সবকিছুর বেলাতেই প্রয়োজনীয়তা বুঝে পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ। ওয়েবসাইট কিম্বা ব্লগের ক্ষেত্রেও ভিন্ন নীতি হওয়া উচিৎ নয়। অনেক ব্লগার আছেন যারা আপন মনেই ডায়রী লেখার মতো করে নিজের ভাবনাচিন্তার কথা লেখেন, কেউ বা গানের ব্লগ বানিয়েছেন, কেউ কেউ সিনেমা/নাটক/সফটওয়্যার ডাউনলোডের ব্লগ বানিয়েছেন, টেকি ব্লগাররাও আছেন। বিভিন্ন ধরনের ব্লগ এবং সেই অন্যযায়ী নির্ভর করে ব্যাকলিঙ্ক ও পেজর্যাঙ্কের প্রয়োজনীয়তা। ভেবে দেখুন দেখি, যিনি একান্তই তার নিজের ভাবনাচিন্তার প্রকাশ করছেন ডায়রী লেখার মতো, তার কি অনেক ব্যাকলিঙ্ক প্রয়োজন আছে? তাকে হয়তো এইসব ব্যাপারে চিন্তাই করতে হবেনা কারন তার সব লেখাই তার নিজের বলে লেখাগুলি সার্চ ইঞ্জিনের ভাষায় ‘ইউনিক’। তার লেখার মধ্যে বিতর্কিত কোনো বিষয় কিম্বা অত্যন্ত জনপ্রিয় কোনো বিষয় থাকলে অন্যান্য অনেক ওয়েবসাইট/ব্লগ থেকে তিনি ব্যাকলিঙ্ক এমনিতেই পেয়ে যেতে পারেন। তার অজান্তেই তার পেজর্যাঙ্ক বেড়ে চলবে, তিনি হয়তো তা জানতেও পারবেন না, কিম্বা অনেকদিন পরে জানতে পেরে মনে মনে খুশীই হবেন।

