও পেতে পারেন।
৪.অন্যে কি ভাববে সে নিয়ে চিন্তা করছেন:
অন্যে কি ভাববে সে নিয়ে চিন্তা করে রাইটার’স ব্লকে পড়ে থাকেন সাধারণত নতুন ব্লগাররা। অন্যে কি ভাববে না ভাববে সেটা নিয়ে চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। আপনি যদি ভুলও লিখে থাকেন তাতেও সমস্যা নাই। ভুল থেকেই মানুষ শিখে। বেশ কয়েকবার ভুল করলে অনেকেই সেটা ধরিয়ে দেবে, সেই ধরিয়ে দেয়া দোষটা এড়িয়ে আবার লিখুন। লেখার সময় ভাবার প্রয়োজন নেই অন্যে কি ভাববে। নতুন কোন আইডিয়া পেলেই লিখে ফেলুন। বেশি চিন্তা-ভাবনা করলেই রাইটার্স ব্লকে পড়তে পারেন।
৫.ভাবছেন কিভাবে লিখবেন:
এটিও অতি সাধারণ ব্যাপার। অনেক সময় দেখা যায় লেখার জন্যে যথেষ্ট আইডিয়া থাকা সত্ত্বেও অনেকে লিখতে পারেন না। এর কারণ একটাই কিভাবে লিখবেন সেটা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা। সবচেয়ে ভালো হয় যা মাথায় আসে লিখে ফেলুন, এরপর একে ড্রাফট হিসেবে দেখে নিন। পরে এক সময় সময় পেলে লেখাটার উপর চোখ বুলিয়ে নিন। লেখাটাকে কাট-ছাট করে অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিন, প্রয়োজনীয় অংশ যোগ করুন। একটু সাজিয়ে নেয়ার চেষ্টা করুন। সবচেয়ে ভালো হয় সময় করে যেসকল বিষয়ের উপর আপনি লিখেন সেই বিষয় গুলোর একটা লিস্ট করে ফেলুন। এরপর সবগুলো বিষয়ের জন্যেই একটা আদর্শ ফরমেট তৈরি করে নিন এবং সবসময় সেই ফরমেটের উপর ভিত্তি করে লিখুন। যেমন ধরুন “How To” টাইপ আর্টিকেল কিভাবে লিখবেন এর একটা ফরম্যাট তৈরি করুন এবং এরপর থেকে “How To’ টাইপ আর্টিকেল লেখার সময় সেই ফরম্যাট ব্যবহার করুন।
আরও নানাবিধ কারণ আছে রাইটার’স ব্লকে পড়ার, কিন্তু সবসময়ই চেষ্টা করবেন সেগুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার। দীর্ঘমেয়াদী রাইটার’স ব্লকের কারণে আপনার লেখার কোয়ালিটি খারাপ হয়ে যেতে পারে। প্রোফেশনাল ব্লগার হয়ে থাকলে হয়তো কিছু নিয়মিত পাঠক হারাবেন। আরও নানা সমস্যাই হতে পারে। তাই সবসময় কিভাবে সমস্যাকে কাটিয়ে ওঠা যায় সেদিকেই মনোযোগ দিবেন। তাহলেই রাইটার্স ব্লকে পরার সম্ভাবনা থাকবেনা।


{ 35 comments… read them below or add one }
আমি চিন্তা করছি…. বেশ কিছুদিন ধরে ব্লগ লিখতে পারছি না। তবে রাইটার’স ব্লক না মনে হয়। তবে শ্রীঘ্রই ফিরে আসব। ধন্যবাদ অনেক সুন্দর একটি লিখা উপহার দেবার জন্য।
আসলে লেখাটি দারুন হয়েছে। সত্যি অবিশাস্য।
খুব ই সুন্দর ও দরকারি পোস্ট।
ভালো পোস্ট
অনেক ভাল হয়েছে ……আমি তো এটা সম্পর্কে কিছুই জানতাম না । তবে এখন অনেক কিছু জানলাম । ধন্যবাদ। আরিফ ।
সুন্দর হয়েছে। আমি নিজেকে নিয়ে কি বলবো? লেখা মাথায় আছে, কিন্তু লিখবো লিখবো করেও লিখি না। কেন লিখিনা তাও জানি না। অতঃপর ২/৩ দিন পর লেখা মাথা থেকে চলে যায়। আবার কিছুদিন পর নতুন কিছু আসে এবং একই রকম চলতে থাকে। to b continued… ..
রাইটার’স ব্লকের লক্ষণ…
বছর দশেক আগে, বাংলাদেশের জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের এক লেখা থেকে রাইটার্স ব্লক সম্পর্কে প্রথম জানতে পারি। পরে অবশ্য আরও বিস্তারিত পড়াশোনা হয় রাইটার্স ব্লক নিয়ে। তখন আমার ধারণা ছিলো- রাইটার্স ব্লকে শুধু সাহিত্যিকরাই আক্রান্ত হন। ব্লগাররাও যে এই রোগে আক্রান্ত হন, জানা ছিলো না।
ও হ্যা, ডিজে আরিফকে আমি পছন্দ করি তার ব্লগ সম্পর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য। তবে তার এই লেখা সম্পর্কে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকলাম…
বিরত থাকার কারণ?
আচ্ছা হাসান ভাই… কোন সাইটে মোট ট্রাফিক এর ২/৩( ৩ ভাগের ২ ভাগ) যদি ফেসবুক থেকে আসে তবে কি গুগল এডসেন্স দিতে কোন সমস্যা আছে?
Salam. I m professionally a banker and i do feel to write on any topic just after while i finished up my all banking stuff. but reality is it feel much exhausting. thanks for ur write up. keep it up.
সুন্দর লিখেছেন। ধন্যবাদ।
আমার সমস্যা হল, আমার লেখা গুলো খুব বেশি বড় হয়না,মাথায় যেটা আসে; সেটা যেন কিভাবে অল্প কথায় লেখা হয়ে যায়,পরে ভেবেচিন্তে আর বাড়াতে পারিনা। তখন লাগে বিরক্তি।
সবচেয়ে ভালো হয় যে বিষয়ে লিখবেন সেই বিষয়ে আগে কিছুটা পড়াশোনা করে নেয়া… এতে বিষয় সম্বন্ধে আপনার ধারণা আরো পরিষ্কার হয়ে যাবে, যার ফলাফল স্বরূপ আপনি দীর্ঘ লেখা পেলেও পেতে পারেন…
যারা প্রফেশনাল ব্লগার হতে চায় তারা এই লিখাটা না পড়লে বিশাল মিস করবে।
অফ টপিক: তোর লেখার ধরণ আমাকে ভীষণ আকর্ষণ করে। আমি ব্লগ লেখার সময় তোকে অনুসরণ করার চেষ্টা করি।
ওরে দোস্ত… ভাগ্যিস দু’জন দুই লাইনে আছি, নইলে প্রতিযোগিতাই শুরু করে দিতাম হয়তো আমরা…আমিও তোর ডিজাইনের ফ্যান…
বায় দ্য ওয়ে আমাকে অনুসরণ না করে প্রোফেশনাল কোন লেখককে অনুসরণ কর লেখাই দ্রুত উন্নতি ঘটবে…
DJ ARIF,
1 core like for this replay.
আমার প্রিয় বাংলা সাহিত্যিক আবু তাহের মিছবাহ সাহেব বলেনঃ শুরুতে যদি তুমি কোনকিছুই লিখতে না পারো তাহলে তুমি যে লিখতে পারোনা এ কথাটিই লেখো। দেখবে একটি সুন্দর লেখা তৈরি হয়ে গেছে।
আরিফ ভাইয়ের জন্য শুভকামনা।
ভাই আপনার লেখার প্রশংসা না করে থাকতে পারলাম না… এত ভাল একটা লেখা উপহার দেবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ
লজ্জা দিচ্ছেন…
আমিও এই সমস্যায় ভুগছি। দেখি আপনার কথা গুলো ফলো করে, আশা করি ভাল করতে পারব। ধন্যবাদ আরিফ ভাই।
আগাথা ক্রিস্টির কথাটা ভাল লাগল। ব্যাক্তিগতভাবে আমার অনেক বিজনেস প্ল্যান মাথায় আসে টাট্টিঘরে !!! যাই হোক রাইটার্স ব্লক কাটানোর অন্যতম উপায় হোল একটা নিশ বানানোর আগেই সেটার লেয়াউট করে নেওয়া।একটা বই লিখতে গিয়ে একজন লেখক যেমন বিভিন্ন চাপটার সম্পর্কে ভাবেন সেভাবে বিভিন্ন ক্যাটাগরি নিয়ে ভেবে তারপর কোন ক্যাটাগরিতে কি কি বিষয়বস্তু আসতে পারে তা পয়েন্ট আকারে লিখে রাখা যেতে পারে। আমার ধারনা রাইটার্স ব্লকের সবচেয়ে বড় স্বিকার হোন তারা যারা তাদের নিশকে খুব বেশী টার্গেটেড/ছোট করে ফেলেন। নিশ বড় হলে বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রচুর লেখার সুযোগ থাকে (গুগল কিন্তু বড় সাইট বেশী পছন্দ করে সে কারনে অনেক সাইটে আজকাল ব্লগ সেকশন রাখা হয় ফ্রেস কন্টেন্ট এর পরিমান বাড়ানোর জন্য, সাইট টার্গেটেড কিন্তু ছোট না করে বড় করলে লং টেইল অনেক কিওয়ার্ডে ভাল অবস্থান গড়ে উঠে)। আবার যাদের একের অধিক সাইট/ব্লগ আছে তারা কোনটাতে লিখতে আগ্রহ বোধ না করলে অন্যটায় লিখতে পারেন। এছাড়া আইডিয়া ডেভলপের জন্য সমধর্মী সাইট/ফোরাম/ব্লগে ঢু মারার অভ্যাস রাখা যেতে পারে…
যাই হোক আরিফ এই বয়সে এতো ম্যাচুর্ড লেখা লিখ কিভাবে? প্রচুর কি বই পড়ার অভ্যাস আছে? লেখাটা দারুন লাগল…
হ্যা আগে প্রচুর বই পড়া হতো… কিন্তু ভার্চুয়াল জগতে অতিরিক্ত জড়িত হয়ে যাওয়ার কারণে বই এখন খুব একটা পড়া হয়না, তবে সময় পেলেই বই নিয়ে বসে যাই…
বায় দ্য ওয়ে আপনার কমেন্টে খানিকটা জন রবিনসন [এক্সফ্যাক্টর] এর প্রভাব লক্ষণীয়… তার বই পড়েন নাকি? প্রিন্ট করা আছে দুই একটা?
জন এর “Micro Niche Adsense Course” এবং “The Authority Site Adsense Course” দুইটাই প্রিন্ট আউট করা আছে। এর মধ্যে “The Authority Site Adsense Course” আমার পড়া সবচাইতে প্রিয় এ্যাডসেন্স বই।
ওহ দারুণ… আমিও দু’টো বইই পড়েছি… তবে পিসিতে পিডিএফ আছে আমার কাছে, প্রিন্ট-আউট নেই, আমাকে কি কিছুদিনের জন্যে ধার দেয়া যাবে বই দু’টো?
আরিফ ভাই আমাকে কি বই দুটোর লিঙ্ক দিতে পারেন?
পাবলিকালি লিঙ্ক শেয়ার করতে চাচ্ছি না, যদি ফেসবুকে আমার ফ্রেণ্ডলিস্টে থেকে থাকেন তো মেসেজে দিতে পারি…
তুমি আমার ফ্রেন্ড লিস্ট নাই।
এই জিনিষটা আমার ক্ষেত্রে বেশ প্রজোয্য। দেখা যায় হাটছি হাটছি হঠাৎ চমৎকার একটা টপিক মনে আসল। কিন্তু সব সময় সাথে খাতা কলম না থাকায় লিখা হয় না। বাসায় আসতে আসতে টপিক যাই ভুলে। এরপর লিখতে সবে আর টপিক মনে আসেনা। কষ্টে একটা টপিক নির্বাচন করার পরে দেখি কি লিখব গুছিয়ে সেভাবে ভাবতে পারছি না। অর্ধেক লিখে আবার পরে লিখব বলে কম্পুটার থেকে উঠে যাই, আর লিখা হয় না। এমন করে করে বহু ড্রাফট আমার সইটে জমা হয়ে আছে।এখনও চিন্তা করি টপিকগুলো ভাল সময় পেলেই লিখব। কিন্তু আর লেখা হয় না। সইটের পোস্টের সমপরিমান ড্রাফট পড়ে আছে।আশা করছি নতুন উদ্দ্যমে পোস্টগুলো আবার লিখব।
আপনার ড্র্যাফটগুলো শীঘ্রই পূর্ণাং রূপ পেয়ে পাবলিশ হবে সেই আশায় রইলাম…
এমনটা হওয়াই স্বাভাবিক । একটা সমাধান হলো কছু সময়ের জন্য লেখালেখি থেকে ছুটি নেওয়া । এটা ভালোই কাজে দেয় ।
তবে আমি মনে করি যারা লেখালেখিটাকেই লেখা এবং পেশা হিসেবে নিয়েছেন তারা যদি দীর্ঘমেয়াদি ছুটিতে যান তাহলে লেখার মানের অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে…
খুবই দরকারী পোস্ট